ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

রোজায় নেবুলাইজারের হুকুমাত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 66
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শ্বাসকষ্টে ভোগেন শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। শ্বাসকষ্ট কমাতে অন্য ওষুধের পাশাপাশি অনেকেই ইনহেলার ও নেবুলাইজার নেন। নেবুলাইজারের মাধ্যমে মূলত শ্বাষকষ্ট দূরীকরণের ওষুধ তরল বা বাষ্প আকারে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে।

রোজা রাখা অবস্থায় খাদ্যনালীতে বাহির থেকে নিরেট বাতাস ছাড়া কিছু প্রবেশ করলেই রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। সেই হিসেবে নেবুলাইজার ব্যবহারের কারণে রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তীতে কাজা আদায় করতে হবে।

আর যদি রোগী এতোটা অক্ষম হন যে তার পক্ষে রোজা রাখা সম্ভব নয়, তাহলে প্রতিটি রোজার জন্য একটি করে ফিদিয়া আদায় করতে হবে।

প্রত্যেক রোজার ফিদইয়া হলো সদকাতুল ফিতরের সমপরিমাণ। অর্থাৎ, ১.৫ কেজি ৭৪ গ্রাম ৬৪০ মি.গ্রা. বা তার সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া যেতে পারে।  একজন গরিবকে প্রতিদিন ১ ফিতরা পরিমাণ করে ৬০ দিন দিলেও আদায় হবে। ৬০ দিনের ফিতরা পরিমাণ একত্রে বা এক দিনে দিলে আদায় হবে না।

শ্বাস কষ্টের রোগীদের অনেকে ইনহেলারও ব্যবহার করেন। ইনহেলার ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষ পদ্ধতিতে মুখের ভেতরভাগে স্প্রে করতে হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ জায়গাটি প্রশস্ত হয়ে যায়। ফলে শ্বাস চলাচলের কষ্ট দূর হয়। যদিও স্প্রে করার সময় ওষুধটি গ্যাসের মতো দেখায়, কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে এটি দেহবিশিষ্ট তরল ওষুধ। তাই মুখের ভেতরে স্প্রে করার কারণে রোজা ভেঙে যাবে।

তাই রোজা অবস্থায় কেউ ইনহেলার ব্যবহার করে থাকলে, পরে রোজার কাজা আদায় করে দিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রোজায় নেবুলাইজারের হুকুমাত

আপডেট সময় : ১২:১০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শ্বাসকষ্টে ভোগেন শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। শ্বাসকষ্ট কমাতে অন্য ওষুধের পাশাপাশি অনেকেই ইনহেলার ও নেবুলাইজার নেন। নেবুলাইজারের মাধ্যমে মূলত শ্বাষকষ্ট দূরীকরণের ওষুধ তরল বা বাষ্প আকারে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে।

রোজা রাখা অবস্থায় খাদ্যনালীতে বাহির থেকে নিরেট বাতাস ছাড়া কিছু প্রবেশ করলেই রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। সেই হিসেবে নেবুলাইজার ব্যবহারের কারণে রোজা ভেঙে যাবে এবং পরবর্তীতে কাজা আদায় করতে হবে।

আর যদি রোগী এতোটা অক্ষম হন যে তার পক্ষে রোজা রাখা সম্ভব নয়, তাহলে প্রতিটি রোজার জন্য একটি করে ফিদিয়া আদায় করতে হবে।

প্রত্যেক রোজার ফিদইয়া হলো সদকাতুল ফিতরের সমপরিমাণ। অর্থাৎ, ১.৫ কেজি ৭৪ গ্রাম ৬৪০ মি.গ্রা. বা তার সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া যেতে পারে।  একজন গরিবকে প্রতিদিন ১ ফিতরা পরিমাণ করে ৬০ দিন দিলেও আদায় হবে। ৬০ দিনের ফিতরা পরিমাণ একত্রে বা এক দিনে দিলে আদায় হবে না।

শ্বাস কষ্টের রোগীদের অনেকে ইনহেলারও ব্যবহার করেন। ইনহেলার ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষ পদ্ধতিতে মুখের ভেতরভাগে স্প্রে করতে হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ জায়গাটি প্রশস্ত হয়ে যায়। ফলে শ্বাস চলাচলের কষ্ট দূর হয়। যদিও স্প্রে করার সময় ওষুধটি গ্যাসের মতো দেখায়, কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে এটি দেহবিশিষ্ট তরল ওষুধ। তাই মুখের ভেতরে স্প্রে করার কারণে রোজা ভেঙে যাবে।

তাই রোজা অবস্থায় কেউ ইনহেলার ব্যবহার করে থাকলে, পরে রোজার কাজা আদায় করে দিতে হবে।