ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

নরসিংদীতে মাদরাসা শিক্ষকের প্রহারে ৭ বছরের শিশু রক্তাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 280
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নরসিংদীর ভেলানগর জেলখানার মোড়ে অবস্থিত মাদরাসাতুল আবরার এরাবিয়া মাদরাসায় ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্মমভাবে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক নাজমুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আহত শিশুর নাম মুজাহিদ। শিশুটি জানায়, গোসল করতে অনীহা প্রকাশ করা তথা কথা না শুনায় মাদরাসার এক শিক্ষক তাকে বেত দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের গভীর চিহ্ন পড়ে এবং এবং সারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়া ফেটে রক্ত বের হয়। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে শিশুটি।

 

শিশুটির বাবা মাদরাসায় তাকে দেখতে গেলে শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির শরীরজুড়ে বেতের দাগ ও রক্তাক্ত ক্ষত দেখতে পান। এ ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শিশু মুজাহিদ গুরুতর আহত হয়ে এখন হাসপাতালে চিকিৎসারত আছে।

 

শিশু মুজাহিদের চাচা বলেন, “এতদিন শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাদরাসা শিক্ষকদের নির্যাতনের খবর দেখেছি, এবার নিজের পরিবারের শিশুই তার শিকার হলো। কিছু শিক্ষকের এমন আচরণের কারণে পুরো আলেম সমাজের বদনাম হয়। একটি ছোট শিশুকে এভাবে মারধর কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

 

স্থানীয় অভিভাবকদের প্রশ্ন, গোসল না করার মতো সামান্য ঘটনায় একটি শিশুকে এতটা নির্মমভাবে প্রহার করা কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে? এমন ঘটনার ফলে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি অভিভাবকদের আস্থা নষ্ট হতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নরসিংদীতে মাদরাসা শিক্ষকের প্রহারে ৭ বছরের শিশু রক্তাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি।

আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

নরসিংদীর ভেলানগর জেলখানার মোড়ে অবস্থিত মাদরাসাতুল আবরার এরাবিয়া মাদরাসায় ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্মমভাবে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক নাজমুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আহত শিশুর নাম মুজাহিদ। শিশুটি জানায়, গোসল করতে অনীহা প্রকাশ করা তথা কথা না শুনায় মাদরাসার এক শিক্ষক তাকে বেত দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের গভীর চিহ্ন পড়ে এবং এবং সারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়া ফেটে রক্ত বের হয়। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে শিশুটি।

 

শিশুটির বাবা মাদরাসায় তাকে দেখতে গেলে শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির শরীরজুড়ে বেতের দাগ ও রক্তাক্ত ক্ষত দেখতে পান। এ ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শিশু মুজাহিদ গুরুতর আহত হয়ে এখন হাসপাতালে চিকিৎসারত আছে।

 

শিশু মুজাহিদের চাচা বলেন, “এতদিন শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাদরাসা শিক্ষকদের নির্যাতনের খবর দেখেছি, এবার নিজের পরিবারের শিশুই তার শিকার হলো। কিছু শিক্ষকের এমন আচরণের কারণে পুরো আলেম সমাজের বদনাম হয়। একটি ছোট শিশুকে এভাবে মারধর কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

 

স্থানীয় অভিভাবকদের প্রশ্ন, গোসল না করার মতো সামান্য ঘটনায় একটি শিশুকে এতটা নির্মমভাবে প্রহার করা কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে? এমন ঘটনার ফলে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি অভিভাবকদের আস্থা নষ্ট হতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।