
পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা জোরপূর্বক স্পা সেন্টারে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই নারী কর্মীর ওপর নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে তাকে অভিযোগকৃতভাবে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার তদন্ত নতুন মোড় নেয় যখন স্পা মালিক বলেন, এই ঘটনায় প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ীর হাত রয়েছে।
পাঠানামথিট্টা জেলার পুলিশ সুপার আর আনন্দ জানান, ভুক্তভোগীকে জেলা লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির মাধ্যমে আইনি সহায়তা ও মানসিক কাউন্সেলিং প্রদান করা হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি সুবিন আলেকজান্ডারের বিরুদ্ধে কেরালা অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্টের আওতায় প্রতিরোধমূলক আটকাদেশের ব্যবস্থা শুরু হয়েছে।
স্পা থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ে পুলিশ জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, এ মামলায় এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে অতীতে এ ধরনের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সুত্র : খবর দ্যা হিন্দু ।