ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

গল্প যদি সত্যিকারের মানুষের কথা বলে, তাহলে সেটা কখনো পুরোনো হয় না : নির্মাতা খন্দকার সুমন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 100

‘সাঁতাও’ সিনেমার দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেপালের কাঠমান্ডুতে ১৬ থেকে ১৯ জানুয়ারি আয়োজিত হয়েছিল ১৪তম নেপাল আফ্রিকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। উৎসবের শেষ দিনে ঘোষণা করা হয় পুরস্কারজয়ী সিনেমার নাম। এবারের আসরে ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে সেরা হয়েছে বাংলাদেশের সিনেমা ‘সাঁতাও’। খন্দকার সুমন পরিচালিত সিনেমাটি এর আগেও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে, পুরস্কারও জিতেছে।

নেপাল আফ্রিকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এ বছর ২০টি দেশের ৪৩টি সিনেমা প্রদর্শিত হয়। সাঁতাও ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে একাধিক সিনেমা এ উৎসবে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে। বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিমেল ফিল্ম হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে শায়লা রহমান তিথির ‘ঝরা পাতার চিঠি’। আর ইন্টারন্যাশনাল শর্ট বিভাগে স্পেশাল মেনশন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে সাগর ইসলামের ‘নো ডাইস’।

নেপাল আফ্রিকা উৎসবের এবারের আসরে আন্তর্জাতিক জুরিবোর্ডের প্রধান ছিলেন নেপালের প্রখ্যাত পরিচালক ও প্রযোজক রাজু কেসি। জুরিবোর্ডে আরও ছিলেন বাংলাদেশি নির্মাতা সুপিন বর্মণ, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রযোজক ও সমালোচক ক্যাথরিন সোফিয়ানো প্রমুখ।

সাঁতাও মুক্তির তিন বছর পরও আন্তর্জাতিক উৎসবে পুরস্কৃত হওয়ায় আপ্লুত নির্মাতা খন্দকার সুমন। তিনি বলেন, ‘মুক্তির তিন বছর পরও সাঁতাও আন্তর্জাতিক উৎসবে স্বীকৃতি পাচ্ছে, এটা আমার জন্য ভীষণ আবেগের। এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে, গল্প যদি সত্যিকারের মানুষের কথা বলে, তাহলে সেটা কখনো পুরোনো হয় না।’

সাঁতাও সিনেমার প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটা গ্রাম। সেখানে পায়ে-পায়ে মিশে আছে অনটন। সেই অভাবের মলিনতাকে মানুষ জয় করেছে উৎসবের উজ্জ্বলতা দিয়ে। সেই গ্রামের এক দম্পতি ফজলু ও পুতুল। ফজলু ফসল ফলায়, মাছ ধরে। আর পরম মমতা দিয়ে সংসার আগলে রাখে পুতুল। এরা দুজন বাদে সংসারে আছে আরও এক সদস্য—একটি গরু। বাচ্চা জন্ম দিতে গিয়ে গরুটা মারা গেলে বাছুরটি হয়ে ওঠে ফজলু ও পুতুলের সন্তানের মতো। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুল হক, আইনুন পুতুল, সাবেরা ইয়াসমিন, স্বাক্ষ্য শাহীদ, শ্রাবণী দাস প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গল্প যদি সত্যিকারের মানুষের কথা বলে, তাহলে সেটা কখনো পুরোনো হয় না : নির্মাতা খন্দকার সুমন

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

নেপালের কাঠমান্ডুতে ১৬ থেকে ১৯ জানুয়ারি আয়োজিত হয়েছিল ১৪তম নেপাল আফ্রিকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। উৎসবের শেষ দিনে ঘোষণা করা হয় পুরস্কারজয়ী সিনেমার নাম। এবারের আসরে ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে সেরা হয়েছে বাংলাদেশের সিনেমা ‘সাঁতাও’। খন্দকার সুমন পরিচালিত সিনেমাটি এর আগেও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে, পুরস্কারও জিতেছে।

নেপাল আফ্রিকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এ বছর ২০টি দেশের ৪৩টি সিনেমা প্রদর্শিত হয়। সাঁতাও ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে একাধিক সিনেমা এ উৎসবে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে। বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিমেল ফিল্ম হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে শায়লা রহমান তিথির ‘ঝরা পাতার চিঠি’। আর ইন্টারন্যাশনাল শর্ট বিভাগে স্পেশাল মেনশন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে সাগর ইসলামের ‘নো ডাইস’।

নেপাল আফ্রিকা উৎসবের এবারের আসরে আন্তর্জাতিক জুরিবোর্ডের প্রধান ছিলেন নেপালের প্রখ্যাত পরিচালক ও প্রযোজক রাজু কেসি। জুরিবোর্ডে আরও ছিলেন বাংলাদেশি নির্মাতা সুপিন বর্মণ, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রযোজক ও সমালোচক ক্যাথরিন সোফিয়ানো প্রমুখ।

সাঁতাও মুক্তির তিন বছর পরও আন্তর্জাতিক উৎসবে পুরস্কৃত হওয়ায় আপ্লুত নির্মাতা খন্দকার সুমন। তিনি বলেন, ‘মুক্তির তিন বছর পরও সাঁতাও আন্তর্জাতিক উৎসবে স্বীকৃতি পাচ্ছে, এটা আমার জন্য ভীষণ আবেগের। এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে, গল্প যদি সত্যিকারের মানুষের কথা বলে, তাহলে সেটা কখনো পুরোনো হয় না।’

সাঁতাও সিনেমার প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটা গ্রাম। সেখানে পায়ে-পায়ে মিশে আছে অনটন। সেই অভাবের মলিনতাকে মানুষ জয় করেছে উৎসবের উজ্জ্বলতা দিয়ে। সেই গ্রামের এক দম্পতি ফজলু ও পুতুল। ফজলু ফসল ফলায়, মাছ ধরে। আর পরম মমতা দিয়ে সংসার আগলে রাখে পুতুল। এরা দুজন বাদে সংসারে আছে আরও এক সদস্য—একটি গরু। বাচ্চা জন্ম দিতে গিয়ে গরুটা মারা গেলে বাছুরটি হয়ে ওঠে ফজলু ও পুতুলের সন্তানের মতো। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুল হক, আইনুন পুতুল, সাবেরা ইয়াসমিন, স্বাক্ষ্য শাহীদ, শ্রাবণী দাস প্রমুখ।