ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

আমাদের প্রফেশনে যা কিছু ঘটে,তার বেশিরভাগই দুজনের সম্মতিতে : কৌশানী মুখার্জি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 65
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি। তবে পর্দার চাকচিক্যের পেছনের গল্পটা সবসময় মসৃণ ছিল না। দীর্ঘ এক দশকের ক্যারিয়ারে যেমন দেখেছেন সাফল্যের চূড়া, তেমনি সহ্য করেছেন চরম অবহেলা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম এবং ইন্ডাস্ট্রির ভেতরের সমীকরণ নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

কৌশানী জানান, একটা সময় তার ক্যারিয়ার গ্রোথ একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। সেই একই সময়ে তিনি তার মা-কেও হারান। সেই কঠিন সময়ের স্মৃতি হাতড়ে তিনি বলেন, ‘আমি জীবনে সবরকম খারাপ সময় দেখে ফেলেছি। এমনও দিন গেছে যখন ভিড়ের মাঝে সবাই শুধু বনির (বনি সেনগুপ্ত) সঙ্গে সেলফি তুলতে চাইতেন, আমাকে কেউ লক্ষ্য পর্যন্ত করত না। তখন নিজের আইডেন্টিটি বা পরিচয় নিয়ে মনে প্রশ্ন জাগত।’

ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে কৌশানী বরাবরই খোলামেলা। বনির সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের রহস্য হিসেবে তিনি আগের একটি ব্যর্থ সম্পর্কের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছেন। কৌশানী বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রির চাকচিক্য আর ইমম্যাচুরিটির কারণে আমার আগের সিরিয়াস সম্পর্কটা টেকেনি। তবে বনির ক্ষেত্রে কাজ ও সম্পর্ককে আমি আলাদা রেখেছি।’

তার কথায়, ‘মাঝে মাঝে আমি বনিকে বলতাম তুমি এত ভালো কাজ করছ, আমাকে কোথাও রেকমেন্ড করো না কেন? সত্যি বলতে, কাজ চাইতে আমার কোনো লজ্জা নেই। আমি তো কারো কাছে কাজের জন্যই প্রস্তাব দিচ্ছি, অন্য কিছুর জন্য নয়।’

ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগ পাওয়া বা কাস্টিং কাউচ নিয়ে কৌশানীর মন্তব্য বেশ সাহসী। তার মতে, গ্ল্যামার জগত সবসময়ই মানুষের সফট টার্গেট। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রফেশনে যা কিছু ঘটে, তার বেশিরভাগই দুজনের সম্মতিতে। এখানে ‘গিভ অ্যান্ড টেক’ পলিসিতে কেউ সাড়া না দিলে তাকে জোর করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মেনে নেওয়া ভালো যে আমরা অনেক ক্ষেত্রে অবহেলিত। অনেক সময় মনে হয়েছে স্ক্রিপ্টটা আমি আরও ভালো করতে পারতাম, কিন্তু গতানুগতিক সার্কেলের বাইরে কাউকে কাস্ট করা হয় না। নিজেদের মাটি শক্ত করতেই সবাই প্রযোজনা সংস্থা খুলছেন। সেখানে কেউ যদি নিজের কাছের মানুষ বা প্রেমিকাকে সুযোগ দেয়, তবে কিছু বলার থাকে না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আমাদের প্রফেশনে যা কিছু ঘটে,তার বেশিরভাগই দুজনের সম্মতিতে : কৌশানী মুখার্জি

আপডেট সময় : ০১:১২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি। তবে পর্দার চাকচিক্যের পেছনের গল্পটা সবসময় মসৃণ ছিল না। দীর্ঘ এক দশকের ক্যারিয়ারে যেমন দেখেছেন সাফল্যের চূড়া, তেমনি সহ্য করেছেন চরম অবহেলা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম এবং ইন্ডাস্ট্রির ভেতরের সমীকরণ নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

কৌশানী জানান, একটা সময় তার ক্যারিয়ার গ্রোথ একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। সেই একই সময়ে তিনি তার মা-কেও হারান। সেই কঠিন সময়ের স্মৃতি হাতড়ে তিনি বলেন, ‘আমি জীবনে সবরকম খারাপ সময় দেখে ফেলেছি। এমনও দিন গেছে যখন ভিড়ের মাঝে সবাই শুধু বনির (বনি সেনগুপ্ত) সঙ্গে সেলফি তুলতে চাইতেন, আমাকে কেউ লক্ষ্য পর্যন্ত করত না। তখন নিজের আইডেন্টিটি বা পরিচয় নিয়ে মনে প্রশ্ন জাগত।’

ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে কৌশানী বরাবরই খোলামেলা। বনির সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের রহস্য হিসেবে তিনি আগের একটি ব্যর্থ সম্পর্কের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছেন। কৌশানী বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রির চাকচিক্য আর ইমম্যাচুরিটির কারণে আমার আগের সিরিয়াস সম্পর্কটা টেকেনি। তবে বনির ক্ষেত্রে কাজ ও সম্পর্ককে আমি আলাদা রেখেছি।’

তার কথায়, ‘মাঝে মাঝে আমি বনিকে বলতাম তুমি এত ভালো কাজ করছ, আমাকে কোথাও রেকমেন্ড করো না কেন? সত্যি বলতে, কাজ চাইতে আমার কোনো লজ্জা নেই। আমি তো কারো কাছে কাজের জন্যই প্রস্তাব দিচ্ছি, অন্য কিছুর জন্য নয়।’

ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগ পাওয়া বা কাস্টিং কাউচ নিয়ে কৌশানীর মন্তব্য বেশ সাহসী। তার মতে, গ্ল্যামার জগত সবসময়ই মানুষের সফট টার্গেট। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রফেশনে যা কিছু ঘটে, তার বেশিরভাগই দুজনের সম্মতিতে। এখানে ‘গিভ অ্যান্ড টেক’ পলিসিতে কেউ সাড়া না দিলে তাকে জোর করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মেনে নেওয়া ভালো যে আমরা অনেক ক্ষেত্রে অবহেলিত। অনেক সময় মনে হয়েছে স্ক্রিপ্টটা আমি আরও ভালো করতে পারতাম, কিন্তু গতানুগতিক সার্কেলের বাইরে কাউকে কাস্ট করা হয় না। নিজেদের মাটি শক্ত করতেই সবাই প্রযোজনা সংস্থা খুলছেন। সেখানে কেউ যদি নিজের কাছের মানুষ বা প্রেমিকাকে সুযোগ দেয়, তবে কিছু বলার থাকে না।’