ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

পুরাতন ছবি বলে দিলো গোপন ভালোবাসার কথা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 50
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কয়েক দিন আগে একজন শুভাকাঙ্ক্ষী ওমর সানীকে একটি ছবি পাঠান। চিত্রনায়িকা স্ত্রী মৌসুমীর সঙ্গের সেই দুর্লভ ছবিটি পেয়ে স্মৃতিকাতর হন ওমর সানী।  বৃহস্পতিবার ফেসবুকে ছবিটি পোস্ট করেছেন এই ঢালিউড তারকা।

ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘ফিরে দেখা, একদিন বর্তমানও পিছনে ফিরে দেখবে।’ ছবিটি বিয়ের আগে তোলা হলেও সময়, স্থান এবং পরিস্থিতি নিয়ে সানী কিছুই মনে করতে পারছিলেন না। ফেসবুকে পোস্টের পর খুঁজে পান ছবিটি, যাঁর ক্যামেরায় ধারণ করা হয় তাঁকে।

ফটোগ্রাফার শিবেন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের পর জানা যায়, ছবিটি ৩০ বছর আগে শুটিংয়ের ফাঁকে এফডিসিতে তোলা হয়েছিল, জসীম ফ্লোরের সেটে। তবে কোন ছবির শুটিং, তা তিনিও মনে করতে পারলেন না।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৩২ বছর চলচ্চিত্রে অভিনয় করা ওমর সানী এখন নিয়মিত অভিনয় করেন না। নিজের রেস্টুরেন্ট ব্যবসার পাশাপাশি আবাসন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে মৌসুমী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। ওমর সানী আরও বলেন, ‘ছবিটা বিয়ের আগে তোলা হয়েছিল। মৌসুমীর পরনের টি–শার্টটাও আমার। তখন সবে আমাদের প্রেমের সম্পর্কের শুরু। মনে মনে একরকম ভালো লাগা তৈরি হয়। তখনকার মুহূর্তগুলো মনে পড়ে, মনে হয় যেন সময় থেমে গেছে। এমন স্মৃতি আজও আমাদের আনন্দ দেয়।’ ফেসবুকে প্রকাশিত এই ছবিটিও সেই পুরোনো দিনের স্মৃতিকে জীবন্ত করে তুলেছে বলে মনে করছেন ওমর সানী।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৩২ বছর চলচ্চিত্রে অভিনয় করা ওমর সানী এখন নিয়মিত অভিনয় করেন না। নিজের রেস্টুরেন্ট ব্যবসার পাশাপাশি আবাসন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে মৌসুমী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। ওমর সানী আরও বলেন, ‘ছবিটা বিয়ের আগে তোলা হয়েছিল। মৌসুমীর পরনের টি–শার্টটাও আমার। তখন সবে আমাদের প্রেমের সম্পর্কের শুরু। মনে মনে একরকম ভালো লাগা তৈরি হয়। তখনকার মুহূর্তগুলো মনে পড়ে, মনে হয় যেন সময় থেমে গেছে। এমন স্মৃতি আজও আমাদের আনন্দ দেয়।’ ফেসবুকে প্রকাশিত এই ছবিটিও সেই পুরোনো দিনের স্মৃতিকে জীবন্ত করে তুলেছে বলে মনে করছেন ওমর সানী।

সানীর উদ্দেশে সেদিন মৌসুমী বলেছিলেন, ‘সানী ভাই, আপনার “চাঁদের আলো” তো আমরা সবাই দেখলাম। বেশ ভালো করেছেন। কিন্তু আমি তো এই ছবিটা করতে পারছি না। অন্য কমিটমেন্ট আছে।’ মন খারাপ করে বাসায় ফিরে যান ওমর সানী। ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায় ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর ওমর সানী ও মৌসুমীকে নিয়ে একটি সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা করেন চার-পাঁচজন প্রোডাকশন ম্যানেজার। মোহাম্মদপুরে একটি শুটিং স্পটে ওমর সানীর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। বললেন, ‘আমরা একটা সিনেমা বানাব, ‘দোলা’। নাম শুনেই ওমর সানী বললেন, ‘না না। নারীপ্রধান ছবি করব না।’ ওমর সানীর চার-পাঁচটি ছবি তখন সুপারহিট। না বলার পরও গল্পটা শুনে ভালো লাগল, রাজি হয়ে গেলেন সানী।

