ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

শবে কদরের মহিমান্বিত রাতের অপেক্ষায় মুসলিম বিশ্ব, বাড়ছে ইবাদত ও দোয়ার আমেজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / 195

ছবি: দেশবর্নের গ্রাফিক্সে সাংবাদিক আইনুল ইসলামের ছবি ।

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আইনুল ইসলাম
দিনাজপুর প্রতিনিধি, দেশবর্ণ নিউজ

রমাজান মাসের শেষ দশক মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতময় সময়। এই সময়ে মুমিনরা বিশেষভাবে একটি মহিমান্বিত রাতের সন্ধান করেন—যে রাতটি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম, সেই পবিত্র শবে কদর। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে এই মহিমান্বিত রাতের সন্ধান করতে বলা হয়েছে।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মুসলমানদের এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়ে বলেছেন,
“তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে শবে কদর তালাশ করো।”(সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)
ইসলামী শিক্ষায় বর্ণিত হয়েছে, রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলো হলো ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমাজান। এই রাতগুলোর যেকোনো একটিতে শবে কদর হতে পারে বলে আলেমরা উল্লেখ করেছেন। তাই প্রত্যেক মুমিনের উচিত এই রাতগুলোতে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে নিজেকে নিয়োজিত রাখা।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তাআলা শবে কদরের মর্যাদা বর্ণনা করে বলেন—“নিশ্চয়ই আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি শবে কদরে। আর আপনি কি জানেন শবে কদর কী? শবে কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।” (সূরা আল-কদর: ১–৩)
হাদিসে আরও বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি শবে কদরের রাতে ঈমান ও সওয়াবের আশায় ইবাদত করে, তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (সহিহ বুখারি: ১৯০১)

এই রাতগুলোতে মুসলমানদের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে—নফল নামাজ আদায়, কুরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া, তওবা এবং দান-সদকা করার জন্য। কারণ এ রাতগুলোতে আল্লাহ তাআলার রহমত, বরকত ও মাগফিরাত বিশেষভাবে নাজিল হয়। ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, শবে কদরের সঠিক রাত নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়নি—এতে করে মুসলমানরা যেন শেষ দশকের প্রতিটি রাতেই আন্তরিকভাবে ইবাদত করে এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করে।

রমজানের এই বরকতময় সময়ে মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান

নিজেকে গুনাহ থেকে দূরে রেখে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি, দোয়া ও মানবকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করা। মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে শবে কদরের ফজিলত লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শবে কদরের মহিমান্বিত রাতের অপেক্ষায় মুসলিম বিশ্ব, বাড়ছে ইবাদত ও দোয়ার আমেজ

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মোঃ আইনুল ইসলাম
দিনাজপুর প্রতিনিধি, দেশবর্ণ নিউজ

রমাজান মাসের শেষ দশক মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতময় সময়। এই সময়ে মুমিনরা বিশেষভাবে একটি মহিমান্বিত রাতের সন্ধান করেন—যে রাতটি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম, সেই পবিত্র শবে কদর। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে এই মহিমান্বিত রাতের সন্ধান করতে বলা হয়েছে।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মুসলমানদের এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়ে বলেছেন,
“তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে শবে কদর তালাশ করো।”(সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)
ইসলামী শিক্ষায় বর্ণিত হয়েছে, রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলো হলো ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমাজান। এই রাতগুলোর যেকোনো একটিতে শবে কদর হতে পারে বলে আলেমরা উল্লেখ করেছেন। তাই প্রত্যেক মুমিনের উচিত এই রাতগুলোতে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে নিজেকে নিয়োজিত রাখা।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তাআলা শবে কদরের মর্যাদা বর্ণনা করে বলেন—“নিশ্চয়ই আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি শবে কদরে। আর আপনি কি জানেন শবে কদর কী? শবে কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।” (সূরা আল-কদর: ১–৩)
হাদিসে আরও বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি শবে কদরের রাতে ঈমান ও সওয়াবের আশায় ইবাদত করে, তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (সহিহ বুখারি: ১৯০১)

এই রাতগুলোতে মুসলমানদের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে—নফল নামাজ আদায়, কুরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া, তওবা এবং দান-সদকা করার জন্য। কারণ এ রাতগুলোতে আল্লাহ তাআলার রহমত, বরকত ও মাগফিরাত বিশেষভাবে নাজিল হয়। ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, শবে কদরের সঠিক রাত নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়নি—এতে করে মুসলমানরা যেন শেষ দশকের প্রতিটি রাতেই আন্তরিকভাবে ইবাদত করে এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করে।

রমজানের এই বরকতময় সময়ে মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান

নিজেকে গুনাহ থেকে দূরে রেখে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি, দোয়া ও মানবকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করা। মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে শবে কদরের ফজিলত লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।