ঢাকা ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রোহিঙ্গাদের ১ কোটি ১২ লাখ ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য-কাতার

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 257
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
কক্সবাজারে থাকা ছয় লাখ ৪৭ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ১ কোটি ১২ লাখ (১১.২ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার সহায়তা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য ও কাতার।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গা শিবিরের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়ন এবং পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এই তহবিল ব্যবহার করা হবে। গত কয়েক বছরে জ্বালানি কাঠের উচ্চ চাহিদার কারণে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক বন উজাড়ের ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে ক্যাম্পে এলপিজি সরবরাহ বাড়ানো হবে, যাতে জ্বালানি কাঠের ওপর নির্ভরতা কমে এবং আশপাশের বন উজাড় রোধ করা যায়।
দুই দেশ জানিয়েছে, তারা একসঙ্গে কক্সবাজারে আরও নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসার পর থেকে কক্সবাজার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে রয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রোহিঙ্গাদের ১ কোটি ১২ লাখ ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য-কাতার

আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
কক্সবাজারে থাকা ছয় লাখ ৪৭ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ১ কোটি ১২ লাখ (১১.২ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার সহায়তা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য ও কাতার।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গা শিবিরের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়ন এবং পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এই তহবিল ব্যবহার করা হবে। গত কয়েক বছরে জ্বালানি কাঠের উচ্চ চাহিদার কারণে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক বন উজাড়ের ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে ক্যাম্পে এলপিজি সরবরাহ বাড়ানো হবে, যাতে জ্বালানি কাঠের ওপর নির্ভরতা কমে এবং আশপাশের বন উজাড় রোধ করা যায়।
দুই দেশ জানিয়েছে, তারা একসঙ্গে কক্সবাজারে আরও নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসার পর থেকে কক্সবাজার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে রয়ে গেছে।