ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে রোগীদের ক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 151
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে রোগীদের ক্ষোভ

দেশের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসার নামে অপ্রয়োজনীয় টেস্ট ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর অভিযোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। সামান্য অসুস্থতা নিয়েও রোগীরা চিকিৎসকের কাছে গেলে একের পর এক রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাম, এক্স-রে, সিটি স্ক্যানসহ নানা ধরনের টেস্ট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এতে করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে এবং আর্থিকভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক সময় রোগের প্রকৃত প্রয়োজন না থাকলেও কমিশন বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করাতে চাপ দেওয়া হয়। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে একাধিক টেস্ট যুক্ত থাকায় রোগীরা বাধ্য হয়ে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।

একাধিক রোগী জানান, সাধারণ জ্বর বা পেটের সমস্যার জন্য চিকিৎসকের কাছে গেলেও ৫ থেকে ১০ ধরনের টেস্ট দেওয়া হচ্ছে। পরে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অধিকাংশ রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে এবং এসব পরীক্ষার কোনো জরুরি প্রয়োজন ছিল না।

সচেতন মহল মনে করছেন, স্বাস্থ্যসেবা খাতের কিছু অসাধু চক্র রোগীদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে। তারা বলছেন, চিকিৎসা সেবাকে ব্যবসায়িক মানসিকতা থেকে বের করে এনে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিচালনা করতে হবে। একইসঙ্গে প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে রোগীদের ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে রোগীদের ক্ষোভ

দেশের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসার নামে অপ্রয়োজনীয় টেস্ট ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর অভিযোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। সামান্য অসুস্থতা নিয়েও রোগীরা চিকিৎসকের কাছে গেলে একের পর এক রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাম, এক্স-রে, সিটি স্ক্যানসহ নানা ধরনের টেস্ট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এতে করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে এবং আর্থিকভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক সময় রোগের প্রকৃত প্রয়োজন না থাকলেও কমিশন বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করাতে চাপ দেওয়া হয়। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে একাধিক টেস্ট যুক্ত থাকায় রোগীরা বাধ্য হয়ে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।

একাধিক রোগী জানান, সাধারণ জ্বর বা পেটের সমস্যার জন্য চিকিৎসকের কাছে গেলেও ৫ থেকে ১০ ধরনের টেস্ট দেওয়া হচ্ছে। পরে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অধিকাংশ রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে এবং এসব পরীক্ষার কোনো জরুরি প্রয়োজন ছিল না।

সচেতন মহল মনে করছেন, স্বাস্থ্যসেবা খাতের কিছু অসাধু চক্র রোগীদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে। তারা বলছেন, চিকিৎসা সেবাকে ব্যবসায়িক মানসিকতা থেকে বের করে এনে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিচালনা করতে হবে। একইসঙ্গে প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।