ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কের অন্ধকার অংশে দুর্ঘটনার ভয়, দ্রুত ব্যবস্থা চায় পথচারী ও যাত্রীরা

আরাফাত চৌধুরী
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • / 44
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কের বিভিন্ন অংশে রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় যাত্রী ও চালকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

মহাসড়কের অনেক স্থানে রাস্তার পাশে পর্যাপ্ত স্ট্রিটলাইট না থাকায় অন্ধকারে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা।

সচেতন মহলের মতে, দুর্ঘটনা কখনও পূর্বাভাস দিয়ে আসে না। তবে সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকলে অনেক দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। অন্ধকার পরিবেশে শুধু দুর্ঘটনার ঝুঁকিই নয়, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

যাত্রীরা জানান, দেশের বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ইতোমধ্যে অসংখ্য মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। একটি দুর্ঘটনা শুধু একজন মানুষের জীবনই কেড়ে নেয় না, বরং তার পরিবারকে দীর্ঘদিনের কষ্ট ও শোকের মধ্যে ফেলে দেয়।

এছাড়া কিছু অসচেতন চালকের বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং মাদকাসক্ত অবস্থায় যানবাহন পরিচালনার কারণেও দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সড়ক ব্যবহারকারীরা দ্রুত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ও অন্ধকার এলাকাগুলোতে আধুনিক স্ট্রিটলাইট স্থাপন, নিয়মিত তদারকি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কের অন্ধকার অংশে দুর্ঘটনার ভয়, দ্রুত ব্যবস্থা চায় পথচারী ও যাত্রীরা

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কের বিভিন্ন অংশে রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় যাত্রী ও চালকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

মহাসড়কের অনেক স্থানে রাস্তার পাশে পর্যাপ্ত স্ট্রিটলাইট না থাকায় অন্ধকারে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা।

সচেতন মহলের মতে, দুর্ঘটনা কখনও পূর্বাভাস দিয়ে আসে না। তবে সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকলে অনেক দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। অন্ধকার পরিবেশে শুধু দুর্ঘটনার ঝুঁকিই নয়, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

যাত্রীরা জানান, দেশের বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ইতোমধ্যে অসংখ্য মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। একটি দুর্ঘটনা শুধু একজন মানুষের জীবনই কেড়ে নেয় না, বরং তার পরিবারকে দীর্ঘদিনের কষ্ট ও শোকের মধ্যে ফেলে দেয়।

এছাড়া কিছু অসচেতন চালকের বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং মাদকাসক্ত অবস্থায় যানবাহন পরিচালনার কারণেও দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সড়ক ব্যবহারকারীরা দ্রুত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ও অন্ধকার এলাকাগুলোতে আধুনিক স্ট্রিটলাইট স্থাপন, নিয়মিত তদারকি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।