ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সীমান্তে শিশু গুলিবিদ্ধ ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ Logo ৭০ জনের আপিল শুনানি, ৪০ জনের আপিল মঞ্জুর Logo কৃষিপণ্যের লাভজনক মূল্য ও স্থায়ী কমিশন দাবি ভূমিহীন আন্দোলনের Logo স্ত্রী বা প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে: হাইকোর্ট Logo প্রার্থীদের মধ্যে ৪৪% ব্যবসায়ী, পেশায় রাজনীতিক মাত্র ২৬ Logo বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় প্রথম অবস্থানে ঢাকা Logo নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পোস্টাল ভোটে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে (ইসি) Logo আমরা সবাই মিলে গণভোট নিয়ে ভোটারদের সচেতন করবো: তথ্য সচিব Logo হলফনামায় ৫০ তোলা স্বর্ণ শামা ওবায়েদের, মোট সম্পদ ও বার্ষিক আয় কত ? Logo খেজুর রসে বাদুড়ের লালা থেকে নিপাহ ভাইরাস,৩৪ জেলায় মৃত্যুহার ৭১ শতাংশ

প্রার্থীদের মধ্যে ৪৪% ব্যবসায়ী, পেশায় রাজনীতিক মাত্র ২৬

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৫২০ বার পড়া হয়েছে
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘ক্যারিয়ার রাজনীতিকদের’ অনেকটা কোণঠাসা করে জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি বেশ কিছুদিন ধরেই বেড়ে চলেছে। একাধিক চরম বিতর্কিত ভোটের পর হতে যাওয়া বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরও এ চিত্র বহাল থাকতে পারে। কারণ এবারের প্রার্থী তালিকায়ও পেশাজীবীদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের জয়জয়কার। যাচাই-বাছাইয়ে বৈধ হওয়া প্রার্থীদের ৪৪ শতাংশের বেশি ব্যবসায়ী।

ব্যবসায়ীদের পর পেশাজীবীদের মধ্যে বেশি প্রার্থী হওয়ার তালিকায় রয়েছেন শিক্ষকেরা। এর বাইরে আছেন আইনজীবী, কৃষিজীবী, চিকিৎসক, সাবেক সরকরি কর্মচারী ও পরামর্শক।

সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনের জন্য মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন প্রার্থীরা। শেষ পর্যন্ত জমা পড়ে ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র। এর মধ্যে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৯০ এবং স্বতন্ত্র ৪৭৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তবে আপিলের পর কিছুসংখ্যক প্রার্থী বৈধতা ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।

৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এর মধ্যে ব্যবসায়ী রয়েছেন ৮১৪ জন। অর্থাৎ বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের প্রায় অর্ধেক। আবার এ ব্যবসায়ী প্রার্থীদের সবচেয়ে বেশি, ১৯৪ জনই বিএনপির। অর্থাৎ প্রায় এক-চতুর্থাংশ। বিএনপির পর সর্বোচ্চ ব্যবসায়ী প্রার্থী রয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের, ৯৬ জন। এরপর জাতীয় পার্টির ৮৯, জামায়াতের ৭৭, গণঅধিকার পরিষদের ৪২, খেলাফত মজলিসের ২৬, এনসিপির ১৬, এবি পার্টির ৮ ও খেলাফত আন্দোলনের ৩ জন ব্যবসায়ী প্রার্থী রয়েছেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর তরফ থেকে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়নে ব্যবসায়ীদের এত অগ্রাধিকার দেওয়াকে ভালো ইঙ্গিত বলে মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁরা বলছেন, স্বার্থের জায়গা থেকে ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিকেরা একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর তরফ থেকে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়নে ব্যবসায়ীদের এত অগ্রাধিকার দেওয়াকে ভালো ইঙ্গিত বলে মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁরা বলছেন, স্বার্থের জায়গা থেকে ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিকেরা একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রার্থীদের মধ্যে ৪৪% ব্যবসায়ী, পেশায় রাজনীতিক মাত্র ২৬

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

‘ক্যারিয়ার রাজনীতিকদের’ অনেকটা কোণঠাসা করে জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি বেশ কিছুদিন ধরেই বেড়ে চলেছে। একাধিক চরম বিতর্কিত ভোটের পর হতে যাওয়া বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরও এ চিত্র বহাল থাকতে পারে। কারণ এবারের প্রার্থী তালিকায়ও পেশাজীবীদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের জয়জয়কার। যাচাই-বাছাইয়ে বৈধ হওয়া প্রার্থীদের ৪৪ শতাংশের বেশি ব্যবসায়ী।

ব্যবসায়ীদের পর পেশাজীবীদের মধ্যে বেশি প্রার্থী হওয়ার তালিকায় রয়েছেন শিক্ষকেরা। এর বাইরে আছেন আইনজীবী, কৃষিজীবী, চিকিৎসক, সাবেক সরকরি কর্মচারী ও পরামর্শক।

সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনের জন্য মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন প্রার্থীরা। শেষ পর্যন্ত জমা পড়ে ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র। এর মধ্যে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৯০ এবং স্বতন্ত্র ৪৭৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তবে আপিলের পর কিছুসংখ্যক প্রার্থী বৈধতা ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।

৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এর মধ্যে ব্যবসায়ী রয়েছেন ৮১৪ জন। অর্থাৎ বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের প্রায় অর্ধেক। আবার এ ব্যবসায়ী প্রার্থীদের সবচেয়ে বেশি, ১৯৪ জনই বিএনপির। অর্থাৎ প্রায় এক-চতুর্থাংশ। বিএনপির পর সর্বোচ্চ ব্যবসায়ী প্রার্থী রয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের, ৯৬ জন। এরপর জাতীয় পার্টির ৮৯, জামায়াতের ৭৭, গণঅধিকার পরিষদের ৪২, খেলাফত মজলিসের ২৬, এনসিপির ১৬, এবি পার্টির ৮ ও খেলাফত আন্দোলনের ৩ জন ব্যবসায়ী প্রার্থী রয়েছেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর তরফ থেকে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়নে ব্যবসায়ীদের এত অগ্রাধিকার দেওয়াকে ভালো ইঙ্গিত বলে মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁরা বলছেন, স্বার্থের জায়গা থেকে ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিকেরা একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর তরফ থেকে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়নে ব্যবসায়ীদের এত অগ্রাধিকার দেওয়াকে ভালো ইঙ্গিত বলে মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁরা বলছেন, স্বার্থের জায়গা থেকে ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিকেরা একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন।