দিনাজপুর সদর–৩-এ নবনির্বাচিত এমপি’র সাথে সৌহার্দ্য সাক্ষাৎ ও সম্মাননা
- আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 76
দিনাজপুর সদর–৩-এ নবনির্বাচিত এমপি’র সাথে সৌহার্দ্য সাক্ষাৎ ও সম্মাননা ,উন্নয়নের অঙ্গীকার, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন ও বৃহত্তর নেতৃত্বে দেখার প্রত্যাশা এলাকাবাসীর
মোঃ আইনুল ইসলাম
দিনাজপুর প্রতিনিধি,দেশবর্ণ নিউজ।
দিনাজপুর সদর–৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম–এর সঙ্গে এক আন্তরিক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাপ্তাহিক দিনাজপুর এক্সপ্রেস পত্রিকার উদ্যোগে আয়োজিত এ মিলনমেলায় পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন-আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরা হয়।
আয়োজকরা জানান, এটি ছিল সম্পূর্ণ অনাড়ম্বর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ একটি আয়োজন; কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা রাজনৈতিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়নি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পত্রিকার সম্পাদক মোঃ বাবু আহমেদ বাপ্পা, নির্বাহী সম্পাদক মোঃ আল-মনসুর এবং সহ-সম্পাদক মোঃ আইনুল ইসলাম। এছাড়াও বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকবৃন্দ এবং বালুবাড়ী এলাকার বাসিন্দারা অংশ নেন।
বালুবাড়ীতে অবস্থিত ‘তৈয়বা ভিলা’—যা আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া–এর মাতার নামে পরিচিত—সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিবেশীরাও সৌজন্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, দিনাজপুর সদর–৩ আসনকে একটি মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও উন্নয়নমুখী জনপদ হিসেবে গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি।
অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে এ জনপদকে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
স্থানীয়দের একটি অংশ জানান, দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিকে ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখার প্রত্যাশাও তাদের রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে তারা বিনীতভাবে দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাদের বিশ্বাস, যোগ্যতা, সততা ও কর্মদক্ষতার যথাযথ মূল্যায়ন হলে দিনাজপুরের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা আরও গতিশীল হবে।
উল্লেখ্য, দিনাজপুর সদর–৩ ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচনী এলাকা। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা—দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে জনকল্যাণ ও সুশাসনের ধারাবাহিকতায় এ জনপদ উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। সৌজন্য সাক্ষাৎটি ছিল পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও ইতিবাচক প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ—যেখানে উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণের অঙ্গীকারই ছিল মুখ্য বিষয়।
























































