ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধে ব্যবস্থা Logo শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একাধিক ফ্লাইট বাতিল Logo অগ্নিঝরা মার্চ স্বাধীনতার মাস মার্চ Logo সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন সম্পন্ন, রেজিস্ট্রেশন নম্বর S-14517 Logo নরসিংদী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রশ্ন হাসনাত আবদুল্লাহ-র Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাত কর‌তে আগ্রহী পা‌কিস্তা‌নের প্রধানমন্ত্রী Logo বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ Logo ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন না যে ৬ শ্রেণির মানুষ Logo পালিত হবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দ্রুত তদন্তে সাফল্য: নবাবগঞ্জে শিশু শামস হত্যা মামলায় এক আসামি আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • / ৫০১ বার পড়া হয়েছে

ছবি : দেশবর্ন ।

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আইনুল ইসলাম,
দিনাজপুর প্রতিনিধি।

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সংঘটিত শিশু সিরাজুম আল শামস (৮) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে জেলা পুলিশ। ঘটনার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশু নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর কুশদহ ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ মমিনুল ইসলামের একমাত্র সন্তান। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ, আফতাবগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা যৌথভাবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। সহকারী পুলিশ সুপার (বিরামপুর সার্কেল) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), দিনাজপুরের নেতৃত্বে এবং পুলিশ সুপার, দিনাজপুরের তত্ত্বাবধানে অভিযান পরিচালিত হয়।

তদন্তের এক পর্যায়ে নিহতের আত্মীয় মোঃ আমানুর ইসলাম আমান (২১)–কে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় পারিবারিক পরিচিতির সুযোগ নিয়ে শিশুটিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী একটি নির্মাণাধীন স্থানে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং মরদেহ নিকটবর্তী ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রাখা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র এবং নিহতের ব্যবহৃত স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় জানায়, পেশাদারিত্ব ও প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান। এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক শোকের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দ্রুত তদন্তে সাফল্য: নবাবগঞ্জে শিশু শামস হত্যা মামলায় এক আসামি আটক

আপডেট সময় : ০৩:১৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

মোঃ আইনুল ইসলাম,
দিনাজপুর প্রতিনিধি।

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সংঘটিত শিশু সিরাজুম আল শামস (৮) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে জেলা পুলিশ। ঘটনার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশু নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর কুশদহ ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ মমিনুল ইসলামের একমাত্র সন্তান। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ, আফতাবগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা যৌথভাবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। সহকারী পুলিশ সুপার (বিরামপুর সার্কেল) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), দিনাজপুরের নেতৃত্বে এবং পুলিশ সুপার, দিনাজপুরের তত্ত্বাবধানে অভিযান পরিচালিত হয়।

তদন্তের এক পর্যায়ে নিহতের আত্মীয় মোঃ আমানুর ইসলাম আমান (২১)–কে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় পারিবারিক পরিচিতির সুযোগ নিয়ে শিশুটিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী একটি নির্মাণাধীন স্থানে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং মরদেহ নিকটবর্তী ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রাখা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র এবং নিহতের ব্যবহৃত স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় জানায়, পেশাদারিত্ব ও প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান। এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক শোকের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।