ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এলজিইডি দিনাজপুরে বিদায়-বরণ সংবর্ধনায় নেতৃত্বের ধারাবাহিকতার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে

নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে দিনমজুরের বসতভিটা, দ্রুত ব্লক বাঁধ নির্মাণের দাবি

সিমান্ত তালুকদার
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • / 7
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মোঃ সিমান্ত তালুকদার 

 

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসুড়িয়া গ্রামে নদী খননের পর থেকেই ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী খননের সময় তীর রক্ষায় ব্লক বাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

ছবি : সিমান্ত তালুকদার

নদীভাঙনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ঘাসুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুস সাত্তার। পেশায় তিনি একজন দিনমজুর। তাঁর বসতবাড়ি বর্তমানে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে তাঁর ও আশপাশের বেশ কয়েকজনের কৃষিজমির একটি বড় অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে।

ছবি: সিমান্ত তালুকদার

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

ফলে নদীতীরবর্তী পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ছবি: সিমান্ত তালুকদার

গ্রামবাসী অবিলম্বে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশেষ করে ব্লক বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক বসতবাড়ি ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে দিনমজুরের বসতভিটা, দ্রুত ব্লক বাঁধ নির্মাণের দাবি

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

 

মোঃ সিমান্ত তালুকদার 

 

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসুড়িয়া গ্রামে নদী খননের পর থেকেই ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী খননের সময় তীর রক্ষায় ব্লক বাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

ছবি : সিমান্ত তালুকদার

নদীভাঙনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ঘাসুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুস সাত্তার। পেশায় তিনি একজন দিনমজুর। তাঁর বসতবাড়ি বর্তমানে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে তাঁর ও আশপাশের বেশ কয়েকজনের কৃষিজমির একটি বড় অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে।

ছবি: সিমান্ত তালুকদার

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

ফলে নদীতীরবর্তী পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ছবি: সিমান্ত তালুকদার

গ্রামবাসী অবিলম্বে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশেষ করে ব্লক বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক বসতবাড়ি ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারাবে।