ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

উপকূলজুড়ে নদীভাঙনের তাণ্ডব: বামনায় ঝুঁকিতে খাদ্যগুদাম, আবাসন প্রকল্প ও একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / 171
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উপকূলজুড়ে নদীভাঙনের তাণ্ডব: বামনায় ঝুঁকিতে খাদ্যগুদাম, আবাসন প্রকল্প ও একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ তানভীর, বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধি:

উপকূলজুড়ে আবারও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে নদীভাঙন। বরগুনার বামনা উপজেলায় বিষখালী নদীর তীব্র ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাজারো মানুষের বসতভিটা।
উপজেলার একমাত্র সরকারি খাদ্যগুদামটি বিষখালী নদীর তীরে অবস্থিত, যেখানে ১২০০ থেকে ১৫০০ টন খাদ্যশস্য মজুদ থাকে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে গুদামটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সরকারের কোটি টাকার ক্ষতির কারণ হতে পারে এবং খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থায় মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।
খাদ্যগুদামের পাশেই সরকারের নির্মিত ভূমিহীনদের আবাসন প্রকল্পে শতাধিক হিন্দু-মুসলিম পরিবার বসবাস করছে। নদীভাঙনের ফলে এসব পরিবারও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
চেঁচান, কলাগাছিয়া সংলগ্ন পূর্ব সফিপুর এলাকায় প্রায় ৭ হাজার ৩৬৫ মানুষের বসবাস। একইসঙ্গে বেগম ফায়জুন্নেসা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, সদর আর রশিদ ফাযিল মাদ্রাসা, ১২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সৈয়দ নাজমুল আহসান মাধ্যমিক ইনস্টিটিউট, উপজেলা পরিষদ, ২ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ, ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভাঙনের মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।
অন্যদিকে, ৩ নং রামনা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে শত শত বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বহু পরিবার সহায়-সম্বল হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে এবং মানবেতর জীবনযাপন করছে।
এদিকে বর্ষা মৌসুম পুরোপুরি শুরু না হলেও বিষখালী নদীর ভাঙন পরিস্থিতি ইতোমধ্যে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই বসতঘর, ফসলি জমি, সড়ক ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নদীতে বিলীন হচ্ছে। ফলে হাজারো মানুষ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে।
সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে কলাগাছিয়া লঞ্চঘাট থেকে দক্ষিণ রামনা ও চলাভাংঙ্গা এলাকা। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে।
দক্ষিণ রামনা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে। অবশিষ্ট অংশও মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। বাঁধটি ধসে পড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ মানজুরুর রব মুর্তাযা আহসান বলেন, “নদীভাঙন এখন উপকূলবাসীর নিত্যদিনের আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। স্থায়ী সমাধানের কার্যকর উদ্যোগ এখনো দৃশ্যমান নয়।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক স্থানে কাগজে-কলমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ থাকলেও বাস্তবে তার অস্তিত্ব নেই। কোথাও দায়সারাভাবে নির্মিত রিং বাঁধ জোয়ারের তোড়ে টিকতে পারছে না।
কালিকাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান হাসিব বলেন, “প্রতিবছর আমাদের জমি ও ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হচ্ছে। দীর্ঘদিনেও কোনো টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি।”
স্থানীয় সাংবাদিক নাসির উদ্দীন জানান, “গত বছর ফেলা জিও ব্যাগ ছয় মাসও টেকেনি। বিষখালীর স্রোতে সব নদীতে ভেসে গেছে।”
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ২২টি পোল্ডারে মোট ৮০৫ কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২ কিলোমিটার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে কিছু এলাকায় টেকসই বাঁধ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবদুল হান্নান প্রধান বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। নতুন প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, অর্থ বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উপকূলজুড়ে নদীভাঙনের তাণ্ডব: বামনায় ঝুঁকিতে খাদ্যগুদাম, আবাসন প্রকল্প ও একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

আপডেট সময় : ১২:৫৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

উপকূলজুড়ে নদীভাঙনের তাণ্ডব: বামনায় ঝুঁকিতে খাদ্যগুদাম, আবাসন প্রকল্প ও একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ তানভীর, বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধি:

উপকূলজুড়ে আবারও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে নদীভাঙন। বরগুনার বামনা উপজেলায় বিষখালী নদীর তীব্র ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাজারো মানুষের বসতভিটা।
উপজেলার একমাত্র সরকারি খাদ্যগুদামটি বিষখালী নদীর তীরে অবস্থিত, যেখানে ১২০০ থেকে ১৫০০ টন খাদ্যশস্য মজুদ থাকে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে গুদামটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সরকারের কোটি টাকার ক্ষতির কারণ হতে পারে এবং খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থায় মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।
খাদ্যগুদামের পাশেই সরকারের নির্মিত ভূমিহীনদের আবাসন প্রকল্পে শতাধিক হিন্দু-মুসলিম পরিবার বসবাস করছে। নদীভাঙনের ফলে এসব পরিবারও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
চেঁচান, কলাগাছিয়া সংলগ্ন পূর্ব সফিপুর এলাকায় প্রায় ৭ হাজার ৩৬৫ মানুষের বসবাস। একইসঙ্গে বেগম ফায়জুন্নেসা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, সদর আর রশিদ ফাযিল মাদ্রাসা, ১২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সৈয়দ নাজমুল আহসান মাধ্যমিক ইনস্টিটিউট, উপজেলা পরিষদ, ২ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ, ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভাঙনের মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।
অন্যদিকে, ৩ নং রামনা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে শত শত বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বহু পরিবার সহায়-সম্বল হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে এবং মানবেতর জীবনযাপন করছে।
এদিকে বর্ষা মৌসুম পুরোপুরি শুরু না হলেও বিষখালী নদীর ভাঙন পরিস্থিতি ইতোমধ্যে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই বসতঘর, ফসলি জমি, সড়ক ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নদীতে বিলীন হচ্ছে। ফলে হাজারো মানুষ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে।
সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে কলাগাছিয়া লঞ্চঘাট থেকে দক্ষিণ রামনা ও চলাভাংঙ্গা এলাকা। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে।
দক্ষিণ রামনা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে। অবশিষ্ট অংশও মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। বাঁধটি ধসে পড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ মানজুরুর রব মুর্তাযা আহসান বলেন, “নদীভাঙন এখন উপকূলবাসীর নিত্যদিনের আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। স্থায়ী সমাধানের কার্যকর উদ্যোগ এখনো দৃশ্যমান নয়।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক স্থানে কাগজে-কলমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ থাকলেও বাস্তবে তার অস্তিত্ব নেই। কোথাও দায়সারাভাবে নির্মিত রিং বাঁধ জোয়ারের তোড়ে টিকতে পারছে না।
কালিকাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান হাসিব বলেন, “প্রতিবছর আমাদের জমি ও ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হচ্ছে। দীর্ঘদিনেও কোনো টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি।”
স্থানীয় সাংবাদিক নাসির উদ্দীন জানান, “গত বছর ফেলা জিও ব্যাগ ছয় মাসও টেকেনি। বিষখালীর স্রোতে সব নদীতে ভেসে গেছে।”
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ২২টি পোল্ডারে মোট ৮০৫ কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২ কিলোমিটার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে কিছু এলাকায় টেকসই বাঁধ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবদুল হান্নান প্রধান বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। নতুন প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, অর্থ বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।”