ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৬৩১

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 197
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা ৬৩১ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্ত স্থানগুলোতে এখনো উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, মালাক্কা প্রণালিতে বিরল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১৪ লাখ মানুষ। এছাড়া আরও প্রায় ৫০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ আছেন।
ইন্দোনেশিয়ার পাশপাশি বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলঙ্কাও। এ দেশগুলোতে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রার আচেহ এবং পশ্চিম সুমাত্রা সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। সেখানকার হাজার হাজার মানুষ এখনো ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন।
আরিনি আমালিয়া নামে এক নারী বিবিসিকে বলেছেন, বন্যার পানির স্রোত ‘সুনামির মতো ছিল। আমার দাদি জানিয়েছেন, এমন বন্যা আগে কখনো দেখেনননি। এটি ছিল ভয়াবহ, সবচেয়ে ভয়াবহ।”
রাস্তাঘাট ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকারীরা পায়ে হেটে ও মোটরসাইকেলে করে সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করতে যাচ্ছেন।
অনেক মানুষ এখনো খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ দুই থেকে তিনদিন ধরে না খেয়ে আছেন।
সুমাত্রার মধ্য তাপানুলির বাসিন্দা মায়শান্তি বিবিসিকে জানিয়েছেন, উদ্ধারকারীরা তার এলাকায় আসতে পারছেন না। তিনি বলেন, “সবকিছু ভেসে গেছে। আমাদের খাবার ফুরিয়ে যাচ্ছে। আমরা খেতে পারছি না। এখন নুডলস নিয়েও মানুষ লড়াই করছে। আমাদের খাবার নেই। আমাদের খাবার এবং চাউল দরকার। আমাদের এখানে আসার রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ।”
সূত্র: বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৬৩১

আপডেট সময় : ০৭:০৫:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা ৬৩১ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্ত স্থানগুলোতে এখনো উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, মালাক্কা প্রণালিতে বিরল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১৪ লাখ মানুষ। এছাড়া আরও প্রায় ৫০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ আছেন।
ইন্দোনেশিয়ার পাশপাশি বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলঙ্কাও। এ দেশগুলোতে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রার আচেহ এবং পশ্চিম সুমাত্রা সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। সেখানকার হাজার হাজার মানুষ এখনো ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন।
আরিনি আমালিয়া নামে এক নারী বিবিসিকে বলেছেন, বন্যার পানির স্রোত ‘সুনামির মতো ছিল। আমার দাদি জানিয়েছেন, এমন বন্যা আগে কখনো দেখেনননি। এটি ছিল ভয়াবহ, সবচেয়ে ভয়াবহ।”
রাস্তাঘাট ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকারীরা পায়ে হেটে ও মোটরসাইকেলে করে সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করতে যাচ্ছেন।
অনেক মানুষ এখনো খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ দুই থেকে তিনদিন ধরে না খেয়ে আছেন।
সুমাত্রার মধ্য তাপানুলির বাসিন্দা মায়শান্তি বিবিসিকে জানিয়েছেন, উদ্ধারকারীরা তার এলাকায় আসতে পারছেন না। তিনি বলেন, “সবকিছু ভেসে গেছে। আমাদের খাবার ফুরিয়ে যাচ্ছে। আমরা খেতে পারছি না। এখন নুডলস নিয়েও মানুষ লড়াই করছে। আমাদের খাবার নেই। আমাদের খাবার এবং চাউল দরকার। আমাদের এখানে আসার রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ।”
সূত্র: বিবিসি