ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

সংবিধান সংশোধন করে আরও ক্ষমতা দেওয়া হলো অসীম মুনিরকে

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 335
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত


সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রথম প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে পাকিস্তান সরকার।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নিয়োগ চূড়ান্ত করেন। এরআগে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এটির সারসংক্ষেপ প্রেসিডেন্টের কাছে পৌঁছান।
ভারতের বিরুদ্ধে চারদিনের যুদ্ধ শেষে অসীম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। আগামী ২৯ ডিসেম্বর তার সেনাপ্রধান থাকার মেয়াদ শেষ হতো। এরআগে সংবিধান সংশোধন করে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর প্রধান নামে নতুন একটি পদ তৈরি করে। সেখানে অসীম মুনিরকে দীর্ঘ পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে করে নতুন দায়িত্বসহ তার সেনাপ্রধানের মেয়াদও বেড়েছে।
গত ১৫ নভেম্বর পাকিস্তানের সংবিধানে ২৭তম সংশোধনী আনা হয়। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে তৈরি করা হয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানের পদ।
গত ২০ মে অসীম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল পদে পদোন্নতি দেয় পাকিস্তান সরকার। তিনি দেশটির ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় ফিল্ড মার্শাল। এরআগে একমাত্র ফিল্ড মার্শাল ছিলেন আইয়ুব খান।
গত মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মিসাইল হামলা, গোলাবর্ষণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এর কয়েকদিন পরই জেনারেল থেকে ফিল্ড মার্শাল পদে মুনিরকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ যুদ্ধে ভারতের ছয় থেকে সাতটি বিমান ভূপাতিত করে পাকিস্তান।
অসীম মুনির ২০২২ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের ১১তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তার মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে মুনির দেশটির প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের পুলওয়ামায় বন্দুকধারীদের হামলায় ৪০ ভারতীয় জওয়ান নিহত হওয়ার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ওই সময় তিনি দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তখন তার ভূমিকা বেশ উল্লেখযোগ্য ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংবিধান সংশোধন করে আরও ক্ষমতা দেওয়া হলো অসীম মুনিরকে

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রথম প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে পাকিস্তান সরকার।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নিয়োগ চূড়ান্ত করেন। এরআগে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এটির সারসংক্ষেপ প্রেসিডেন্টের কাছে পৌঁছান।
ভারতের বিরুদ্ধে চারদিনের যুদ্ধ শেষে অসীম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। আগামী ২৯ ডিসেম্বর তার সেনাপ্রধান থাকার মেয়াদ শেষ হতো। এরআগে সংবিধান সংশোধন করে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর প্রধান নামে নতুন একটি পদ তৈরি করে। সেখানে অসীম মুনিরকে দীর্ঘ পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে করে নতুন দায়িত্বসহ তার সেনাপ্রধানের মেয়াদও বেড়েছে।
গত ১৫ নভেম্বর পাকিস্তানের সংবিধানে ২৭তম সংশোধনী আনা হয়। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে তৈরি করা হয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানের পদ।
গত ২০ মে অসীম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল পদে পদোন্নতি দেয় পাকিস্তান সরকার। তিনি দেশটির ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় ফিল্ড মার্শাল। এরআগে একমাত্র ফিল্ড মার্শাল ছিলেন আইয়ুব খান।
গত মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মিসাইল হামলা, গোলাবর্ষণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এর কয়েকদিন পরই জেনারেল থেকে ফিল্ড মার্শাল পদে মুনিরকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ যুদ্ধে ভারতের ছয় থেকে সাতটি বিমান ভূপাতিত করে পাকিস্তান।
অসীম মুনির ২০২২ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের ১১তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তার মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে মুনির দেশটির প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের পুলওয়ামায় বন্দুকধারীদের হামলায় ৪০ ভারতীয় জওয়ান নিহত হওয়ার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। ওই সময় তিনি দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তখন তার ভূমিকা বেশ উল্লেখযোগ্য ছিল।