ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

জোট নয়, একাই নির্বাচন করব: হাসনাত আবদুল্লাহ

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 218
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, মানুষ আমাদেরকে বলে আমরা নাকি জোট না করলে ৫শ’ ভোটও পাব না। আমি দেবিদ্বারের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ঘুরছি, মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি ওই ৫শ’ ভোটের জন্যই। ৫শ’ না আমি যদি দশ ভোটও পাই, তবুও আমি এই দশজন ভোটার নিয়ে দেবিদ্বারের জন্য কাজ করে যাবো। তবুও জোট নয়, একাই নির্বাচন করব, প্রয়োজনে হারবো।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নে পদযাত্রা শেষে একটি উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এলাকার অনেক মুরুব্বি আছে যারা আমার কানে কানে এসে জানতে চান, আমরা জোট করবো কি না। তারা জোটের জন্য বসে আছে। তারা ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না, তারা পছন্দ করেন পার্টিকে। আমরা বলি যদি দশ ভোটও পাই আমরা একাই দাঁড়িয়ে থাকবো।
তিনি বলেন, দেবিদ্বারের শিক্ষিত যুবক ও শিক্ষার্থীরা এনসিপির সঙ্গে যুক্ত আছে। তারা সবাই হাসনাত আব্দুল্লাহর পাশে আছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে আমার সঙ্গে জনসংযোগ করতে গ্রামে আসে। আপনারা তরুণ যারা আছেন যাদের বিবেক বন্ধক দেয়া নেই, তারা শাপলা কলিতে আছে। নারী যারা আছেন তাদের অনেকেই শাপলা কলিতে চলে আসছে। তাদের স্বামীরাও শাপলা কলিতে চলে আসবে। আমার এ নির্বাচনে আমার কোনো টাকা লাগবে না, এজেন্ট লাগবে না। যারা ভোট দিতে আসবে তারা সবাই আমার এজেন্ট। আমার ভোটের পাহারাদার।
প্রবাসীদের বিভিন্ন হয়রানি প্রতিরোধ ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে হাসনাত বলেন, বাংলাদেশে একজন প্রবাসী পাসপোর্ট করার সময় থেকে তার হয়রানি শুরু হয়। বিদেশ যাওয়ার পর বেতন পাওয়া পর্যন্ত এ হয়রানি চলে। যারা ভাষা না শিখে যায়, তারা সেখানে পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হয়। আমরা আপনাদের কাছে ওয়াদা করলাম, আমরা নির্বাচিত হলে দেবিদ্বারে ভাষা শিক্ষা ইনটিস্টিউট নির্মাণ করব। প্রবাসীরা সেখানে ভাষা শিখতে পারবেন। এছাড়াও যারা যে কাজের জন্য বিদেশ যাবেন, তারা যেন সে কাজে দক্ষ জনশক্তি হতে পারেন, সে জন্য আরেকটি স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জোট নয়, একাই নির্বাচন করব: হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট সময় : ০৬:১৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, মানুষ আমাদেরকে বলে আমরা নাকি জোট না করলে ৫শ’ ভোটও পাব না। আমি দেবিদ্বারের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ঘুরছি, মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি ওই ৫শ’ ভোটের জন্যই। ৫শ’ না আমি যদি দশ ভোটও পাই, তবুও আমি এই দশজন ভোটার নিয়ে দেবিদ্বারের জন্য কাজ করে যাবো। তবুও জোট নয়, একাই নির্বাচন করব, প্রয়োজনে হারবো।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নে পদযাত্রা শেষে একটি উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এলাকার অনেক মুরুব্বি আছে যারা আমার কানে কানে এসে জানতে চান, আমরা জোট করবো কি না। তারা জোটের জন্য বসে আছে। তারা ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না, তারা পছন্দ করেন পার্টিকে। আমরা বলি যদি দশ ভোটও পাই আমরা একাই দাঁড়িয়ে থাকবো।
তিনি বলেন, দেবিদ্বারের শিক্ষিত যুবক ও শিক্ষার্থীরা এনসিপির সঙ্গে যুক্ত আছে। তারা সবাই হাসনাত আব্দুল্লাহর পাশে আছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে আমার সঙ্গে জনসংযোগ করতে গ্রামে আসে। আপনারা তরুণ যারা আছেন যাদের বিবেক বন্ধক দেয়া নেই, তারা শাপলা কলিতে আছে। নারী যারা আছেন তাদের অনেকেই শাপলা কলিতে চলে আসছে। তাদের স্বামীরাও শাপলা কলিতে চলে আসবে। আমার এ নির্বাচনে আমার কোনো টাকা লাগবে না, এজেন্ট লাগবে না। যারা ভোট দিতে আসবে তারা সবাই আমার এজেন্ট। আমার ভোটের পাহারাদার।
প্রবাসীদের বিভিন্ন হয়রানি প্রতিরোধ ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে হাসনাত বলেন, বাংলাদেশে একজন প্রবাসী পাসপোর্ট করার সময় থেকে তার হয়রানি শুরু হয়। বিদেশ যাওয়ার পর বেতন পাওয়া পর্যন্ত এ হয়রানি চলে। যারা ভাষা না শিখে যায়, তারা সেখানে পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হয়। আমরা আপনাদের কাছে ওয়াদা করলাম, আমরা নির্বাচিত হলে দেবিদ্বারে ভাষা শিক্ষা ইনটিস্টিউট নির্মাণ করব। প্রবাসীরা সেখানে ভাষা শিখতে পারবেন। এছাড়াও যারা যে কাজের জন্য বিদেশ যাবেন, তারা যেন সে কাজে দক্ষ জনশক্তি হতে পারেন, সে জন্য আরেকটি স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করব।