ঢাকা ০৬:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

তারাকান্দা থানা পুলিশের তদন্তে গাফিলতি, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভুগী

মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 204

ছবি : দেশবর্ন ।

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ময়মনসিংহ তারাকান্দা থানা পুলিশের তদন্তে গাফিলতি, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভুগী।

মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম

 

ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানায় জিআর মামলা নং ১৮(২৫) তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ইং।
উপরোক্ত মামলাটি রুজু হওযার ২১দিন পার হলেও অদ্যবদি কোন আসামীকে গ্রেফতার করেনি উক্ত থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই লিটন চন্দ্র পাল।

তথ্য সংগ্রহে জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীকে স্কুল ছুটির পর বাড়ীতে আসার পথে অপহরণ করে নিয়ে যায় মামলার এজাহার ভুক্ত ১ নং আসামী মো. তামিম আহমেদ ইফতু (২০) পিতা মো. মানিক মিয়া সাং গোপিনাথপুর, থানা-তারাকান্দা,জেলা-ময়মনসিংহ সহ ৩/৪জন অজ্ঞাত আসামীরা।

অপহরণকৃত ছাত্রী জানায়, তাকে অপহরণ করে প্রথমে উক্ত জেলার ভালুকা থানায় কোন একটি স্থানে আত্মগোপন করে রেখেছিল। ৭ দিন পর ছেলে ভুক্তভোগীকে নিয়ে তার নিজ বাড়ীতে এসে ১দিন অবস্থান করে এবং পরের দিন পাঁশের গ্রামে ছেলের মামার বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেইখানে আটক থাকা অবস্থায় অভিযোগের ভিত্তিতে তারাকান্দা থানার পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে তারাকান্দা থানায় আনার পর থানার আইনী প্রক্রিয়া শেষ করে এমসি না করেই ভুক্তভোগীকে তার নিজ বাড়ীতে প্রেরণ করে।

সাংবাদিকদের কারণে পরেরদিন ভুক্তভোগীকে এমসির জন্য মেডিকেলে পাঠানো হয় এবং মেডিকেলের কাজ শেষ করে ভুক্তভোগীতে তার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে একাধিকবার তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানভির আহাম্মেদের সাথে কথা বলিলেও তিনি অভয় দেন যে, উক্ত মামলাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হবে। কিন্তু মামলা রুজু হওয়ার ১৩ দিন পর ১১ জানুয়ারী ২০২৫ ইং তারিখে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই লিটন চন্দ্র পালকে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাহিলে তিনি জানান, এখনও কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারিনি। যদিও ১নং আসামী ব্যতিত সকল আসামী বাড়ীতে অবস্থান করিতেছি এবং এ বিষয়টি এসআই লিটনকে জানানো হয়। তারপরও একাধিকবার এসআই লিটন ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানভির আহাম্মেদকে বলিলেও ২১দিন পরও কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে হানা দেওয়া হয়নি আসামীদের বাড়ীতে।

১৯ ও ২০ জানুয়ারি ২০২৫ইং তারিখ ভুক্তভোগী স্কুল থেকে বাড়ী ফিরার সময় স্কুলে সামনে পথ অবরুদ্ধ করে ১ নং আসামী মো. তামিম আহমেদ ইফতু (২০) বলে যে, “”তুই মামলা কইরা কোনকিছু করতে পারবি না, আমরা ওসি ও দরোগাকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ফেলেছি, মনে রাখিস একমাস হয়ে গেছে তারপরও আমাদের কারো বাড়ীতে পুলিশতো দুরের কথা একটি পুলিশের ছায়াও আনতে পারিস না। বুঝলে তারাতারি মামলা তুলে নে, তা না হলে আবার তোকে অপহরণ করে খুন করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিব।”

 

তদন্তকারী কর্মকর্তা লিটন চন্দ্র পাল বলেন, তিনি আসামীদের নিকট থেকে কোন সুবিধা নেননি। ফুলপুর-তারাকান্দা থানার সার্কেল জানান যেহেতু আসামীরা তাদের বাড়ীতে অবস্থান করিতেছে আমরা আসামীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য অভিযান পরিচালনা করব। যেহেতু, আসামীর পক্ষের দাবী তারা টাকা দিয়ে উক্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেছে এবং সকল আসামী বাড়ীতে অবস্থান করিতেছে এবং পুলিশ তাদের গ্রেফতার করিতেছে না সেইজন্য উক্ত থানার সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের প্রশ্ন ভুক্তভোগী কি পাবে ন্যায় বিচার, প্রশ্ন পুলিশের প্রতি ?

