সংবাদ শিরোনাম ::
ট্রেড ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের রেস্তোরাঁ খাত
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময় : ০১:০১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৫৮৬ বার পড়া হয়েছে
তীব্র গ্যাস সংকট, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি এবং ট্রেড ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের রেস্তোরাঁ খাত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি এই সংকটের কথা তুলে ধরে। তারা জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে ৩০ লাখ কর্মীর এই বিশাল খাতটি ধ্বংসের মুখে পড়বে। সংকট নিরসনে তারা অন্তর্বর্তী সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান অভিযোগ করেন, এলপিজি গ্যাসের বাজারে সিন্ডিকেট তৈরি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ৩ হাজার টাকায়। পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে ব্যবসায়ীদের বেসরকারি আমদানিকারকদের হাতে জিম্মি করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এই অরাজকতা বন্ধে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।
গ্যাস সংকটের পাশাপাশি নতুন আপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে বহিরাগতদের চাঁদাবাজি। মালিকদের অভিযোগ, কিছু অসাধু চক্র শ্রমিক সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে রেস্তোরাঁগুলোতে হুমকি-ধমকি ও শারীরিক হামলা চালাচ্ছে। একটি কর্পোরেট গোষ্ঠী ট্রেড ইউনিয়নকে ব্যবহার করে এই খাত দখলের ষড়যন্ত্র করছে বলেও তারা উল্লেখ করেন। এছাড়া ভোক্তা অধিকার দপ্তরের নিয়মিত অভিযান ও জরিমানাকে ‘লোক দেখানো হয়রানি’ হিসেবে বর্ণনা করে তা বন্ধের দাবি জানান তারা।
রেস্তোরাঁ খাতের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় দুই কোটি মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল। ব্যবসায়ীরা সাফ জানিয়েছেন, যদি অবিলম্বে জ্বালানি সংকট সমাধান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং চাঁদাবাজি বন্ধ না হয়, তবে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রাস্তায় নামতে বাধ্য হবেন। একইসাথে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে এই খাত রক্ষায় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রাখারও আহ্বান জানান তারা।































































