ঢাকা ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

বিশ্ব সেরা সুন্দরী এমন বিশেষণে ‘’নিয়ার‘’ টিকটক অ্যাকাউন্ট ফলোয়ার ২৭ লাখ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 108

ছবি: সংগৃহীত

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৌন্দর্য এখন আর শুধু রক্ত-মাংসের মানুষের একচেটিয়া সম্পদ নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে এমন সব মুখ, যাদের হাসি, চোখের দৃষ্টি, শরীরী ভঙ্গি সবকিছুই নিখুঁত। এই নতুন বাস্তবতারই সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ নিয়া নোয়ার। সম্প্রতি যিনি টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হয়ে ওঠেন ‘অতি আবেদনময়ী’, ‘বিশ্বের সেরা সুন্দরী’ এমন বিশেষণে।
নিয়ার টিকটক অ্যাকাউন্টে ফলোয়ার ছাড়িয়েছে ২৭ লাখ। নাচের ভিডিও, ভ্রমণের ছবি, কিংবা সাধারণ একটি সেলফি সবকিছুতেই লাখো রিঅ্যাকশন, হাজার হাজার মন্তব্য। কেউ কেউ প্রকাশ্যে প্রেম নিবেদন করেছেন, কেউ আবার ভবিষ্যৎ নিয়ে কল্পনাও শুরু করেছেন। আর নিয়া? তিনি নিয়মিতই এসব মন্তব্যে প্রতিউত্তর দিয়েছেন, ইমোজি দিয়েছেন, কখনো রহস্যময় হাসি সব মিলিয়ে বাড়িয়েছেন ‘রিচ’ আর ‘এনগেজমেন্ট’।
কিন্তু এই জনপ্রিয়তার পেছনে ছিল এক বিস্ময়কর শূন্যতা। নিয়া নোয়ারের জন্মস্থান জানা যায় না, পড়াশোনার ইতিহাস নেই, পরিবার সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই। নেই জাতীয়তা, নেই উচ্চতা বা ব্যক্তিগত জীবনের কোনো স্পষ্ট পরিচয়। এত বড় একজন তারকার জীবন এত অজানা এই প্রশ্নই একসময় কৌতূহল থেকে সন্দেহে রূপ নেয়।
অবশেষে যে সত্য প্রকাশ পায়, তা অনেকের জন্য ছিল চাঞ্চল্যকর। নিয়া নোয়ার আদতে কোনো মানুষ নন। তিনি একটি এআই দিয়ে তৈরি ডিজিটাল চরিত্র, একটি নিখুঁতভাবে ডিজাইন করা ভার্চুয়াল মুখ। তার হাসি, চোখের পলক, এমনকি মন্তব্যের উত্তরও পরিকল্পিত অ্যালগরিদমের ফল। নিয়া নামের এই কাল্পনিক চরিত্রের পেছনে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাকে ব্যবহার করেই আয় করছেন কোটি কোটি টাকা।
