ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এলজিইডি দিনাজপুরে বিদায়-বরণ সংবর্ধনায় নেতৃত্বের ধারাবাহিকতার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে

ছোটোবেলা থেকে শখ ছিলো দালানে বসবাস করা, ২৩ বছর পর্যন্ত গড়লেন শখের দোতলা বাড়ি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / 70
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক নিউজ।

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ডুগডুগি গ্রামে গড়ে উঠেছে এক অদ্ভুত ও ব্যতিক্রমী দালান। স্থানীয়দের কাছে এটি পরিচিত ‘নমে টাওয়ার’ নামে। আর এই দুই তলা বাড়িটির একমাত্র কারিগর ও মালিক হলেন সৌখিন ও রুচিসম্পন্ন এক বৃদ্ধ, যার নাম রহিম বক্স।

পেশায় ভিক্ষুক হলেও রহিম বক্সের স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া। সমাজে বিত্তশালীদের মতো বিলাসী জীবন কাটানোর তীব্র ইচ্ছা থেকেই দীর্ঘ ২৩ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে তিনি এই বাড়িটি গড়ে তুলেছেন। নিজেই মিস্ত্রি এবং নিজেই শ্রমিক হয়ে কুড়িয়ে পাওয়া ইট, সিমেন্ট ও বালু দিয়ে অল্প অল্প করে এই বাড়িটি নির্মাণ করেছেন তিনি।

রহিম বক্স জানান, তার স্ত্রী অনেক বছর আগেই মারা গেছেন । তার একমাত্র ছেলে একজন দিনমজুর। ছেলের পরিবারে থাকার সুযোগ থাকলেও তিনি তা নাকচ করে নিজের স্বাধীন ও স্বপ্নের এই দোতলা বাড়িতেই থাকতে পছন্দ করেন। ভিক্ষাবৃত্তি এবং হাঁস-মুরগি পালনের মাধ্যমে অর্জিত সামান্য টাকা জমিয়ে তিনি বাড়ির প্রতিটি নির্মাণ সামগ্রী নিজের টাকায় কিনেছেন।

বাড়িটির নিচতলায় রয়েছে দুটি ছোট রুম এবং উপরতলায় একটি থাকার ঘর। নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে ঘরের মেঝে ও দেয়ালে টাইলস বসিয়ে মনের মতো করে সাজিয়েছেন তিনি।

তবে বাড়িটির অবস্থান সরকারি জায়গায় হওয়ায় প্রশাসন থেকে কয়েকবার এটি উচ্ছেদের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু উচ্ছেদকারী কর্মকর্তারা এলেই রহিম বক্স ছাদে উঠে বসে থাকতেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, তাকে “পাগল” ভেবে এবং তার এই আবেগ দেখে পরবর্তীতে আর কেউ ঘরটি ভাঙার সাহস করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ছোটোবেলা থেকে শখ ছিলো দালানে বসবাস করা, ২৩ বছর পর্যন্ত গড়লেন শখের দোতলা বাড়ি

আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ডেস্ক নিউজ।

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ডুগডুগি গ্রামে গড়ে উঠেছে এক অদ্ভুত ও ব্যতিক্রমী দালান। স্থানীয়দের কাছে এটি পরিচিত ‘নমে টাওয়ার’ নামে। আর এই দুই তলা বাড়িটির একমাত্র কারিগর ও মালিক হলেন সৌখিন ও রুচিসম্পন্ন এক বৃদ্ধ, যার নাম রহিম বক্স।

পেশায় ভিক্ষুক হলেও রহিম বক্সের স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া। সমাজে বিত্তশালীদের মতো বিলাসী জীবন কাটানোর তীব্র ইচ্ছা থেকেই দীর্ঘ ২৩ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে তিনি এই বাড়িটি গড়ে তুলেছেন। নিজেই মিস্ত্রি এবং নিজেই শ্রমিক হয়ে কুড়িয়ে পাওয়া ইট, সিমেন্ট ও বালু দিয়ে অল্প অল্প করে এই বাড়িটি নির্মাণ করেছেন তিনি।

রহিম বক্স জানান, তার স্ত্রী অনেক বছর আগেই মারা গেছেন । তার একমাত্র ছেলে একজন দিনমজুর। ছেলের পরিবারে থাকার সুযোগ থাকলেও তিনি তা নাকচ করে নিজের স্বাধীন ও স্বপ্নের এই দোতলা বাড়িতেই থাকতে পছন্দ করেন। ভিক্ষাবৃত্তি এবং হাঁস-মুরগি পালনের মাধ্যমে অর্জিত সামান্য টাকা জমিয়ে তিনি বাড়ির প্রতিটি নির্মাণ সামগ্রী নিজের টাকায় কিনেছেন।

বাড়িটির নিচতলায় রয়েছে দুটি ছোট রুম এবং উপরতলায় একটি থাকার ঘর। নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে ঘরের মেঝে ও দেয়ালে টাইলস বসিয়ে মনের মতো করে সাজিয়েছেন তিনি।

তবে বাড়িটির অবস্থান সরকারি জায়গায় হওয়ায় প্রশাসন থেকে কয়েকবার এটি উচ্ছেদের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু উচ্ছেদকারী কর্মকর্তারা এলেই রহিম বক্স ছাদে উঠে বসে থাকতেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, তাকে “পাগল” ভেবে এবং তার এই আবেগ দেখে পরবর্তীতে আর কেউ ঘরটি ভাঙার সাহস করেনি।