ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০০:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 114

ছবি: সংগৃহীত

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ ১৮ মাস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সফল নেতৃত্ব দেওয়ার পর জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে প্রচারিত এই ভাষণে তিনি দেশের দায়িত্ব একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে হস্তান্তরের ঘোষণা দেন। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে সচল করাকে নিজের মেয়াদের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ আজ এক নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় পদার্পণ করল।”

 

​ভাষণে ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ‘উৎকৃষ্ট উদাহরণ’ হিসেবে উল্লেখ করে বিজয়ী ও বিজিত উভয় পক্ষকেই অভিনন্দন জানান। তিনি স্মরণ করেন সেই সংকটময় মুহূর্তের কথা, যখন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দেশ মুক্ত হলেও প্রশাসনিক স্থবিরতা চরমে ছিল। পলাতক ও অনুগত কর্মকর্তাদের ভিড়ে বিশ্বাসযোগ্য জনবল খুঁজে বের করা এবং অচল রাষ্ট্রযন্ত্রকে সচল করাই ছিল তাঁর সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত দেড় দশকে ধ্বংস হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন এবং জুলাই সনদের আলোকে সাংবিধানিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোট দেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

 

​নিজের মেয়াদের অর্জন ও সীমাবদ্ধতার বিচারের ভার জনগণের ওপর ছেড়ে দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন—এই তিনটি মূল লক্ষ্য নিয়েই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। মানবতাবিরোধী অপরাধ ও দুর্নীতির বিচারকে প্রতিশোধের ঊর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করেছেন বলেও তিনি দাবি করেন। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটারদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার যে ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে, তা আগামী দিনেও অটুট থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস

আপডেট সময় : ০৬:০০:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ ১৮ মাস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সফল নেতৃত্ব দেওয়ার পর জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে প্রচারিত এই ভাষণে তিনি দেশের দায়িত্ব একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে হস্তান্তরের ঘোষণা দেন। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে সচল করাকে নিজের মেয়াদের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ আজ এক নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় পদার্পণ করল।”

 

​ভাষণে ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ‘উৎকৃষ্ট উদাহরণ’ হিসেবে উল্লেখ করে বিজয়ী ও বিজিত উভয় পক্ষকেই অভিনন্দন জানান। তিনি স্মরণ করেন সেই সংকটময় মুহূর্তের কথা, যখন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দেশ মুক্ত হলেও প্রশাসনিক স্থবিরতা চরমে ছিল। পলাতক ও অনুগত কর্মকর্তাদের ভিড়ে বিশ্বাসযোগ্য জনবল খুঁজে বের করা এবং অচল রাষ্ট্রযন্ত্রকে সচল করাই ছিল তাঁর সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত দেড় দশকে ধ্বংস হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন এবং জুলাই সনদের আলোকে সাংবিধানিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোট দেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

 

​নিজের মেয়াদের অর্জন ও সীমাবদ্ধতার বিচারের ভার জনগণের ওপর ছেড়ে দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন—এই তিনটি মূল লক্ষ্য নিয়েই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। মানবতাবিরোধী অপরাধ ও দুর্নীতির বিচারকে প্রতিশোধের ঊর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করেছেন বলেও তিনি দাবি করেন। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটারদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার যে ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে, তা আগামী দিনেও অটুট থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।