ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধে ব্যবস্থা Logo শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একাধিক ফ্লাইট বাতিল Logo অগ্নিঝরা মার্চ স্বাধীনতার মাস মার্চ Logo সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন সম্পন্ন, রেজিস্ট্রেশন নম্বর S-14517 Logo নরসিংদী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রশ্ন হাসনাত আবদুল্লাহ-র Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাত কর‌তে আগ্রহী পা‌কিস্তা‌নের প্রধানমন্ত্রী Logo বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ Logo ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না যে ৬ শ্রেণির মানুষ Logo পালিত হবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কেন বিট ফল খাবেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
সুপার ফুড হিসেবে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিটরুট। এই রঙিন সবজি শরীরের নানা উপকারে আসে। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে ত্বক, হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিটরুটে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফাইবার, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিংক, আয়োডিন, ভিটামিন এ, বি৬, সি, ম্যাঙ্গানিজ, ফোলেট, রিবোফ্লাবিন ও পটাশিয়ামসহ নানা উপকারী উপাদান। নিয়মিত এই সবজি খেলে নিচের উপকারগুলো পাওয়া যায়:
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর:
বিটরুট বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দশটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সবজির একটি। এটি শরীরকে ক্ষতিকর অক্সিডেশন প্রক্রিয়ার প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক:
বিটরুটে থাকা উদ্ভিদ রঙ্গক ‘বেটাসায়ানিন’ শুধু এর উজ্জ্বল লাল রঙের জন্য নয়, বরং মূত্রাশয় ক্যানসারসহ কিছু ক্যানসারের বিকাশ রোধেও সহায়তা করে। এতে থাকা ফেরিক অ্যাসিডসহ বিভিন্ন ক্যানসার প্রতিরোধী যৌগ শরীরকে সুরক্ষা দেয়।
প্রদাহ কমায়:
বেটালাইনস নামক উপাদান প্রদাহের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে। হাঁটুর ব্যথা বা জয়েন্টের ফোলাভাব কমাতেও এটি কার্যকর।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে:
বিটরুটে থাকা প্রাকৃতিক নাইট্রেট রক্তনালী শিথিল করে রক্তপ্রবাহ উন্নত করে এবং রক্তচাপ কমায়। ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।
শক্তি বৃদ্ধি করে:
ব্যায়ামের পর পেশি ক্লান্ত হয়ে পড়লে বিটরুটের নাইট্রেট পেশি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনে।
হজমে সহায়ক:
বিটরুটে থাকা ফাইবার ও বেটাওয়েন অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা বাড়ায়, ফলে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়।
 অন্ত্রের সুরক্ষায়:
গ্লুটামিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিডের অন্যতম উৎস বিটরুট। এটি অন্ত্রের আস্তরণকে আঘাত বা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়:
গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ব্যায়াম ও বিটরুট খাওয়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোবে রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে মানসিক সতেজতা বজায় রাখে।
মেনোপজ পরবর্তী সুস্থতায়:
মেনোপজের পর নারীদের রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। এই সময় নাইট্রেট সমৃদ্ধ বিটরুট খাদ্যতালিকায় রাখলে তা শরীরকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়ক।
রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে:
আঙুল ও পায়ে রক্ত সঠিকভাবে না চললে ব্যথা বা অসাড়তা দেখা দেয়। বিটরুটের রস রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এই সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
চিকিৎসকরা বলছেন, নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণে বিটরুট যুক্ত করলে সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা, ত্বকের সৌন্দর্য ও মানসিক সতেজতা বাড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কেন বিট ফল খাবেন

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সুপার ফুড হিসেবে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিটরুট। এই রঙিন সবজি শরীরের নানা উপকারে আসে। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে ত্বক, হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিটরুটে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফাইবার, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিংক, আয়োডিন, ভিটামিন এ, বি৬, সি, ম্যাঙ্গানিজ, ফোলেট, রিবোফ্লাবিন ও পটাশিয়ামসহ নানা উপকারী উপাদান। নিয়মিত এই সবজি খেলে নিচের উপকারগুলো পাওয়া যায়:
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর:
বিটরুট বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দশটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সবজির একটি। এটি শরীরকে ক্ষতিকর অক্সিডেশন প্রক্রিয়ার প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক:
বিটরুটে থাকা উদ্ভিদ রঙ্গক ‘বেটাসায়ানিন’ শুধু এর উজ্জ্বল লাল রঙের জন্য নয়, বরং মূত্রাশয় ক্যানসারসহ কিছু ক্যানসারের বিকাশ রোধেও সহায়তা করে। এতে থাকা ফেরিক অ্যাসিডসহ বিভিন্ন ক্যানসার প্রতিরোধী যৌগ শরীরকে সুরক্ষা দেয়।
প্রদাহ কমায়:
বেটালাইনস নামক উপাদান প্রদাহের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে। হাঁটুর ব্যথা বা জয়েন্টের ফোলাভাব কমাতেও এটি কার্যকর।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে:
বিটরুটে থাকা প্রাকৃতিক নাইট্রেট রক্তনালী শিথিল করে রক্তপ্রবাহ উন্নত করে এবং রক্তচাপ কমায়। ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।
শক্তি বৃদ্ধি করে:
ব্যায়ামের পর পেশি ক্লান্ত হয়ে পড়লে বিটরুটের নাইট্রেট পেশি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনে।
হজমে সহায়ক:
বিটরুটে থাকা ফাইবার ও বেটাওয়েন অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা বাড়ায়, ফলে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়।
 অন্ত্রের সুরক্ষায়:
গ্লুটামিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিডের অন্যতম উৎস বিটরুট। এটি অন্ত্রের আস্তরণকে আঘাত বা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়:
গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ব্যায়াম ও বিটরুট খাওয়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোবে রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে মানসিক সতেজতা বজায় রাখে।
মেনোপজ পরবর্তী সুস্থতায়:
মেনোপজের পর নারীদের রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। এই সময় নাইট্রেট সমৃদ্ধ বিটরুট খাদ্যতালিকায় রাখলে তা শরীরকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়ক।
রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে:
আঙুল ও পায়ে রক্ত সঠিকভাবে না চললে ব্যথা বা অসাড়তা দেখা দেয়। বিটরুটের রস রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এই সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
চিকিৎসকরা বলছেন, নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণে বিটরুট যুক্ত করলে সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা, ত্বকের সৌন্দর্য ও মানসিক সতেজতা বাড়ে।