ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

বামনায় মসজিদভিত্তিক শিক্ষা প্রকল্পকে রাজস্ব খাতে নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / 85
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বামনায় মসজিদভিত্তিক শিক্ষা প্রকল্পকে রাজস্ব খাতে নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ তানভীর, বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধি :

বরগুনার বামনা উপজেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে ২০২৬) সকাল ১০টায় বামনা উপজেলা চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রকল্পের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ নিকহাত আরার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মোঃ বাকাবিল্লাহ। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে চালু হওয়া এ প্রকল্প ইতোমধ্যে সফলভাবে ৭টি পর্যায় সম্পন্ন করে বর্তমানে ৮ম পর্যায়ে চলমান রয়েছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ষষ্ঠ পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ ৯ হাজার ৯৫০ জন এবং সপ্তম পর্যায়ে ১ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে।

এসময় বক্তব্য রাখেন মাউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, বর্তমানে এ প্রকল্পে ৭১ হাজার ৯৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা স্বল্প ভাতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষকরা যাকাত সংগ্রহে উদ্বুদ্ধকরণ, মাদক, বাল্যবিবাহ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি, টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নসহ সরকারের বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বিনা পারিশ্রমিকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন।

মানববন্ধন থেকে দ্রুত প্রকল্পটি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর এবং সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে সরকারি গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের দাবি জানানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বামনায় মসজিদভিত্তিক শিক্ষা প্রকল্পকে রাজস্ব খাতে নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময় : ১২:৪১:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

বামনায় মসজিদভিত্তিক শিক্ষা প্রকল্পকে রাজস্ব খাতে নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ তানভীর, বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধি :

বরগুনার বামনা উপজেলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে ২০২৬) সকাল ১০টায় বামনা উপজেলা চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রকল্পের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃ নিকহাত আরার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মোঃ বাকাবিল্লাহ। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে চালু হওয়া এ প্রকল্প ইতোমধ্যে সফলভাবে ৭টি পর্যায় সম্পন্ন করে বর্তমানে ৮ম পর্যায়ে চলমান রয়েছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ষষ্ঠ পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ ৯ হাজার ৯৫০ জন এবং সপ্তম পর্যায়ে ১ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে।

এসময় বক্তব্য রাখেন মাউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, বর্তমানে এ প্রকল্পে ৭১ হাজার ৯৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা স্বল্প ভাতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষকরা যাকাত সংগ্রহে উদ্বুদ্ধকরণ, মাদক, বাল্যবিবাহ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি, টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নসহ সরকারের বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বিনা পারিশ্রমিকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন।

মানববন্ধন থেকে দ্রুত প্রকল্পটি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর এবং সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে সরকারি গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের দাবি জানানো হয়।