ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

গুলশানের সঙ্গে রোমান্সের সময় মোটেও অস্বস্তি অনুভব করেননি গিরিজা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 140
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গল্পের প্রয়োজনে বিভিন্ন দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে হয় অভিনয়শিল্পীদের। ঘনিষ্ঠ দৃশ্যতেও হাজির হতে হয়। চরিত্র বাস্তবসম্মত করে তুলতে বিভিন্ন অঙ্গ ভঙ্গি করতে হয় কিন্তু এগুলো মোটেও রোমাঞ্চকর নয় বলে দাবি বলিউড অভিনেত্রী গিরিজা ওক গডবলের।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পর্দায় অন্তরঙ্গে দৃশ্য নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘শুটিংয়ের সময় শব্দ ঠিক রাখার জন্য এসিগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে সবাই ঘেমে একাকার। শরীরে মাইক লাগানো থাকে, কেউ হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে ঘাম শুকাচ্ছে। হঠাৎ কেউ এসে বলে, “নিচ দিক থেকে আলো কম”, তখন মুখে আলো ফেলতে থার্মোকলের একটি টুকরা এনে ধরা হয়। আরেকজন চুল ঠিক করছে। এত মানুষ যখন আপনাকে দেখছে, তখন রোমান্স আসবে কীভাবে?’ ‘চুমু মানে কার্ডবোর্ডে চুমু’ পর্দার আড়ালের বাস্তবতা আরও স্পষ্ট করে গিরিজা বলেন, ‘একবার কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, “পর্দায় চুমু খাওয়ার অনুভূতি কেমন।” আমি বলেছিলাম, এটা কার্ডবোর্ডে চুমু খাওয়ার মতো। কোনো আবেগই থাকে না, সবকিছু একেবারেই যান্ত্রিক।’

সাক্ষাৎকারে গিরিজা জানিয়েছেন, অনেক সময় ক্যামেরার খুব কাছ থেকে সংলাপ দিতে হয়। সেটি শিল্পীর ক্লোজআপ শট হয়, তখন বিপরীতের অভিনেত্রী বা অভিনেতা সেখানে থাকেন না।

এর আগেও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে অকপটে কথা বলেছেন গিরিজা। ‘থেরাপি শেরাপি’ নামের একটি ওয়েব সিরিজের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে গত বছর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘‘ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় সাধারণত ‘ইনটিমেসি কোঅর্ডিনেটর’-রা উপস্থিত থাকেন। পুরো সেটের পরিবেশ এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে অভিনেতা–অভিনেত্রীরা স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। আগেই আলোচনাও হয় কীভাবে দৃশ্যটি হবে, কতটা দেখা যাবে, কোথায় কাট হবে। পুরো পরিকল্পনাটা পরিষ্কার থাকে।’’

image

‘থেরাপি শেরাপি’ সিরিজে অভিনেত্রীর বিপরীতে ছিলেন গুলশান। সাক্ষাৎকারে গিরিজা জানিয়েছিলেন, পর্দায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের জন্য অস্বস্তি হলেও গুলশানের সঙ্গে রোমান্সের সময় মোটেও অস্বস্তি অনুভব করেননি। বরং অভিনেতা প্রশংসা করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গুলশানের সঙ্গে রোমান্সের সময় মোটেও অস্বস্তি অনুভব করেননি গিরিজা

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

গল্পের প্রয়োজনে বিভিন্ন দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে হয় অভিনয়শিল্পীদের। ঘনিষ্ঠ দৃশ্যতেও হাজির হতে হয়। চরিত্র বাস্তবসম্মত করে তুলতে বিভিন্ন অঙ্গ ভঙ্গি করতে হয় কিন্তু এগুলো মোটেও রোমাঞ্চকর নয় বলে দাবি বলিউড অভিনেত্রী গিরিজা ওক গডবলের।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পর্দায় অন্তরঙ্গে দৃশ্য নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘শুটিংয়ের সময় শব্দ ঠিক রাখার জন্য এসিগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে সবাই ঘেমে একাকার। শরীরে মাইক লাগানো থাকে, কেউ হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে ঘাম শুকাচ্ছে। হঠাৎ কেউ এসে বলে, “নিচ দিক থেকে আলো কম”, তখন মুখে আলো ফেলতে থার্মোকলের একটি টুকরা এনে ধরা হয়। আরেকজন চুল ঠিক করছে। এত মানুষ যখন আপনাকে দেখছে, তখন রোমান্স আসবে কীভাবে?’ ‘চুমু মানে কার্ডবোর্ডে চুমু’ পর্দার আড়ালের বাস্তবতা আরও স্পষ্ট করে গিরিজা বলেন, ‘একবার কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, “পর্দায় চুমু খাওয়ার অনুভূতি কেমন।” আমি বলেছিলাম, এটা কার্ডবোর্ডে চুমু খাওয়ার মতো। কোনো আবেগই থাকে না, সবকিছু একেবারেই যান্ত্রিক।’

সাক্ষাৎকারে গিরিজা জানিয়েছেন, অনেক সময় ক্যামেরার খুব কাছ থেকে সংলাপ দিতে হয়। সেটি শিল্পীর ক্লোজআপ শট হয়, তখন বিপরীতের অভিনেত্রী বা অভিনেতা সেখানে থাকেন না।

এর আগেও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে অকপটে কথা বলেছেন গিরিজা। ‘থেরাপি শেরাপি’ নামের একটি ওয়েব সিরিজের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে গত বছর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘‘ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় সাধারণত ‘ইনটিমেসি কোঅর্ডিনেটর’-রা উপস্থিত থাকেন। পুরো সেটের পরিবেশ এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে অভিনেতা–অভিনেত্রীরা স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। আগেই আলোচনাও হয় কীভাবে দৃশ্যটি হবে, কতটা দেখা যাবে, কোথায় কাট হবে। পুরো পরিকল্পনাটা পরিষ্কার থাকে।’’

image

‘থেরাপি শেরাপি’ সিরিজে অভিনেত্রীর বিপরীতে ছিলেন গুলশান। সাক্ষাৎকারে গিরিজা জানিয়েছিলেন, পর্দায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের জন্য অস্বস্তি হলেও গুলশানের সঙ্গে রোমান্সের সময় মোটেও অস্বস্তি অনুভব করেননি। বরং অভিনেতা প্রশংসা করেছিলেন।