ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

ক্যাম্পাস রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে চাচ্ছে নেপালের নতুন সরকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 77
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে নেপালের নতুন সরকার স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনগুলো অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের ঘোষিত ১০০ দফা সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এসব সংগঠনের কাঠামো ভেঙে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে
নেপাল নিউজ

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শিক্ষার পরিবেশ ও একাডেমিক মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে—এমন অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা ও শিক্ষার পরিবেশকে অগ্রাধিকার দেওয়ার লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্ধারিত ৬০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্রসংগঠনগুলোর সাংগঠনিক কার্যক্রম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর পরিবর্তে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে অরাজনৈতিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ গঠন করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের মতামত ও স্বার্থ যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব পায়।

সরকার মনে করছে, এই সংস্কারের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব কমবে এবং শিক্ষার মূল লক্ষ্য—জ্ঞান অর্জন ও দক্ষতা উন্নয়ন—আরও শক্তিশালী হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ক্যাম্পাস রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে চাচ্ছে নেপালের নতুন সরকার

আপডেট সময় : ০১:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে নেপালের নতুন সরকার স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনগুলো অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের ঘোষিত ১০০ দফা সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এসব সংগঠনের কাঠামো ভেঙে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে
নেপাল নিউজ

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শিক্ষার পরিবেশ ও একাডেমিক মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে—এমন অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা ও শিক্ষার পরিবেশকে অগ্রাধিকার দেওয়ার লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্ধারিত ৬০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্রসংগঠনগুলোর সাংগঠনিক কার্যক্রম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর পরিবর্তে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে অরাজনৈতিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ গঠন করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের মতামত ও স্বার্থ যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব পায়।

সরকার মনে করছে, এই সংস্কারের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব কমবে এবং শিক্ষার মূল লক্ষ্য—জ্ঞান অর্জন ও দক্ষতা উন্নয়ন—আরও শক্তিশালী হবে।