ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

আগে থেকেই যাত্রার পরিকল্পনা করবেন যেভাবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • / 82
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঈদ মানেই ঘরে ফেরার আনন্দ। কিন্তু বাস্তবে এই আনন্দের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় যাত্রাপথের ভোগান্তি।

টিকিট না পাওয়া, অতিরিক্ত ভিড়, যানজট, বাড়তি ভাড়া, এমনকি নিরাপত্তা ঝুঁকিও তখন বাড়তি ভোগান্তি হিসেবে হাজির হয়। একটু পরিকল্পনা ও সতর্কতা অবলম্বন করলে এসব বিড়ম্বনা অনেকটাই কমানো সম্ভব। নিচে ঈদে বাড়ি যাওয়ার সময় বিড়ম্বনা কমানোর কিছু কার্যকর কৌশল তুলে ধরা হলো—

১. আগে থেকেই যাত্রার পরিকল্পনা করুন

ঈদের অন্তত ১০-১২ দিন আগেই যাত্রার দিন ঠিক করে ফেলুন। শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিলে টিকিট পাওয়া কঠিন হয় এবং ভোগান্তি বাড়ে। ট্রেন, বাস বা লঞ্চ যে মাধ্যমেই যান না কেন, অগ্রিম পরিকল্পনা থাকলে চাপ কমে।

২. অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করুন

টিকিট আগেভাগে কেটে রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এখন অনেক বাস ও ট্রেনের টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায়। এতে কাউন্টারের লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা কমে যায় এবং প্রতারণার ঝুঁকিও কম থাকে।

৩. ভ্রমণের সময় বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বেছে নিন

ঈদের আগের দুই দিন সাধারণত সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। সম্ভব হলে ঈদের অন্তত ৪-৫ দিন আগে যাত্রা করার চেষ্টা করুন। এতে যানজট ও ভিড় দুটোই কম পাওয়া যায়।

৪. বিকল্প রুট ও যানবাহনের পরিকল্পনা রাখুন

কোনো একটি রুটে সমস্যা হলে বিকল্প পথ বা অন্য পরিবহনের পরিকল্পনা রাখা ভালো। যেমন- বাসের পাশাপাশি ট্রেন বা লঞ্চের সময়সূচিও জেনে রাখা যেতে পারে।

৫. পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে বের হন

ঢাকা বা বড় শহর থেকে বের হওয়ার সময় অতিরিক্ত যানজটের সম্ভাবনা থাকে। তাই নির্ধারিত সময়ের অন্তত ১–২ ঘণ্টা আগে বাসস্ট্যান্ড বা স্টেশনে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন।

৬. প্রয়োজনীয় জিনিস আলাদা ব্যাগে রাখুন

টিকিট, পরিচয়পত্র, মোবাইল চার্জার, পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ আলাদা ছোট ব্যাগে রাখুন। এতে দীর্ঘ যাত্রায় অস্বস্তি কম হবে।

৭. নিরাপত্তার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন

ভিড়ের মধ্যে পকেটমার বা প্রতারণার ঝুঁকি থাকে। তাই মূল্যবান জিনিস নিরাপদে রাখুন এবং অপরিচিত কারও কাছে লাগেজ বা ব্যাগ তুলে দেবেন না।

৮. ধৈর্য ও ইতিবাচক মনোভাব রাখুন

ঈদের সময় কিছুটা ভিড় বা দেরি হওয়া স্বাভাবিক। তাই অস্থির না হয়ে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলানোই সবচেয়ে ভালো উপায়।

একটু আগে থেকে পরিকল্পনা, সতর্কতা এবং ধৈর্য থাকলে ঈদে বাড়ি ফেরার যাত্রা অনেকটাই স্বস্তিদায়ক করা সম্ভব। কারণ, সব কষ্টের শেষেই অপেক্ষা করে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আগে থেকেই যাত্রার পরিকল্পনা করবেন যেভাবে

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ঈদ মানেই ঘরে ফেরার আনন্দ। কিন্তু বাস্তবে এই আনন্দের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় যাত্রাপথের ভোগান্তি।

টিকিট না পাওয়া, অতিরিক্ত ভিড়, যানজট, বাড়তি ভাড়া, এমনকি নিরাপত্তা ঝুঁকিও তখন বাড়তি ভোগান্তি হিসেবে হাজির হয়। একটু পরিকল্পনা ও সতর্কতা অবলম্বন করলে এসব বিড়ম্বনা অনেকটাই কমানো সম্ভব। নিচে ঈদে বাড়ি যাওয়ার সময় বিড়ম্বনা কমানোর কিছু কার্যকর কৌশল তুলে ধরা হলো—

১. আগে থেকেই যাত্রার পরিকল্পনা করুন

ঈদের অন্তত ১০-১২ দিন আগেই যাত্রার দিন ঠিক করে ফেলুন। শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিলে টিকিট পাওয়া কঠিন হয় এবং ভোগান্তি বাড়ে। ট্রেন, বাস বা লঞ্চ যে মাধ্যমেই যান না কেন, অগ্রিম পরিকল্পনা থাকলে চাপ কমে।

২. অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করুন

টিকিট আগেভাগে কেটে রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এখন অনেক বাস ও ট্রেনের টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায়। এতে কাউন্টারের লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা কমে যায় এবং প্রতারণার ঝুঁকিও কম থাকে।

৩. ভ্রমণের সময় বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বেছে নিন

ঈদের আগের দুই দিন সাধারণত সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। সম্ভব হলে ঈদের অন্তত ৪-৫ দিন আগে যাত্রা করার চেষ্টা করুন। এতে যানজট ও ভিড় দুটোই কম পাওয়া যায়।

৪. বিকল্প রুট ও যানবাহনের পরিকল্পনা রাখুন

কোনো একটি রুটে সমস্যা হলে বিকল্প পথ বা অন্য পরিবহনের পরিকল্পনা রাখা ভালো। যেমন- বাসের পাশাপাশি ট্রেন বা লঞ্চের সময়সূচিও জেনে রাখা যেতে পারে।

৫. পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে বের হন

ঢাকা বা বড় শহর থেকে বের হওয়ার সময় অতিরিক্ত যানজটের সম্ভাবনা থাকে। তাই নির্ধারিত সময়ের অন্তত ১–২ ঘণ্টা আগে বাসস্ট্যান্ড বা স্টেশনে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন।

৬. প্রয়োজনীয় জিনিস আলাদা ব্যাগে রাখুন

টিকিট, পরিচয়পত্র, মোবাইল চার্জার, পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ আলাদা ছোট ব্যাগে রাখুন। এতে দীর্ঘ যাত্রায় অস্বস্তি কম হবে।

৭. নিরাপত্তার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন

ভিড়ের মধ্যে পকেটমার বা প্রতারণার ঝুঁকি থাকে। তাই মূল্যবান জিনিস নিরাপদে রাখুন এবং অপরিচিত কারও কাছে লাগেজ বা ব্যাগ তুলে দেবেন না।

৮. ধৈর্য ও ইতিবাচক মনোভাব রাখুন

ঈদের সময় কিছুটা ভিড় বা দেরি হওয়া স্বাভাবিক। তাই অস্থির না হয়ে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলানোই সবচেয়ে ভালো উপায়।

একটু আগে থেকে পরিকল্পনা, সতর্কতা এবং ধৈর্য থাকলে ঈদে বাড়ি ফেরার যাত্রা অনেকটাই স্বস্তিদায়ক করা সম্ভব। কারণ, সব কষ্টের শেষেই অপেক্ষা করে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্ত।