ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এলজিইডি দিনাজপুরে বিদায়-বরণ সংবর্ধনায় নেতৃত্বের ধারাবাহিকতার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে

সিগারেট কোম্পানির ৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 87
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
তামাকজাত পণ্যের অবৈধ উৎপাদন ও রাজস্ব ফাঁকি রোধে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ঈশ্বরদীর ইউনাইটেড টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কারখানা থেকে প্রায় ৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ মিলেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এমন অভিযান পরিচালনা করে।
এ বিষয় এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ বলেন, জাতীয় রাজস্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তামাকজাত পণ্যে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার ও অবৈধ উৎপাদন রোধে এনবিআর ভবিষ্যতেও কঠোর এবং ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে যাবে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি ভ্যাট নিবন্ধন থাকলেও আনুষ্ঠানিক উৎপাদন দেখানো ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে গোপনে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করছিল। এ সময় ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৫৯০ শলাকা জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য ৩৮ লাখ টাকার বেশি। এসব সিগারেটের বিপরীতে সরকারের বকেয়া রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ২৯ লাখ টাকা।
এছাড়া ১০ লাখ ২৯ হাজার পিস অব্যবহৃত জাল ব্যান্ডরোল/স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়, যা ব্যবহার করা হলে ৮.৫ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকি হতো। প্রতিষ্ঠানটি ৩ লাখ ২২ হাজার ৫০০ পিস বৈধ ব্যান্ডরোল সংগ্রহ করলেও তা ব্যবহার না করে জাল ব্যান্ডরোল দিয়ে উৎপাদন চালাচ্ছিল।
এনবিআর জানায়, উদ্ধার করা সিগারেট ও উপকরণ আইনানুগভাবে জব্দ করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেটকে প্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সিগারেট কোম্পানির ৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
তামাকজাত পণ্যের অবৈধ উৎপাদন ও রাজস্ব ফাঁকি রোধে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ঈশ্বরদীর ইউনাইটেড টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কারখানা থেকে প্রায় ৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ মিলেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এমন অভিযান পরিচালনা করে।
এ বিষয় এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ বলেন, জাতীয় রাজস্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তামাকজাত পণ্যে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার ও অবৈধ উৎপাদন রোধে এনবিআর ভবিষ্যতেও কঠোর এবং ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে যাবে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি ভ্যাট নিবন্ধন থাকলেও আনুষ্ঠানিক উৎপাদন দেখানো ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে গোপনে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করছিল। এ সময় ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৫৯০ শলাকা জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য ৩৮ লাখ টাকার বেশি। এসব সিগারেটের বিপরীতে সরকারের বকেয়া রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ২৯ লাখ টাকা।
এছাড়া ১০ লাখ ২৯ হাজার পিস অব্যবহৃত জাল ব্যান্ডরোল/স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়, যা ব্যবহার করা হলে ৮.৫ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকি হতো। প্রতিষ্ঠানটি ৩ লাখ ২২ হাজার ৫০০ পিস বৈধ ব্যান্ডরোল সংগ্রহ করলেও তা ব্যবহার না করে জাল ব্যান্ডরোল দিয়ে উৎপাদন চালাচ্ছিল।
এনবিআর জানায়, উদ্ধার করা সিগারেট ও উপকরণ আইনানুগভাবে জব্দ করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেটকে প্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।