ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা: তারেক রহমান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 81
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘যদি আমরা একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ব্যর্থ হই, তবে ভবিষ্যতেও আমাদের শোক ও স্মৃতিচারণের অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। তাই এখন সময় এসেছে—শোক সমাবেশের পরিবর্তে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সাফল্যের গল্প রচনার।’
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তারেক রহমান বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছেন, তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা। যেমনভাবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন, ঠিক তেমনি ২০২৪ সালে জুলাই যোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন।”
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় একটি পৃথক বিভাগ গঠন করা হবে, যার দায়িত্ব থাকবে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের দেখভাল করা। আমরা হারানো স্বজনকে ফিরিয়ে দিতে পারব না, কিন্তু তাদের পরিবারের কষ্ট লাঘবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব অবশ্যই পালন করব।”
তারেক রহমান আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানেই দেড় হাজারের বেশি মানুষ শহীদ এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। এ হত্যাকাণ্ডকে এক কথায় গণহত্যা বলা যায়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো দল বা গোষ্ঠীর আন্দোলন নয়; এটি ছিল দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের গণআন্দোলন। এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে হলে সুষ্ঠু নির্বাচন অপরিহার্য। জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে শহীদ ও আহতদের প্রতি দেওয়া প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশাল্লাহ।”
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা: তারেক রহমান

আপডেট সময় : ১১:৪০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘যদি আমরা একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ব্যর্থ হই, তবে ভবিষ্যতেও আমাদের শোক ও স্মৃতিচারণের অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। তাই এখন সময় এসেছে—শোক সমাবেশের পরিবর্তে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সাফল্যের গল্প রচনার।’
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তারেক রহমান বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছেন, তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা। যেমনভাবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন, ঠিক তেমনি ২০২৪ সালে জুলাই যোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন।”
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় একটি পৃথক বিভাগ গঠন করা হবে, যার দায়িত্ব থাকবে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের দেখভাল করা। আমরা হারানো স্বজনকে ফিরিয়ে দিতে পারব না, কিন্তু তাদের পরিবারের কষ্ট লাঘবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব অবশ্যই পালন করব।”
তারেক রহমান আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানেই দেড় হাজারের বেশি মানুষ শহীদ এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। এ হত্যাকাণ্ডকে এক কথায় গণহত্যা বলা যায়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো দল বা গোষ্ঠীর আন্দোলন নয়; এটি ছিল দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের গণআন্দোলন। এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে হলে সুষ্ঠু নির্বাচন অপরিহার্য। জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে শহীদ ও আহতদের প্রতি দেওয়া প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশাল্লাহ।”
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।