এআই ইনফ্লুয়েন্সার এখন নতুন কোনো ধারণা নয়। বিশ্বজুড়ে ব্র্যান্ডগুলো বুঝে গেছে বাস্তব মানুষের মতো ঝামেলা নেই, বয়স বাড়ে না, বিতর্কে জড়ায় না। ইচ্ছেমতো কনটেন্ট বানানো যায়, সময় বা শারীরিক সীমাবদ্ধতা নেই। নিয়া নোয়ার সেই ধারারই এক সফল প্রোডাক্ট।
স্পন্সরড কনটেন্ট, বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড প্রোমোশন সবই চলেছে নিয়ার মুখ ব্যবহার করে। দর্শক ভেবেছেন, তিনি একজন বাস্তব মানুষ। সেই বিশ্বাস থেকেই তৈরি হয়েছে আবেগ, আকর্ষণ, এমনকি প্রেমের অনুভূতি। আর এই আবেগই রূপ নিয়েছে অর্থনীতিতে। লাইক, শেয়ার, কমেন্ট সব মিলিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তৈরি হয়েছে বিশাল মূল্য।
নিয়া যে বাস্তব নন এই তথ্য সামনে আসার পর তার জনপ্রিয়তায় স্বাভাবিকভাবেই ভাটা পড়ে। অনেক অনুসারী প্রতারিত বোধ করেছেন। কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, ‘আমাদের অনুভূতিকে ব্যবহার করা হয়েছে।’ আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে প্রযুক্তির স্বাভাবিক অগ্রগতি হিসেবেও দেখছেন।
তবে প্রশ্ন থেকে যায় দোষটা কার? যারা নিয়া তৈরি করেছে, নাকি যারা চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করেছে? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা কি আদৌ যাচাই করি, যাকে অনুসরণ করছি তিনি কে, কী?
নিয়া নোয়ারের গল্প আমাদের সামনে একটি বড় প্রশ্ন ছুড়ে দেয়। এআই যখন মানুষের মতো কথা বলতে পারে, অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে, তখন বাস্তব আর কল্পনার সীমারেখা কোথায়? আজ নিয়া একটি মডেল, কাল হয়তো সাংবাদিক, সমাজকর্মী কিংবা রাজনৈতিক মুখও এআই দিয়ে তৈরি হতে পারে। এই ঘটনা আমাদের ডিজিটাল সচেতনতার গুরুত্ব নতুন করে মনে করিয়ে দেয়। শুধু সৌন্দর্য বা ভাইরাল ট্রেন্ডের পেছনে না ছুটে প্রশ্ন করতে শেখাই এখন সবচেয়ে জরুরি। কারণ পর্দার ওপারে যে মুখটি হাসছে, সে আদৌ মানুষ এমন নিশ্চয়তা আর নেই।
নিয়া নোয়ার হয়তো একটি কাল্পনিক চরিত্র। কিন্তু তার মাধ্যমে যে বাস্তব সত্য সামনে এসেছে, তা খুবই বাস্তব; ডিজিটাল যুগে বিশ্বাসই সবচেয়ে বড় পুঁজি আর সেই বিশ্বাসই সবচেয়ে সহজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: ইউনিল্যান্ড

