ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

দেশের স্বার্থে তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি : রুমিন ফারহানা

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 574
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত


বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ট্যাটাস থেকে স্পষ্ট যে, তারেক রহমানের আসা বা না আসা শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ও এতে জড়িত। বাংলাদেশের স্বার্থে, শুধু তার দল বা ব্যক্তিগত কারণ নয়-তার সামান্যতম ঝুঁকিও যেখানে রয়েছে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত তার নেওয়া উচিত নয়। দেশের স্বার্থে এমন একটি সময় আসা দরকার যখন তার ওপর কোনো ধরনের ঝুঁকি থাকবে না। আমরা অবশ্যই সেই আশা করতে পারি এবং সেই পরিস্থিতি নিশ্চিত করা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম প্রধান একটি দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এসব কথা বলেন তিনি।
রুমিন ফারহানা বলেন, আমরা কেন ধরে নেবো যে তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত আবেগ, কষ্ট বা দুঃখ দ্বারা পরিচালিত হবে। আমরা কি দেখিনি এই দেশের রাজনীতি কতটা নির্মম যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অকাল বৈধব্য মেনে নিতে হয়েছে, তাকে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় খালেদা জিয়াকে কারাগারে রাখা হয়েছে, এক পুত্রকে চিরতরে হারাতে হয়েছে এবং অফিসে তাকে বালুর ট্রাক দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।
এ দেশের রাজনীতি, উপমহাদেশের রাজনীতির মতোই কঠিন এবং কখনোই সহজ বা মসৃণ নয়।
তিনি আরো বলেন, উপমহাদেশের রাজনীতি খুবই রক্তাক্ত; আমরা ইতিহাসে দেখেছি ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, বেনজির ভুট্টোসহ অনেক নেতার হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। বাংলাদেশেও শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমান হত্যার শিকার হয়েছেন। প্রত্যেক ঘটনায় নিরাপত্তা সংস্থা সতর্ক করলেও তা অনভিপ্রেত কারণে কাজে লাগেনি।
বাংলাদেশে একটি মধ্যপন্থী, গণতান্ত্রিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে তারেক রহমানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তার পরিবারের জন্য যেমন সম্পদ, তিনি দেশেরও সম্পদ। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিরও একটা অ্যাসেট।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কখনোই সুইজারল্যান্ড, সুইডেন বা নরওয়ের মতো স্থিতিশীল ছিল না। দেশের ইতিহাসে অনেক দুঃসময় ঘটেছে—১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যা, এরশাদ সরকারের দীর্ঘ ১০ বছর শাসন।
তবে এমন ললেসনেস অর্থাৎ আইনবিধির সম্পূর্ণ অভাব আগে কখনো দেখা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দেশের স্বার্থে তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি : রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ট্যাটাস থেকে স্পষ্ট যে, তারেক রহমানের আসা বা না আসা শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ও এতে জড়িত। বাংলাদেশের স্বার্থে, শুধু তার দল বা ব্যক্তিগত কারণ নয়-তার সামান্যতম ঝুঁকিও যেখানে রয়েছে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত তার নেওয়া উচিত নয়। দেশের স্বার্থে এমন একটি সময় আসা দরকার যখন তার ওপর কোনো ধরনের ঝুঁকি থাকবে না। আমরা অবশ্যই সেই আশা করতে পারি এবং সেই পরিস্থিতি নিশ্চিত করা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম প্রধান একটি দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এসব কথা বলেন তিনি।
রুমিন ফারহানা বলেন, আমরা কেন ধরে নেবো যে তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত আবেগ, কষ্ট বা দুঃখ দ্বারা পরিচালিত হবে। আমরা কি দেখিনি এই দেশের রাজনীতি কতটা নির্মম যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অকাল বৈধব্য মেনে নিতে হয়েছে, তাকে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় খালেদা জিয়াকে কারাগারে রাখা হয়েছে, এক পুত্রকে চিরতরে হারাতে হয়েছে এবং অফিসে তাকে বালুর ট্রাক দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।
এ দেশের রাজনীতি, উপমহাদেশের রাজনীতির মতোই কঠিন এবং কখনোই সহজ বা মসৃণ নয়।
তিনি আরো বলেন, উপমহাদেশের রাজনীতি খুবই রক্তাক্ত; আমরা ইতিহাসে দেখেছি ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, বেনজির ভুট্টোসহ অনেক নেতার হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। বাংলাদেশেও শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমান হত্যার শিকার হয়েছেন। প্রত্যেক ঘটনায় নিরাপত্তা সংস্থা সতর্ক করলেও তা অনভিপ্রেত কারণে কাজে লাগেনি।
বাংলাদেশে একটি মধ্যপন্থী, গণতান্ত্রিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে তারেক রহমানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি তার পরিবারের জন্য যেমন সম্পদ, তিনি দেশেরও সম্পদ। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিরও একটা অ্যাসেট।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কখনোই সুইজারল্যান্ড, সুইডেন বা নরওয়ের মতো স্থিতিশীল ছিল না। দেশের ইতিহাসে অনেক দুঃসময় ঘটেছে—১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যা, এরশাদ সরকারের দীর্ঘ ১০ বছর শাসন।
তবে এমন ললেসনেস অর্থাৎ আইনবিধির সম্পূর্ণ অভাব আগে কখনো দেখা যায়নি।