ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

চরিত্রের প্রয়োজনে সবই করতে প্রস্তুত অহনা দত্ত!

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 205
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত


চরিত্রের প্রতি দায়িত্ববোধ ও অভিনয়ের প্রতি নিবেদন নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এলেন তরুণ অভিনেত্রী অহনা দত্ত। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান চিত্রনাট্য অনুযায়ী যা প্রয়োজন, সেটাই তিনি করবেন; এখানে স্বামী বা পরিবারের মতামতের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাঁর নিজের ভাবনা ও চরিত্রের চাহিদা।
অহনা বলেন, “গল্পের স্বার্থে যদি আমাকে গন্ধযুক্ত খাবার খেতে হয়, সেটাও খেতে রাজি। আমার অভিনয়কে সীমাবদ্ধ রাখার মতো কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।” তাঁর এই মন্তব্য বিনোদনজগতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
শিল্পীদের মধ্যে পেশাদারিত্ব নিয়ে যখন নানা মতভেদ দেখা যায়, তখন অহনার এই স্পষ্ট অবস্থানকে অনেকেই সাহসী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। ভক্তরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বক্তব্যকে প্রশংসা করে লিখছেন অভিনয়ের প্রতি এমন দায়বদ্ধতাই একজন শিল্পীকে আলাদা জায়গায় পৌঁছে দেয়।
বিনোদন বিশ্লেষকদের মতে, বাংলা অভিনয়জগতে নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের মধ্যে যে পেশাদার সচেতনতা তৈরি হচ্ছে, অহনার মন্তব্য সেই মানসিকতারই প্রতিফলন। চরিত্রকে সত্যিকারের রূপ দিতে নিজের আরামের ক্ষেত্রের বাইরে যাওয়ার মনোভাব যে তাঁর রয়েছে সেটাই এই বক্তব্যে স্পষ্ট।
অহনা দত্তের এই খোলামেলা অবস্থান অনেক তরুণ শিল্পীর জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠছে গল্পই শেষ কথা, আর চরিত্রের স্বার্থেই শিল্পীর সব সিদ্ধান্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চরিত্রের প্রয়োজনে সবই করতে প্রস্তুত অহনা দত্ত!

আপডেট সময় : ০৫:৫২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


চরিত্রের প্রতি দায়িত্ববোধ ও অভিনয়ের প্রতি নিবেদন নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এলেন তরুণ অভিনেত্রী অহনা দত্ত। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান চিত্রনাট্য অনুযায়ী যা প্রয়োজন, সেটাই তিনি করবেন; এখানে স্বামী বা পরিবারের মতামতের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাঁর নিজের ভাবনা ও চরিত্রের চাহিদা।
অহনা বলেন, “গল্পের স্বার্থে যদি আমাকে গন্ধযুক্ত খাবার খেতে হয়, সেটাও খেতে রাজি। আমার অভিনয়কে সীমাবদ্ধ রাখার মতো কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।” তাঁর এই মন্তব্য বিনোদনজগতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
শিল্পীদের মধ্যে পেশাদারিত্ব নিয়ে যখন নানা মতভেদ দেখা যায়, তখন অহনার এই স্পষ্ট অবস্থানকে অনেকেই সাহসী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। ভক্তরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বক্তব্যকে প্রশংসা করে লিখছেন অভিনয়ের প্রতি এমন দায়বদ্ধতাই একজন শিল্পীকে আলাদা জায়গায় পৌঁছে দেয়।
বিনোদন বিশ্লেষকদের মতে, বাংলা অভিনয়জগতে নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের মধ্যে যে পেশাদার সচেতনতা তৈরি হচ্ছে, অহনার মন্তব্য সেই মানসিকতারই প্রতিফলন। চরিত্রকে সত্যিকারের রূপ দিতে নিজের আরামের ক্ষেত্রের বাইরে যাওয়ার মনোভাব যে তাঁর রয়েছে সেটাই এই বক্তব্যে স্পষ্ট।
অহনা দত্তের এই খোলামেলা অবস্থান অনেক তরুণ শিল্পীর জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠছে গল্পই শেষ কথা, আর চরিত্রের স্বার্থেই শিল্পীর সব সিদ্ধান্ত।