ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

> রাজনীতি ১৫–১৮ নভেম্বরের মধ্যে গণভোট সম্ভব, হিসাব দিলেন জামায়াত নেতা তাহের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 120
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, গণভোট নভেম্বরের শেষের দিকেই হওয়া দরকার।

আমাদের কাছে রেকর্ড আছে বাংলাদেশে ১৯ দিনের ব্যবধানেও গণভোট হয়েছে, এক মাসের ব্যবধানেও গণভোট হয়েছে। আজ অক্টোবরের ৮ তারিখ। অক্টোবরের আরও ২০ দিন আছে। নভেম্বরে যদি আমরা আরও ১৫ দিন ধরি, তাহলে ৩৫ দিন। নভেম্বরের ১৫ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে যদি আপনি গণভোট করে ফেলেন, দেড় মাস—এটা ভেরি এনাফ টাইম। নভেম্বরের শেষের দিকে বা ডিসেম্বরের ফার্স্ট উইকে যদি আপনি জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন, তাহলে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য যথেষ্ট সময় আছে।

আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘অনেকে বলেছেন গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একসঙ্গে হলে ভালো। আমরা বলেছি, না, গণভোট আলাদা বিষয়, জাতীয় নির্বাচন আলাদা বিষয় এবং দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গণভোট হবে আমাদের যে সমস্ত রিফর্মস হচ্ছে, সংস্কার হচ্ছে, জুলাই সনদ হিসেবে যেটাকে প্যাকেজ হিসেবে আমরা হ্যান্ডেল করছি, সেটাকে নিয়ে। সুতরাং গণভোটটা আগেই হয়ে যাওয়া দরকার।

জনগণ যদি অ্যাকসেপ্ট করে, সেই গণভোটের ভিত্তিতেই পরবর্তী প্রক্রিয়াগুলো হবে, নির্বাচন হবে। আর জনগণ যদি রিজেক্ট করে দেয়, তাহলে তো সেটা এখানেই শেষ হয়ে যাবে। সুতরাং, বিষয়টি খুব স্পষ্ট—বিফোর ইলেকশন এবং ইলেকশন তার ভিত্তিতে হবে।

গণভোট ও সংসদ নির্বাচন একসঙ্গে না করার পেছনে আরও যুক্তি তুলে ধরে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘সম্প্রতি দুটি ছোট নির্বাচন হয়েছে—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি, আরেকটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। দেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে রাত ৩টা-৪টা পর্যন্ত আমাদের টেনশনে ঘুম আসেনি। কারণ, ওখান দিয়ে ধাক্কা মারে, এখান দিয়ে মিছিল করে, ওখানে অভিযোগ করে। তো ইলেকশনটা সুষ্ঠুভাবে হওয়ার পরেও সহজে মেনে নেওয়ার যে মানসিকতা, এটা কিন্তু আমরা দেখতে পাই নাই।

জাহাঙ্গীরনগর নির্বাচনে ৪৮ ঘণ্টা পরে রায় দিয়েছে। তাহলে দুটা নির্বাচন আমাদের এ রকম একটি আশঙ্কা দেয় যে, নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার ক্ষেত্রে এখনো মন-মানসিকতায় আমরা তৈরি হতে পারিনি। এখন কোনো কারণে যদি জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু না হয়, একই দিনে যদি আমি জুলাই চার্টারের ওপরে গণভোট করি, তাহলে সেটাও তো সুষ্ঠু হবে না। সুষ্ঠু যদি না হয়, তাহলে জুলাই চার্টারের রিফর্মসের যে ডিসিশনটায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি, সেটাও এখানে কার্যকর হবে না।

জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ও আরও কিছু দল স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গণভোটে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং নভেম্বরের ভেতরেই গণভোট আলাদাভাবে হয়ে যাওয়া দরকার। এটা সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ভোট। সবচেয়ে অল্প সময়ের ভোট। সবচেয়ে কম জটিল ভোট। আপনি শুধু ‘‘হ্যাঁ’’ বা ‘‘না’’ একটা বলে ফেলবেন। এটা যদি নভেম্বরে নিশ্চিত হয়ে যায়, তাহলে সেই ভিত্তিতেই আগামী ফেব্রুয়ারিতে আমরা জাতীয় নির্বাচন করব। একটার সঙ্গে আরেকটা ডিপেনডেন্ট থাকবে না।

ব্রিফিংয়ে গণভোট নিয়ে জামায়াতের অবস্থানের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, যা এই সনদকে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করবে। এই গণভোটের পরে ও জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্টের দুটি ক্ষমতা থাকবে—গাঠনিক ক্ষমতা ও সাধারণ সংসদীয় ক্ষমতা।

সংসদ প্রথম অধিবেশনেই তার গাঠনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে জুলাই সনদকে গ্রহণ করে নেবে। এর সঙ্গে সঙ্গেই পার্লামেন্টের গাঠনিক ক্ষমতা বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং এটি একটি নিয়মিত সংসদ হিসেবে কাজ করবে। এই প্রক্রিয়া সংবিধান সংশোধনকে বৈধতা দেবে এবং নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে। যেহেতু গণভোটের মাধ্যমেই পার্লামেন্টকে গাঠনিক ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, তাই সনদটি গৃহীত হওয়ার পর সংবিধান সংশোধনের জন্য আর কোনো গণভোটের প্রয়োজন হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

