প্রাচীন গ্রিসে দেহব্যবসা চলত একেবারে প্রকাশ্যে
- আপডেট সময় : ০৬:১২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৭২৭ বার পড়া হয়েছে
প্রাচীন গ্রিসে দেহব্যবসা চলত একেবারে প্রকাশ্যে। এটি কোনো গোপন অনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতো না।
ইতিহাসবিদদের মতে, সে সময় ‘পর্নাই’ নামে পরিচিত দেহব্যবসায়ীরা সাধারণত পতিতালয় বা ব্যস্ত সড়কের পাশে কাজ করত এবং ঘনবসতিপূর্ণ নগর এলাকায় ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য প্রতিযোগিতায় নামত।
নিজেদের আলাদা করে তুলে ধরতে কেউ কেউ অভিনব কৌশল ব্যবহার করত। কিছু দেহব্যবসায়ী এমন স্যান্ডেল পরত, যার তলার অংশে অক্ষর খোদাই করা থাকত। ধুলো বা মাটির ওপর হাঁটার সময় তাদের পায়ের ছাপ পড়ে তৈরি হতো একটি বার্তা, “আমাকে অনুসরণ করো”। এই পদ্ধতিতে কোনো লিখিত বিজ্ঞাপন বা সাইনবোর্ড ছাড়াই সম্ভাব্য খদ্দেরদের দিকনির্দেশ দেওয়া হতো।
গ্রিক সমাজে এই পেশার গ্রহণযোগ্যতা এতটাই গভীর ছিল যে রাষ্ট্রীয়ভাবে এর ওপর কর আরোপ করা হতো। দেহব্যবসাকে নৈতিক বিচ্যুতি নয়, বরং একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে দেখা হতো। তবে এই পেশার মধ্যেও সামাজিক স্তরভেদ ছিল।
রাস্তার দেহব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ছিলেন ‘হেটাইরাই’ নামে পরিচিত উচ্চশ্রেণির রমণীরা। তারা সমাজে ভিন্ন মর্যাদা ভোগ করতেন। এসব নারী ছিলেন শিক্ষিত, বাগ্মী এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী। তারা রাজনীতিক, দার্শনিক ও শিল্পীদের সঙ্গে সিম্পোজিয়াম ও সামাজিক সমাবেশে অংশ নিতেন।

































