ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

৫০ এরও বেশি বছর ধরে অ্যাপলে কাজ করছেন যে কর্মী !

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 284

ক্রিস এস্পিনোসা এর ছবি

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৫০ এরও বেশি বছর ধরে অ্যাপলে কাজ করছেন যে কর্মী !
অ্যাপলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা কর্মী হলেন ক্রিস এস্পিনোসা। তিনি অ্যাপলে যোগ দেন ১৯৭৬ সালে। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। সে সময় অ্যাপল ছিল খুবই ছোট একটি স্টার্টআপ। স্টিভ জবসের বাসার গ্যারেজ থেকে কাজ চলত।
বে এরিয়ার কিশোর ক্রিস ছোটবেলা থেকেই কম্পিউটারের ব্যাপারে ভীষণ আগ্রহী ছিলেন। সেই আগ্রহই তাকে নিয়ে যায় স্টিভ জবস আর স্টিভ ওজনিয়াকের কাছাকাছি। তখন অ্যাপল কোনো বড় অফিসে ছিল না। ছিল লস অলটোস, ক্যালিফোর্নিয়ায় জবসের বাবা-মায়ের বাড়ির গ্যারেজ।
স্কুলে পড়াশোনা করার পাশাপাশি ক্রিস সেখানে কাজ করতেন। তিনি BASIC ভাষায় কোড লিখতেন। আবার অ্যাপল টু কম্পিউটারের জন্য ইউজার ম্যানুয়াল বানাতেও সাহায্য করেছিলেন। অ্যাপল টু ছিল অ্যাপলের শুরুর দিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেশিনগুলোর একটি।
ক্রিস এস্পিনোসার কর্মী ব্যাজ নম্বর ছিল ৮। এই একটি নম্বরই বলে দেয়, তিনি কতটা শুরুর দিকে অ্যাপলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ সময়ে তিনি নিজের চোখের সামনে অ্যাপলের বিশাল পরিবর্তন দেখেছেন। ছোট স্টার্টআপ থেকে অ্যাপল হয়ে উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানিগুলোর একটি। তিনি অ্যাপলের ইতিহাসের প্রত্যেক সিইওর অধীনে কাজ করেছেন। তার কাজের ক্ষেত্র ছিল সফটওয়্যার, ডেভেলপার টুলস এবং ডকুমেন্টেশন।
অনেক সুযোগ থাকলেও তিনি অন্য কোথাও যাননি। তিনি অ্যাপলের সঙ্গেই থেকে গেছেন। মজা করে তিনি প্রায়ই বলতেন, তিনি “কোম্পানি হওয়ার আগেই অ্যাপলে যোগ দিয়েছিলেন।” সিলিকন ভ্যালিতে এত দীর্ঘ সময় এক কোম্পানির সঙ্গে থাকা এমন উদাহরণ খুবই বিরল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৫০ এরও বেশি বছর ধরে অ্যাপলে কাজ করছেন যে কর্মী !

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
৫০ এরও বেশি বছর ধরে অ্যাপলে কাজ করছেন যে কর্মী !
অ্যাপলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা কর্মী হলেন ক্রিস এস্পিনোসা। তিনি অ্যাপলে যোগ দেন ১৯৭৬ সালে। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। সে সময় অ্যাপল ছিল খুবই ছোট একটি স্টার্টআপ। স্টিভ জবসের বাসার গ্যারেজ থেকে কাজ চলত।
বে এরিয়ার কিশোর ক্রিস ছোটবেলা থেকেই কম্পিউটারের ব্যাপারে ভীষণ আগ্রহী ছিলেন। সেই আগ্রহই তাকে নিয়ে যায় স্টিভ জবস আর স্টিভ ওজনিয়াকের কাছাকাছি। তখন অ্যাপল কোনো বড় অফিসে ছিল না। ছিল লস অলটোস, ক্যালিফোর্নিয়ায় জবসের বাবা-মায়ের বাড়ির গ্যারেজ।
স্কুলে পড়াশোনা করার পাশাপাশি ক্রিস সেখানে কাজ করতেন। তিনি BASIC ভাষায় কোড লিখতেন। আবার অ্যাপল টু কম্পিউটারের জন্য ইউজার ম্যানুয়াল বানাতেও সাহায্য করেছিলেন। অ্যাপল টু ছিল অ্যাপলের শুরুর দিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেশিনগুলোর একটি।
ক্রিস এস্পিনোসার কর্মী ব্যাজ নম্বর ছিল ৮। এই একটি নম্বরই বলে দেয়, তিনি কতটা শুরুর দিকে অ্যাপলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ সময়ে তিনি নিজের চোখের সামনে অ্যাপলের বিশাল পরিবর্তন দেখেছেন। ছোট স্টার্টআপ থেকে অ্যাপল হয়ে উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানিগুলোর একটি। তিনি অ্যাপলের ইতিহাসের প্রত্যেক সিইওর অধীনে কাজ করেছেন। তার কাজের ক্ষেত্র ছিল সফটওয়্যার, ডেভেলপার টুলস এবং ডকুমেন্টেশন।
অনেক সুযোগ থাকলেও তিনি অন্য কোথাও যাননি। তিনি অ্যাপলের সঙ্গেই থেকে গেছেন। মজা করে তিনি প্রায়ই বলতেন, তিনি “কোম্পানি হওয়ার আগেই অ্যাপলে যোগ দিয়েছিলেন।” সিলিকন ভ্যালিতে এত দীর্ঘ সময় এক কোম্পানির সঙ্গে থাকা এমন উদাহরণ খুবই বিরল।