> রাজনীতি ১৫–১৮ নভেম্বরের মধ্যে গণভোট সম্ভব, হিসাব দিলেন জামায়াত নেতা তাহের

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, গণভোট নভেম্বরের শেষের দিকেই হওয়া দরকার।

আমাদের কাছে রেকর্ড আছে বাংলাদেশে ১৯ দিনের ব্যবধানেও গণভোট হয়েছে, এক মাসের ব্যবধানেও গণভোট হয়েছে। আজ অক্টোবরের ৮ তারিখ। অক্টোবরের আরও ২০ দিন আছে। নভেম্বরে যদি আমরা আরও ১৫ দিন ধরি, তাহলে ৩৫ দিন। নভেম্বরের ১৫ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে যদি আপনি গণভোট করে ফেলেন, দেড় মাস—এটা ভেরি এনাফ টাইম। নভেম্বরের শেষের দিকে বা ডিসেম্বরের ফার্স্ট উইকে যদি আপনি জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন, তাহলে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য যথেষ্ট সময় আছে।

আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘অনেকে বলেছেন গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একসঙ্গে হলে ভালো। আমরা বলেছি, না, গণভোট আলাদা বিষয়, জাতীয় নির্বাচন আলাদা বিষয় এবং দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গণভোট হবে আমাদের যে সমস্ত রিফর্মস হচ্ছে, সংস্কার হচ্ছে, জুলাই সনদ হিসেবে যেটাকে প্যাকেজ হিসেবে আমরা হ্যান্ডেল করছি, সেটাকে নিয়ে। সুতরাং গণভোটটা আগেই হয়ে যাওয়া দরকার।

জনগণ যদি অ্যাকসেপ্ট করে, সেই গণভোটের ভিত্তিতেই পরবর্তী প্রক্রিয়াগুলো হবে, নির্বাচন হবে। আর জনগণ যদি রিজেক্ট করে দেয়, তাহলে তো সেটা এখানেই শেষ হয়ে যাবে। সুতরাং, বিষয়টি খুব স্পষ্ট—বিফোর ইলেকশন এবং ইলেকশন তার ভিত্তিতে হবে।

গণভোট ও সংসদ নির্বাচন একসঙ্গে না করার পেছনে আরও যুক্তি তুলে ধরে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘সম্প্রতি দুটি ছোট নির্বাচন হয়েছে—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি, আরেকটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। দেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে রাত ৩টা-৪টা পর্যন্ত আমাদের টেনশনে ঘুম আসেনি। কারণ, ওখান দিয়ে ধাক্কা মারে, এখান দিয়ে মিছিল করে, ওখানে অভিযোগ করে। তো ইলেকশনটা সুষ্ঠুভাবে হওয়ার পরেও সহজে মেনে নেওয়ার যে মানসিকতা, এটা কিন্তু আমরা দেখতে পাই নাই।

জাহাঙ্গীরনগর নির্বাচনে ৪৮ ঘণ্টা পরে রায় দিয়েছে। তাহলে দুটা নির্বাচন আমাদের এ রকম একটি আশঙ্কা দেয় যে, নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার ক্ষেত্রে এখনো মন-মানসিকতায় আমরা তৈরি হতে পারিনি। এখন কোনো কারণে যদি জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু না হয়, একই দিনে যদি আমি জুলাই চার্টারের ওপরে গণভোট করি, তাহলে সেটাও তো সুষ্ঠু হবে না। সুষ্ঠু যদি না হয়, তাহলে জুলাই চার্টারের রিফর্মসের যে ডিসিশনটায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি, সেটাও এখানে কার্যকর হবে না।

জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ও আরও কিছু দল স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গণভোটে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং নভেম্বরের ভেতরেই গণভোট আলাদাভাবে হয়ে যাওয়া দরকার। এটা সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ভোট। সবচেয়ে অল্প সময়ের ভোট। সবচেয়ে কম জটিল ভোট। আপনি শুধু ‘‘হ্যাঁ’’ বা ‘‘না’’ একটা বলে ফেলবেন। এটা যদি নভেম্বরে নিশ্চিত হয়ে যায়, তাহলে সেই ভিত্তিতেই আগামী ফেব্রুয়ারিতে আমরা জাতীয় নির্বাচন করব। একটার সঙ্গে আরেকটা ডিপেনডেন্ট থাকবে না।

ব্রিফিংয়ে গণভোট নিয়ে জামায়াতের অবস্থানের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, যা এই সনদকে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করবে। এই গণভোটের পরে ও জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্টের দুটি ক্ষমতা থাকবে—গাঠনিক ক্ষমতা ও সাধারণ সংসদীয় ক্ষমতা।

সংসদ প্রথম অধিবেশনেই তার গাঠনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে জুলাই সনদকে গ্রহণ করে নেবে। এর সঙ্গে সঙ্গেই পার্লামেন্টের গাঠনিক ক্ষমতা বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং এটি একটি নিয়মিত সংসদ হিসেবে কাজ করবে। এই প্রক্রিয়া সংবিধান সংশোধনকে বৈধতা দেবে এবং নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে। যেহেতু গণভোটের মাধ্যমেই পার্লামেন্টকে গাঠনিক ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, তাই সনদটি গৃহীত হওয়ার পর সংবিধান সংশোধনের জন্য আর কোনো গণভোটের প্রয়োজন হবে না।