মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ১২:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
- / 88
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে বাংলাদেশ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে আয়োজিত সভা ও নজরুল বর্ষের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিল বাংলাদেশ, আর এ দেশের মানুষও তাকে হৃদয়ে জায়গা দিয়েছে।” এ সময় তিনি মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে নজরুলের সৃষ্টি প্রধান প্রতিপাদ্য ও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও কবির রচনা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক থাকবে।
বর্তমান প্রযুক্তি-নির্ভর বাস্তবতায় নজরুলের কবিতা নতুন প্রজন্মের জন্য আশার আলোকবর্তিকা হয়ে উঠতে পারে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় কবির সামগ্রিক সৃষ্টিকর্ম সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
নজরুল বর্ষের অনুষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব অনুষ্ঠানে সব বিভাগীয় কমিশনার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাশাপাশি নজরুল-সংশ্লিষ্ট যেসব বরেণ্য ব্যক্তির উপস্থিতি প্রাসঙ্গিক ছিল, প্রটোকল অনুযায়ী আমন্ত্রণপত্রে তাদের নামোল্লেখ থাকা উচিত ছিল।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে বাংলাদেশ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে আয়োজিত সভা ও নজরুল বর্ষের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিল বাংলাদেশ, আর এ দেশের মানুষও তাকে হৃদয়ে জায়গা দিয়েছে।” এ সময় তিনি মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে নজরুলের সৃষ্টি প্রধান প্রতিপাদ্য ও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও কবির রচনা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক থাকবে।
বর্তমান প্রযুক্তি-নির্ভর বাস্তবতায় নজরুলের কবিতা নতুন প্রজন্মের জন্য আশার আলোকবর্তিকা হয়ে উঠতে পারে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় কবির সামগ্রিক সৃষ্টিকর্ম সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
নজরুল বর্ষের অনুষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব অনুষ্ঠানে সব বিভাগীয় কমিশনার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাশাপাশি নজরুল-সংশ্লিষ্ট যেসব বরেণ্য ব্যক্তির উপস্থিতি প্রাসঙ্গিক ছিল, প্রটোকল অনুযায়ী আমন্ত্রণপত্রে তাদের নামোল্লেখ থাকা উচিত ছিল।


