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশ্ব সেরা সুন্দরী এমন বিশেষণে ‘’নিয়ার‘’ টিকটক অ্যাকাউন্ট ফলোয়ার ২৭ লাখ

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৌন্দর্য এখন আর শুধু রক্ত-মাংসের মানুষের একচেটিয়া সম্পদ নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে এমন সব মুখ, যাদের হাসি, চোখের দৃষ্টি, শরীরী ভঙ্গি সবকিছুই নিখুঁত। এই নতুন বাস্তবতারই সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ নিয়া নোয়ার। সম্প্রতি যিনি টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হয়ে ওঠেন ‘অতি আবেদনময়ী’, ‘বিশ্বের সেরা সুন্দরী’ এমন বিশেষণে।
নিয়ার টিকটক অ্যাকাউন্টে ফলোয়ার ছাড়িয়েছে ২৭ লাখ। নাচের ভিডিও, ভ্রমণের ছবি, কিংবা সাধারণ একটি সেলফি সবকিছুতেই লাখো রিঅ্যাকশন, হাজার হাজার মন্তব্য। কেউ কেউ প্রকাশ্যে প্রেম নিবেদন করেছেন, কেউ আবার ভবিষ্যৎ নিয়ে কল্পনাও শুরু করেছেন। আর নিয়া? তিনি নিয়মিতই এসব মন্তব্যে প্রতিউত্তর দিয়েছেন, ইমোজি দিয়েছেন, কখনো রহস্যময় হাসি সব মিলিয়ে বাড়িয়েছেন ‘রিচ’ আর ‘এনগেজমেন্ট’।
কিন্তু এই জনপ্রিয়তার পেছনে ছিল এক বিস্ময়কর শূন্যতা। নিয়া নোয়ারের জন্মস্থান জানা যায় না, পড়াশোনার ইতিহাস নেই, পরিবার সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই। নেই জাতীয়তা, নেই উচ্চতা বা ব্যক্তিগত জীবনের কোনো স্পষ্ট পরিচয়। এত বড় একজন তারকার জীবন এত অজানা এই প্রশ্নই একসময় কৌতূহল থেকে সন্দেহে রূপ নেয়।
অবশেষে যে সত্য প্রকাশ পায়, তা অনেকের জন্য ছিল চাঞ্চল্যকর। নিয়া নোয়ার আদতে কোনো মানুষ নন। তিনি একটি এআই দিয়ে তৈরি ডিজিটাল চরিত্র, একটি নিখুঁতভাবে ডিজাইন করা ভার্চুয়াল মুখ। তার হাসি, চোখের পলক, এমনকি মন্তব্যের উত্তরও পরিকল্পিত অ্যালগরিদমের ফল। নিয়া নামের এই কাল্পনিক চরিত্রের পেছনে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাকে ব্যবহার করেই আয় করছেন কোটি কোটি টাকা।
এআই ইনফ্লুয়েন্সার এখন নতুন কোনো ধারণা নয়। বিশ্বজুড়ে ব্র্যান্ডগুলো বুঝে গেছে বাস্তব মানুষের মতো ঝামেলা নেই, বয়স বাড়ে না, বিতর্কে জড়ায় না। ইচ্ছেমতো কনটেন্ট বানানো যায়, সময় বা শারীরিক সীমাবদ্ধতা নেই। নিয়া নোয়ার সেই ধারারই এক সফল প্রোডাক্ট।
স্পন্সরড কনটেন্ট, বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড প্রোমোশন সবই চলেছে নিয়ার মুখ ব্যবহার করে। দর্শক ভেবেছেন, তিনি একজন বাস্তব মানুষ। সেই বিশ্বাস থেকেই তৈরি হয়েছে আবেগ, আকর্ষণ, এমনকি প্রেমের অনুভূতি। আর এই আবেগই রূপ নিয়েছে অর্থনীতিতে। লাইক, শেয়ার, কমেন্ট সব মিলিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তৈরি হয়েছে বিশাল মূল্য।
নিয়া যে বাস্তব নন এই তথ্য সামনে আসার পর তার জনপ্রিয়তায় স্বাভাবিকভাবেই ভাটা পড়ে। অনেক অনুসারী প্রতারিত বোধ করেছেন। কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, ‘আমাদের অনুভূতিকে ব্যবহার করা হয়েছে।’ আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে প্রযুক্তির স্বাভাবিক অগ্রগতি হিসেবেও দেখছেন।
তবে প্রশ্ন থেকে যায় দোষটা কার? যারা নিয়া তৈরি করেছে, নাকি যারা চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করেছে? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা কি আদৌ যাচাই করি, যাকে অনুসরণ করছি তিনি কে, কী?
নিয়া নোয়ারের গল্প আমাদের সামনে একটি বড় প্রশ্ন ছুড়ে দেয়। এআই যখন মানুষের মতো কথা বলতে পারে, অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে, তখন বাস্তব আর কল্পনার সীমারেখা কোথায়? আজ নিয়া একটি মডেল, কাল হয়তো সাংবাদিক, সমাজকর্মী কিংবা রাজনৈতিক মুখও এআই দিয়ে তৈরি হতে পারে। এই ঘটনা আমাদের ডিজিটাল সচেতনতার গুরুত্ব নতুন করে মনে করিয়ে দেয়। শুধু সৌন্দর্য বা ভাইরাল ট্রেন্ডের পেছনে না ছুটে প্রশ্ন করতে শেখাই এখন সবচেয়ে জরুরি। কারণ পর্দার ওপারে যে মুখটি হাসছে, সে আদৌ মানুষ এমন নিশ্চয়তা আর নেই।
নিয়া নোয়ার হয়তো একটি কাল্পনিক চরিত্র। কিন্তু তার মাধ্যমে যে বাস্তব সত্য সামনে এসেছে, তা খুবই বাস্তব; ডিজিটাল যুগে বিশ্বাসই সবচেয়ে বড় পুঁজি আর সেই বিশ্বাসই সবচেয়ে সহজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: ইউনিল্যান্ড