ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপদে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 184
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ আজ ৮ এপ্রিল, বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে যা নিন্ম ও মধ্যবিত্তের মানুষের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। সবজি, মুরগি, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর। অনেক ক্রেতা দাম বেড়ে যাওয়ায় পছন্দের পণ্য থেকে সরে এসে তুলনামূলক কম দামের পণ্য কিনছেন। কেউ কেউ প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে কেনাকাটা করছেন।

সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০–৪৩০ টাকায়। রোজায় যা ছিল ২৭০–৩০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০–১৮০ টাকায়, লেয়ার মুরগি ৩৪০–৩৫০ টাকায়। গরুর মাংসের কেজি এখন ৮০০ টাকা, যেখানে ঈদের আগে ছিল ৭৫০–৭৮০ টাকা। রুই, কাতলা ও তেলাপিয়ার দাম ২০ টাকায় বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে লিটারে অন্তত ৫ টাকা। সবজির দাম ২০–৩০ টাকা বেড়ে শতকের ঘরে পৌঁছেছে। চিচিঙ্গা, ঝিঙে ও ধুন্দল ১০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হলেও, বাজারে খুচরা বিক্রেতারা ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি করছেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, দামবৃদ্ধির যথাযথ কারণ নাই। বরং সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজী, অতিমুনাফাখোরি মনোভাবের কারণে দাম বৃদ্ধি পায়। সাধারণ মানুষকে কষ্ট করতে হয়। আমরা সরকারের কাছে দাবী জানাচ্ছি যে, বাজার তদারকি করুন। মজুতদারী ও সিন্ডিকেট করে কেউ যেনো মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে। চাঁদাবাজী বন্ধ করুন। অতিমুনাফাখোলি ব্যবসায়ীদের লাগাম টেনে ধরুন।

বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে বিপদে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে

আপডেট সময় : ১২:২৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ আজ ৮ এপ্রিল, বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে যা নিন্ম ও মধ্যবিত্তের মানুষের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। সবজি, মুরগি, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর। অনেক ক্রেতা দাম বেড়ে যাওয়ায় পছন্দের পণ্য থেকে সরে এসে তুলনামূলক কম দামের পণ্য কিনছেন। কেউ কেউ প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে কেনাকাটা করছেন।

সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০–৪৩০ টাকায়। রোজায় যা ছিল ২৭০–৩০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০–১৮০ টাকায়, লেয়ার মুরগি ৩৪০–৩৫০ টাকায়। গরুর মাংসের কেজি এখন ৮০০ টাকা, যেখানে ঈদের আগে ছিল ৭৫০–৭৮০ টাকা। রুই, কাতলা ও তেলাপিয়ার দাম ২০ টাকায় বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে লিটারে অন্তত ৫ টাকা। সবজির দাম ২০–৩০ টাকা বেড়ে শতকের ঘরে পৌঁছেছে। চিচিঙ্গা, ঝিঙে ও ধুন্দল ১০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হলেও, বাজারে খুচরা বিক্রেতারা ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি করছেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, দামবৃদ্ধির যথাযথ কারণ নাই। বরং সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজী, অতিমুনাফাখোরি মনোভাবের কারণে দাম বৃদ্ধি পায়। সাধারণ মানুষকে কষ্ট করতে হয়। আমরা সরকারের কাছে দাবী জানাচ্ছি যে, বাজার তদারকি করুন। মজুতদারী ও সিন্ডিকেট করে কেউ যেনো মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে। চাঁদাবাজী বন্ধ করুন। অতিমুনাফাখোলি ব্যবসায়ীদের লাগাম টেনে ধরুন।

বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