ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

গুলশানের সঙ্গে রোমান্সের সময় মোটেও অস্বস্তি অনুভব করেননি গিরিজা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 150
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গল্পের প্রয়োজনে বিভিন্ন দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে হয় অভিনয়শিল্পীদের। ঘনিষ্ঠ দৃশ্যতেও হাজির হতে হয়। চরিত্র বাস্তবসম্মত করে তুলতে বিভিন্ন অঙ্গ ভঙ্গি করতে হয় কিন্তু এগুলো মোটেও রোমাঞ্চকর নয় বলে দাবি বলিউড অভিনেত্রী গিরিজা ওক গডবলের।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পর্দায় অন্তরঙ্গে দৃশ্য নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘শুটিংয়ের সময় শব্দ ঠিক রাখার জন্য এসিগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে সবাই ঘেমে একাকার। শরীরে মাইক লাগানো থাকে, কেউ হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে ঘাম শুকাচ্ছে। হঠাৎ কেউ এসে বলে, “নিচ দিক থেকে আলো কম”, তখন মুখে আলো ফেলতে থার্মোকলের একটি টুকরা এনে ধরা হয়। আরেকজন চুল ঠিক করছে। এত মানুষ যখন আপনাকে দেখছে, তখন রোমান্স আসবে কীভাবে?’ ‘চুমু মানে কার্ডবোর্ডে চুমু’ পর্দার আড়ালের বাস্তবতা আরও স্পষ্ট করে গিরিজা বলেন, ‘একবার কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, “পর্দায় চুমু খাওয়ার অনুভূতি কেমন।” আমি বলেছিলাম, এটা কার্ডবোর্ডে চুমু খাওয়ার মতো। কোনো আবেগই থাকে না, সবকিছু একেবারেই যান্ত্রিক।’

সাক্ষাৎকারে গিরিজা জানিয়েছেন, অনেক সময় ক্যামেরার খুব কাছ থেকে সংলাপ দিতে হয়। সেটি শিল্পীর ক্লোজআপ শট হয়, তখন বিপরীতের অভিনেত্রী বা অভিনেতা সেখানে থাকেন না।

এর আগেও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে অকপটে কথা বলেছেন গিরিজা। ‘থেরাপি শেরাপি’ নামের একটি ওয়েব সিরিজের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে গত বছর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘‘ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় সাধারণত ‘ইনটিমেসি কোঅর্ডিনেটর’-রা উপস্থিত থাকেন। পুরো সেটের পরিবেশ এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে অভিনেতা–অভিনেত্রীরা স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। আগেই আলোচনাও হয় কীভাবে দৃশ্যটি হবে, কতটা দেখা যাবে, কোথায় কাট হবে। পুরো পরিকল্পনাটা পরিষ্কার থাকে।’’

image

‘থেরাপি শেরাপি’ সিরিজে অভিনেত্রীর বিপরীতে ছিলেন গুলশান। সাক্ষাৎকারে গিরিজা জানিয়েছিলেন, পর্দায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের জন্য অস্বস্তি হলেও গুলশানের সঙ্গে রোমান্সের সময় মোটেও অস্বস্তি অনুভব করেননি। বরং অভিনেতা প্রশংসা করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গুলশানের সঙ্গে রোমান্সের সময় মোটেও অস্বস্তি অনুভব করেননি গিরিজা

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

গল্পের প্রয়োজনে বিভিন্ন দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে হয় অভিনয়শিল্পীদের। ঘনিষ্ঠ দৃশ্যতেও হাজির হতে হয়। চরিত্র বাস্তবসম্মত করে তুলতে বিভিন্ন অঙ্গ ভঙ্গি করতে হয় কিন্তু এগুলো মোটেও রোমাঞ্চকর নয় বলে দাবি বলিউড অভিনেত্রী গিরিজা ওক গডবলের।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পর্দায় অন্তরঙ্গে দৃশ্য নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘শুটিংয়ের সময় শব্দ ঠিক রাখার জন্য এসিগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে সবাই ঘেমে একাকার। শরীরে মাইক লাগানো থাকে, কেউ হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে ঘাম শুকাচ্ছে। হঠাৎ কেউ এসে বলে, “নিচ দিক থেকে আলো কম”, তখন মুখে আলো ফেলতে থার্মোকলের একটি টুকরা এনে ধরা হয়। আরেকজন চুল ঠিক করছে। এত মানুষ যখন আপনাকে দেখছে, তখন রোমান্স আসবে কীভাবে?’ ‘চুমু মানে কার্ডবোর্ডে চুমু’ পর্দার আড়ালের বাস্তবতা আরও স্পষ্ট করে গিরিজা বলেন, ‘একবার কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, “পর্দায় চুমু খাওয়ার অনুভূতি কেমন।” আমি বলেছিলাম, এটা কার্ডবোর্ডে চুমু খাওয়ার মতো। কোনো আবেগই থাকে না, সবকিছু একেবারেই যান্ত্রিক।’

সাক্ষাৎকারে গিরিজা জানিয়েছেন, অনেক সময় ক্যামেরার খুব কাছ থেকে সংলাপ দিতে হয়। সেটি শিল্পীর ক্লোজআপ শট হয়, তখন বিপরীতের অভিনেত্রী বা অভিনেতা সেখানে থাকেন না।

এর আগেও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে অকপটে কথা বলেছেন গিরিজা। ‘থেরাপি শেরাপি’ নামের একটি ওয়েব সিরিজের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে গত বছর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘‘ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় সাধারণত ‘ইনটিমেসি কোঅর্ডিনেটর’-রা উপস্থিত থাকেন। পুরো সেটের পরিবেশ এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে অভিনেতা–অভিনেত্রীরা স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। আগেই আলোচনাও হয় কীভাবে দৃশ্যটি হবে, কতটা দেখা যাবে, কোথায় কাট হবে। পুরো পরিকল্পনাটা পরিষ্কার থাকে।’’

image

‘থেরাপি শেরাপি’ সিরিজে অভিনেত্রীর বিপরীতে ছিলেন গুলশান। সাক্ষাৎকারে গিরিজা জানিয়েছিলেন, পর্দায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের জন্য অস্বস্তি হলেও গুলশানের সঙ্গে রোমান্সের সময় মোটেও অস্বস্তি অনুভব করেননি। বরং অভিনেতা প্রশংসা করেছিলেন।