দোলা’ সিনেমা দিয়ে জুটি গড়লেন মৌসুমী-সানী। সিলেটে আউটডোরে শুটিং করতে গিয়ে দুজনের মনোমালিন্য হলো। কাজ শেষ করে ঢাকায় ফিরলেন তাঁরা। ওমর সানী বলেন, ‘এরপর কেন জানি মেয়েটার জন্য মায়াই লাগল। যে বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা দিয়েছিল, সেটা ওর (মৌসুমী) ব্যক্তিত্ব। ওই সময় অন্য যাঁরা কাজ করতেন, তাঁদের থেকে আলাদা। তাঁর বাবাও ছিলেন খুব স্মার্ট ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। পুরো পরিবারের প্রতি আলাদা একটা শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হলো। ভেতরে-ভেতরে হয়তো ভালোবাসাও জন্মে গেল।’

 

পরে রায়হান মুজিব পরিচালিত ‘আত্ম অহংকার’–এর মুক্তি উপলক্ষে একটি ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ওমর সানী মুখ ফসকে বলে ফেলেন, ‘আমি ওকে (মৌসুমী) ভালোবাসি। ও আমাকে ভালোবাসে কি না জানি না।’ ওমর সানীর সাক্ষাৎকার পড়ে মৌসুমী অবাক। সানীকে বললেন, ‘এটা বলা কি আপনার ঠিক হলো?’

 

সানীর উত্তর, ‘বলেছি তো বলেছিই। ঠিক হইছে কি না, জানিটানি না। কইয়াই তো ফালাইছি। ভালোবাসা না হইলে যাও, তুমি তোমার মতো কাজ করো, আমি আমার মতো। মানুষ যদি কিছু বলে আমারে বলবে।’ এরপর প্রেম–ভালোবাসা ও বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে বেশি দিন লাগেনি। ১৯৯৫ সালের ৪ মার্চ মৌসুমী–ওমর সানী বিয়ে করেন। তবে দুজনের বিয়ের খবর কেউ জানতেন না। ওমর সানী জানালেন, বিয়ের পর দুজনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কাজ চালিয়ে যাবেন, তাই কাউকে জানাননি। বিয়ের পর তাঁরা একসঙ্গে সিনেমায় অভিনয় করেছেন। উপহার দিয়েছেন ব্যবসাসফল সিনেমাও।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সীমান্তের কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ, রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: হাসিনুজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ কৃষি সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিবি) এর আওতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুপম চন্দ্র মহন্ত, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ প্রধান, এলজিইডির প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় সীমান্ত এলাকার ৮০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে ১০ কেজি ব্রি জাতের রোপা আমন ধানের বীজ এবং ২৬ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সীমান্ত এলাকায় পাট, আখ ও ভুট্টার মতো অধিক উচ্চতার ফসলের পরিবর্তে ধানসহ অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পুরাতন ছবি বলে দিলো গোপন ভালোবাসার কথা

আপডেট সময় : ১০:৪৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

কয়েক দিন আগে একজন শুভাকাঙ্ক্ষী ওমর সানীকে একটি ছবি পাঠান। চিত্রনায়িকা স্ত্রী মৌসুমীর সঙ্গের সেই দুর্লভ ছবিটি পেয়ে স্মৃতিকাতর হন ওমর সানী।  বৃহস্পতিবার ফেসবুকে ছবিটি পোস্ট করেছেন এই ঢালিউড তারকা।

ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘ফিরে দেখা, একদিন বর্তমানও পিছনে ফিরে দেখবে।’ ছবিটি বিয়ের আগে তোলা হলেও সময়, স্থান এবং পরিস্থিতি নিয়ে সানী কিছুই মনে করতে পারছিলেন না। ফেসবুকে পোস্টের পর খুঁজে পান ছবিটি, যাঁর ক্যামেরায় ধারণ করা হয় তাঁকে।

