আমাকে ধর্ষণ করেছে তাতে কষ্ট নেই , বেশি কষ্ট হয়েছে আমার আইফোন নিয়ে গেছে
- আপডেট সময় : ০৫:২৪:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ৫৭৮ বার পড়া হয়েছে
তিনি আরও বলেন, ‘একজন একজন করে তিনজন রুমে ঢুকে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরদিন সকালে গাড়িতে করে আমাকে ঢাকায় পৌঁছে দেয়া হয়। এরপর আমি বাসায় দুইদিন চিকিৎসা করে মিরপুর থানায় গেলে শ্রীপুর থানায় এসে মামলা করার পরামর্শ দেন। এরপর আমি থানায় এসে ঘটনা জানালে মামলা হয়। আমি আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি’।
শ্রীপুর থানা পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) জানান, গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে থানায় এসে ওই নারী প্রথমেই আইফোন হারানোর অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “মূলত তিনি গণধর্ষণের ঘটনার চেয়ে আইফোন নিয়েই তিনি বেশি বলেছেন।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুক্তভোগীর বক্তব্যের পর স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, রাত ৩টার দিকে তিনি কেন ঢাকা থেকে গাজীপুরের রিসোর্টে গেলেন ? তাঁদের মতে, আসল ঘটনা ‘লেনদেনের বনিবনা না হওয়া’। কেউ কেউ বলছেন, আইফোন যদি সত্যিই নিয়ে থাকে, তবে কাগজপত্র দেখে সেটি উদ্ধার করা হোক। আবার কাগজপত্র না থাকলে ঘটনাটির অন্তরালে কী আছে, তা খুঁজে বের করা জরুরি। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তিন ধরনের বক্তব্য দেওয়ায় পুরো বিষয়টি এখন স্থানীয়ভাবে হাস্যরসেরও জন্ম দিয়েছে।
মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ওই রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে নিবন্ধন না থাকায় বাংলাদেশ হোটেল ও রেস্তোরাঁ আইন, ২০১৪ এর আওতায় দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কাউকে আটক করা হয়নি।
আটকের বিষয়ে ওসি মহোদয়ের সাথে কথা বলতে। শ্রীপুর থানার ওসি আব্দুল বারিক বলেন, আজকে এসিল্যান্ড স্যারের নেতৃত্বে অনৈতিক কাজে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুইজন নারী ও রিসোর্টের স্টাফসহ মোট ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী কোনো নারী অভিযোগ করলেই পুলিশ মামলা নেয় এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করায়। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্তে প্রমাণ সাপেক্ষে আদালতে বিচার হবে। তিনি আরও জানান, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


























































