ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo [আপডেট] রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

প্রাচীন গ্রিসে দেহব্যবসা চলত একেবারে প্রকাশ্যে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 297
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রাচীন গ্রিসে দেহব্যবসা চলত একেবারে প্রকাশ্যে। এটি কোনো গোপন অনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতো না।

 

ইতিহাসবিদদের মতে, সে সময় ‘পর্নাই’ নামে পরিচিত দেহব্যবসায়ীরা সাধারণত পতিতালয় বা ব্যস্ত সড়কের পাশে কাজ করত এবং ঘনবসতিপূর্ণ নগর এলাকায় ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য প্রতিযোগিতায় নামত।

নিজেদের আলাদা করে তুলে ধরতে কেউ কেউ অভিনব কৌশল ব্যবহার করত। কিছু দেহব্যবসায়ী এমন স্যান্ডেল পরত, যার তলার অংশে অক্ষর খোদাই করা থাকত। ধুলো বা মাটির ওপর হাঁটার সময় তাদের পায়ের ছাপ পড়ে তৈরি হতো একটি বার্তা, “আমাকে অনুসরণ করো”। এই পদ্ধতিতে কোনো লিখিত বিজ্ঞাপন বা সাইনবোর্ড ছাড়াই সম্ভাব্য খদ্দেরদের দিকনির্দেশ দেওয়া হতো।

গ্রিক সমাজে এই পেশার গ্রহণযোগ্যতা এতটাই গভীর ছিল যে রাষ্ট্রীয়ভাবে এর ওপর কর আরোপ করা হতো। দেহব্যবসাকে নৈতিক বিচ্যুতি নয়, বরং একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে দেখা হতো। তবে এই পেশার মধ্যেও সামাজিক স্তরভেদ ছিল।

রাস্তার দেহব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ছিলেন ‘হেটাইরাই’ নামে পরিচিত উচ্চশ্রেণির রমণীরা। তারা সমাজে ভিন্ন মর্যাদা ভোগ করতেন। এসব নারী ছিলেন শিক্ষিত, বাগ্মী এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী। তারা রাজনীতিক, দার্শনিক ও শিল্পীদের সঙ্গে সিম্পোজিয়াম ও সামাজিক সমাবেশে অংশ নিতেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রাচীন গ্রিসে দেহব্যবসা চলত একেবারে প্রকাশ্যে

আপডেট সময় : ০৬:১২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রাচীন গ্রিসে দেহব্যবসা চলত একেবারে প্রকাশ্যে। এটি কোনো গোপন অনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতো না।

 

ইতিহাসবিদদের মতে, সে সময় ‘পর্নাই’ নামে পরিচিত দেহব্যবসায়ীরা সাধারণত পতিতালয় বা ব্যস্ত সড়কের পাশে কাজ করত এবং ঘনবসতিপূর্ণ নগর এলাকায় ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য প্রতিযোগিতায় নামত।

নিজেদের আলাদা করে তুলে ধরতে কেউ কেউ অভিনব কৌশল ব্যবহার করত। কিছু দেহব্যবসায়ী এমন স্যান্ডেল পরত, যার তলার অংশে অক্ষর খোদাই করা থাকত। ধুলো বা মাটির ওপর হাঁটার সময় তাদের পায়ের ছাপ পড়ে তৈরি হতো একটি বার্তা, “আমাকে অনুসরণ করো”। এই পদ্ধতিতে কোনো লিখিত বিজ্ঞাপন বা সাইনবোর্ড ছাড়াই সম্ভাব্য খদ্দেরদের দিকনির্দেশ দেওয়া হতো।

গ্রিক সমাজে এই পেশার গ্রহণযোগ্যতা এতটাই গভীর ছিল যে রাষ্ট্রীয়ভাবে এর ওপর কর আরোপ করা হতো। দেহব্যবসাকে নৈতিক বিচ্যুতি নয়, বরং একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে দেখা হতো। তবে এই পেশার মধ্যেও সামাজিক স্তরভেদ ছিল।

রাস্তার দেহব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ছিলেন ‘হেটাইরাই’ নামে পরিচিত উচ্চশ্রেণির রমণীরা। তারা সমাজে ভিন্ন মর্যাদা ভোগ করতেন। এসব নারী ছিলেন শিক্ষিত, বাগ্মী এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী। তারা রাজনীতিক, দার্শনিক ও শিল্পীদের সঙ্গে সিম্পোজিয়াম ও সামাজিক সমাবেশে অংশ নিতেন।