ফটোগ্রাফার শিবেন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের পর জানা যায়, ছবিটি ৩০ বছর আগে শুটিংয়ের ফাঁকে এফডিসিতে তোলা হয়েছিল, জসীম ফ্লোরের সেটে। তবে কোন ছবির শুটিং, তা তিনিও মনে করতে পারলেন না।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৩২ বছর চলচ্চিত্রে অভিনয় করা ওমর সানী এখন নিয়মিত অভিনয় করেন না। নিজের রেস্টুরেন্ট ব্যবসার পাশাপাশি আবাসন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে মৌসুমী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। ওমর সানী আরও বলেন, ‘ছবিটা বিয়ের আগে তোলা হয়েছিল। মৌসুমীর পরনের টি–শার্টটাও আমার। তখন সবে আমাদের প্রেমের সম্পর্কের শুরু। মনে মনে একরকম ভালো লাগা তৈরি হয়। তখনকার মুহূর্তগুলো মনে পড়ে, মনে হয় যেন সময় থেমে গেছে। এমন স্মৃতি আজও আমাদের আনন্দ দেয়।’ ফেসবুকে প্রকাশিত এই ছবিটিও সেই পুরোনো দিনের স্মৃতিকে জীবন্ত করে তুলেছে বলে মনে করছেন ওমর সানী।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৩২ বছর চলচ্চিত্রে অভিনয় করা ওমর সানী এখন নিয়মিত অভিনয় করেন না। নিজের রেস্টুরেন্ট ব্যবসার পাশাপাশি আবাসন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে মৌসুমী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। ওমর সানী আরও বলেন, ‘ছবিটা বিয়ের আগে তোলা হয়েছিল। মৌসুমীর পরনের টি–শার্টটাও আমার। তখন সবে আমাদের প্রেমের সম্পর্কের শুরু। মনে মনে একরকম ভালো লাগা তৈরি হয়। তখনকার মুহূর্তগুলো মনে পড়ে, মনে হয় যেন সময় থেমে গেছে। এমন স্মৃতি আজও আমাদের আনন্দ দেয়।’ ফেসবুকে প্রকাশিত এই ছবিটিও সেই পুরোনো দিনের স্মৃতিকে জীবন্ত করে তুলেছে বলে মনে করছেন ওমর সানী।

সানীর উদ্দেশে সেদিন মৌসুমী বলেছিলেন, ‘সানী ভাই, আপনার “চাঁদের আলো” তো আমরা সবাই দেখলাম। বেশ ভালো করেছেন। কিন্তু আমি তো এই ছবিটা করতে পারছি না। অন্য কমিটমেন্ট আছে।’ মন খারাপ করে বাসায় ফিরে যান ওমর সানী। ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায় ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর ওমর সানী ও মৌসুমীকে নিয়ে একটি সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা করেন চার-পাঁচজন প্রোডাকশন ম্যানেজার। মোহাম্মদপুরে একটি শুটিং স্পটে ওমর সানীর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। বললেন, ‘আমরা একটা সিনেমা বানাব, ‘দোলা’। নাম শুনেই ওমর সানী বললেন, ‘না না। নারীপ্রধান ছবি করব না।’ ওমর সানীর চার-পাঁচটি ছবি তখন সুপারহিট। না বলার পরও গল্পটা শুনে ভালো লাগল, রাজি হয়ে গেলেন সানী।

দোলা’ সিনেমা দিয়ে জুটি গড়লেন মৌসুমী-সানী। সিলেটে আউটডোরে শুটিং করতে গিয়ে দুজনের মনোমালিন্য হলো। কাজ শেষ করে ঢাকায় ফিরলেন তাঁরা। ওমর সানী বলেন, ‘এরপর কেন জানি মেয়েটার জন্য মায়াই লাগল। যে বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা দিয়েছিল, সেটা ওর (মৌসুমী) ব্যক্তিত্ব। ওই সময় অন্য যাঁরা কাজ করতেন, তাঁদের থেকে আলাদা। তাঁর বাবাও ছিলেন খুব স্মার্ট ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। পুরো পরিবারের প্রতি আলাদা একটা শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হলো। ভেতরে-ভেতরে হয়তো ভালোবাসাও জন্মে গেল।’

 

পরে রায়হান মুজিব পরিচালিত ‘আত্ম অহংকার’–এর মুক্তি উপলক্ষে একটি ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ওমর সানী মুখ ফসকে বলে ফেলেন, ‘আমি ওকে (মৌসুমী) ভালোবাসি। ও আমাকে ভালোবাসে কি না জানি না।’ ওমর সানীর সাক্ষাৎকার পড়ে মৌসুমী অবাক। সানীকে বললেন, ‘এটা বলা কি আপনার ঠিক হলো?’

 

সানীর উত্তর, ‘বলেছি তো বলেছিই। ঠিক হইছে কি না, জানিটানি না। কইয়াই তো ফালাইছি। ভালোবাসা না হইলে যাও, তুমি তোমার মতো কাজ করো, আমি আমার মতো। মানুষ যদি কিছু বলে আমারে বলবে।’ এরপর প্রেম–ভালোবাসা ও বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে বেশি দিন লাগেনি। ১৯৯৫ সালের ৪ মার্চ মৌসুমী–ওমর সানী বিয়ে করেন। তবে দুজনের বিয়ের খবর কেউ জানতেন না। ওমর সানী জানালেন, বিয়ের পর দুজনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কাজ চালিয়ে যাবেন, তাই কাউকে জানাননি। বিয়ের পর তাঁরা একসঙ্গে সিনেমায় অভিনয় করেছেন। উপহার দিয়েছেন ব্যবসাসফল সিনেমাও।