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তারাকান্দা থানা পুলিশের তদন্তে গাফিলতি, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভুগী

আপডেট সময় : ০৫:২০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহ তারাকান্দা থানা পুলিশের তদন্তে গাফিলতি, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভুগী।

মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম

 

ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানায় জিআর মামলা নং ১৮(২৫) তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ইং।
উপরোক্ত মামলাটি রুজু হওযার ২১দিন পার হলেও অদ্যবদি কোন আসামীকে গ্রেফতার করেনি উক্ত থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই লিটন চন্দ্র পাল।

তথ্য সংগ্রহে জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীকে স্কুল ছুটির পর বাড়ীতে আসার পথে অপহরণ করে নিয়ে যায় মামলার এজাহার ভুক্ত ১ নং আসামী মো. তামিম আহমেদ ইফতু (২০) পিতা মো. মানিক মিয়া সাং গোপিনাথপুর, থানা-তারাকান্দা,জেলা-ময়মনসিংহ সহ ৩/৪জন অজ্ঞাত আসামীরা।

অপহরণকৃত ছাত্রী জানায়, তাকে অপহরণ করে প্রথমে উক্ত জেলার ভালুকা থানায় কোন একটি স্থানে আত্মগোপন করে রেখেছিল। ৭ দিন পর ছেলে ভুক্তভোগীকে নিয়ে তার নিজ বাড়ীতে এসে ১দিন অবস্থান করে এবং পরের দিন পাঁশের গ্রামে ছেলের মামার বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেইখানে আটক থাকা অবস্থায় অভিযোগের ভিত্তিতে তারাকান্দা থানার পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে তারাকান্দা থানায় আনার পর থানার আইনী প্রক্রিয়া শেষ করে এমসি না করেই ভুক্তভোগীকে তার নিজ বাড়ীতে প্রেরণ করে।

সাংবাদিকদের কারণে পরেরদিন ভুক্তভোগীকে এমসির জন্য মেডিকেলে পাঠানো হয় এবং মেডিকেলের কাজ শেষ করে ভুক্তভোগীতে তার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে একাধিকবার তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানভির আহাম্মেদের সাথে কথা বলিলেও তিনি অভয় দেন যে, উক্ত মামলাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হবে। কিন্তু মামলা রুজু হওয়ার ১৩ দিন পর ১১ জানুয়ারী ২০২৫ ইং তারিখে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই লিটন চন্দ্র পালকে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাহিলে তিনি জানান, এখনও কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারিনি। যদিও ১নং আসামী ব্যতিত সকল আসামী বাড়ীতে অবস্থান করিতেছি এবং এ বিষয়টি এসআই লিটনকে জানানো হয়। তারপরও একাধিকবার এসআই লিটন ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানভির আহাম্মেদকে বলিলেও ২১দিন পরও কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে হানা দেওয়া হয়নি আসামীদের বাড়ীতে।

১৯ ও ২০ জানুয়ারি ২০২৫ইং তারিখ ভুক্তভোগী স্কুল থেকে বাড়ী ফিরার সময় স্কুলে সামনে পথ অবরুদ্ধ করে ১ নং আসামী মো. তামিম আহমেদ ইফতু (২০) বলে যে, “”তুই মামলা কইরা কোনকিছু করতে পারবি না, আমরা ওসি ও দরোগাকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ফেলেছি, মনে রাখিস একমাস হয়ে গেছে তারপরও আমাদের কারো বাড়ীতে পুলিশতো দুরের কথা একটি পুলিশের ছায়াও আনতে পারিস না। বুঝলে তারাতারি মামলা তুলে নে, তা না হলে আবার তোকে অপহরণ করে খুন করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিব।”

 

তদন্তকারী কর্মকর্তা লিটন চন্দ্র পাল বলেন, তিনি আসামীদের নিকট থেকে কোন সুবিধা নেননি। ফুলপুর-তারাকান্দা থানার সার্কেল জানান যেহেতু আসামীরা তাদের বাড়ীতে অবস্থান করিতেছে আমরা আসামীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য অভিযান পরিচালনা করব। যেহেতু, আসামীর পক্ষের দাবী তারা টাকা দিয়ে উক্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেছে এবং সকল আসামী বাড়ীতে অবস্থান করিতেছে এবং পুলিশ তাদের গ্রেফতার করিতেছে না সেইজন্য উক্ত থানার সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের প্রশ্ন ভুক্তভোগী কি পাবে ন্যায় বিচার, প্রশ্ন পুলিশের প্রতি ?