ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঢাকা-৮ এ পরাজয়ের পর নাসির উদ্দীন পাটওয়ারীর সংসদে যাওয়ার সম্ভাবনা Logo নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে (ইসি) Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা Logo বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই সঙ্গে আজ গণভোট ও নির্বাচন Logo ভোট দিলেন ৫ লাখ ১৫ হাজার প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে Logo ডিজিটালে জামায়াত, রাজপথে দৃশ্যমান বিএনপি: শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ভিন্ন কৌশল Logo বিশ্বের প্রথম ‘জেন-জি প্রভাবিত নির্বাচন Logo নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা প্রতিহতে যৌথ বাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত Logo ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধের বিষয়টি প্রত্যাহার করছে ইসি Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

পাচার করে আনা বাংলাদেশিদের অনেককেই পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেছিলেন গুরু মাতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৬৩৩ বার পড়া হয়েছে

অভিযুক্ত বাবু আয়ান খান, ওরফে জ্যোতি, ওরফে ‘গুরু মাতা’।

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে গত ৩০ বছর ধরে ভারতে বসবাস করছিলেন এক বাংলাদেশি রূপান্তরকামী। ২০০ জনের বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতে পাচারের অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।

অভিযুক্তের নাম বাবু আয়ান খান, ওরফে জ্যোতি, ওরফে ‘গুরু মাতা’। মুম্বাই পুলিশের দাবি, জ্যোতির সাহায্যে পাচার হয়ে ভারতে আসা বাংলাদেশির সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত আয়ান খান ওরফে জ্যোতি মুম্বাইয়ের ট্রান্সজেন্ডারদের কাছে ‘গুরু মাতা’ নামে পরিচিত। তিনি সেখানে একজন আধ্যাত্মিক নারী হিসেবে নিজের ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছিলেন। বলিউডি শহরের বিভিন্ন এলাকায় তার ৩০০ অনুগামীও ছড়িয়ে আছে।

মুম্বাই পুলিশ জানায়, এই জ্যোতি ওরফে ‘গুরু মাতা’ নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করার জন্য একটি জাল জন্ম সনদ, আধার কার্ড (পরিচয়পত্র) এবং প্যান কার্ড তৈরি করিয়েছিলেন।

তবে, সম্প্রতি পুলিশ যখন তার নথিপত্র যাচাই করে, তখন সেগুলো জাল প্রমাণিত হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 ‘গুরু মাতা’র পাচারকারী নেটওয়ার্ক পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে ভারতে অবৈধভাবে বাংলাদেশিদের প্রবেশের সুযোগ করে দিত। ভারতে ঢুকে পড়ার পর সেই বাংলাদেশিদের কয়েকদিনের জন্য কলকাতায় রাখা হত। সেখানে তাদের জন্ম সনদ এবং স্কুল ছাড়ার সার্টিফিকেট তৈরি করা হত। এরপর তাদের মুম্বাইয়ে নিয়ে আসা হত এবং শিবাজি নগরে রাখা হত। প্রতি ঘরে ৩-৪ জন বাংলাদেশি থাকত এবং তারা ‘গুরু মাতা’কে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা করে মাসিক ভাড়া দিত।

তবে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো- পাচার করে আনা বাংলাদেশিদের অনেককেই তিনি পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাচার করে আনা বাংলাদেশিদের অনেককেই পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেছিলেন গুরু মাতা

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে গত ৩০ বছর ধরে ভারতে বসবাস করছিলেন এক বাংলাদেশি রূপান্তরকামী। ২০০ জনের বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতে পাচারের অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।

অভিযুক্তের নাম বাবু আয়ান খান, ওরফে জ্যোতি, ওরফে ‘গুরু মাতা’। মুম্বাই পুলিশের দাবি, জ্যোতির সাহায্যে পাচার হয়ে ভারতে আসা বাংলাদেশির সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত আয়ান খান ওরফে জ্যোতি মুম্বাইয়ের ট্রান্সজেন্ডারদের কাছে ‘গুরু মাতা’ নামে পরিচিত। তিনি সেখানে একজন আধ্যাত্মিক নারী হিসেবে নিজের ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছিলেন। বলিউডি শহরের বিভিন্ন এলাকায় তার ৩০০ অনুগামীও ছড়িয়ে আছে।

মুম্বাই পুলিশ জানায়, এই জ্যোতি ওরফে ‘গুরু মাতা’ নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করার জন্য একটি জাল জন্ম সনদ, আধার কার্ড (পরিচয়পত্র) এবং প্যান কার্ড তৈরি করিয়েছিলেন।

তবে, সম্প্রতি পুলিশ যখন তার নথিপত্র যাচাই করে, তখন সেগুলো জাল প্রমাণিত হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 ‘গুরু মাতা’র পাচারকারী নেটওয়ার্ক পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে ভারতে অবৈধভাবে বাংলাদেশিদের প্রবেশের সুযোগ করে দিত। ভারতে ঢুকে পড়ার পর সেই বাংলাদেশিদের কয়েকদিনের জন্য কলকাতায় রাখা হত। সেখানে তাদের জন্ম সনদ এবং স্কুল ছাড়ার সার্টিফিকেট তৈরি করা হত। এরপর তাদের মুম্বাইয়ে নিয়ে আসা হত এবং শিবাজি নগরে রাখা হত। প্রতি ঘরে ৩-৪ জন বাংলাদেশি থাকত এবং তারা ‘গুরু মাতা’কে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা করে মাসিক ভাড়া দিত।

তবে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো- পাচার করে আনা বাংলাদেশিদের অনেককেই তিনি পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেছিলেন।