ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

আমার জয় হিন্দুত্ববাদের জয়: শুভেন্দু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / 127
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমার জয় হিন্দুত্ববাদের জয়: শুভেন্দু

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে নিজের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ভবানীপুর কেন্দ্রে অভাবনীয় পরাজয় বরণ করেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার বিরুদ্ধে তার এই বিজয়কে হিন্দুত্ববাদীদের জয় হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।

শুভেন্দুর দাবি, মুসলিমরা মমতাকে ভোট দিয়েছে, তাকে দেয়নি। এরপরও ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করেছেন তিনি। এই পরাজয়ের মাধ্যমে রাজনীতি থেকে মমতার অবসর হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন এ বিজেপি নেতা।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে শুভেন্দু বলেছেন, মুসলিমরা তাকে প্রকাশ্যেই ভোট দিয়েছেন। ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে যেসব মুসলিম ভোট দিতে এসেছিলেন, তারা সবাই মমতাকেই ভোট দিয়েছেন; আর হিন্দু, শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধরা আমাকে আশীর্বাদ করেছেন বলে জয়ী হয়েছি আমি। এই জয় মূলত হিন্দুত্ববাদেরই জয়।

বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করা অত্যন্ত জরুরি ছিল। এটি তার রাজনৈতিক জীবনের অবসর। মুসলিমরা তাকে খোলাখুলি ভোট দিয়েছে।’
তিনি করেন, ‘বাঙালি হিন্দুরা ছাড়াও গুজরাটি, মারওয়াড়ি, শিখ ও পূর্বাঞ্চলীয় ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কয়েকবার ফোন করে ভবানীপুর নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন, আমি তাকে জয়ের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছি।’ শুভেন্দু এই জয়কে ‘অরাজক শাসকের’ বিরুদ্ধে জনগণের রায় হিসেবে আখ্যা দেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামের পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর কেন্দ্রে পরাজয়ের পর অত্যন্ত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি এই ফলাফলকে ‘অনৈতিক জয়’ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি মিলে শতাধিক আসন ‘লুট’ করেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভবানীপুর থেকে প্রায় ৬০ হাজার ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তবে সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আমার জয় হিন্দুত্ববাদের জয়: শুভেন্দু

আপডেট সময় : ০৩:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

আমার জয় হিন্দুত্ববাদের জয়: শুভেন্দু

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে নিজের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ভবানীপুর কেন্দ্রে অভাবনীয় পরাজয় বরণ করেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার বিরুদ্ধে তার এই বিজয়কে হিন্দুত্ববাদীদের জয় হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।

শুভেন্দুর দাবি, মুসলিমরা মমতাকে ভোট দিয়েছে, তাকে দেয়নি। এরপরও ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করেছেন তিনি। এই পরাজয়ের মাধ্যমে রাজনীতি থেকে মমতার অবসর হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন এ বিজেপি নেতা।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে শুভেন্দু বলেছেন, মুসলিমরা তাকে প্রকাশ্যেই ভোট দিয়েছেন। ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে যেসব মুসলিম ভোট দিতে এসেছিলেন, তারা সবাই মমতাকেই ভোট দিয়েছেন; আর হিন্দু, শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধরা আমাকে আশীর্বাদ করেছেন বলে জয়ী হয়েছি আমি। এই জয় মূলত হিন্দুত্ববাদেরই জয়।

বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করা অত্যন্ত জরুরি ছিল। এটি তার রাজনৈতিক জীবনের অবসর। মুসলিমরা তাকে খোলাখুলি ভোট দিয়েছে।’
তিনি করেন, ‘বাঙালি হিন্দুরা ছাড়াও গুজরাটি, মারওয়াড়ি, শিখ ও পূর্বাঞ্চলীয় ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কয়েকবার ফোন করে ভবানীপুর নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন, আমি তাকে জয়ের ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছি।’ শুভেন্দু এই জয়কে ‘অরাজক শাসকের’ বিরুদ্ধে জনগণের রায় হিসেবে আখ্যা দেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামের পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর কেন্দ্রে পরাজয়ের পর অত্যন্ত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি এই ফলাফলকে ‘অনৈতিক জয়’ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি মিলে শতাধিক আসন ‘লুট’ করেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভবানীপুর থেকে প্রায় ৬০ হাজার ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তবে সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।