ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

দিনাজপুরে সেমাই কারখানায় যৌথ অভিযান- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অননুমোদিত উপাদান মজুদের দায়ে জরিমানা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 69

ছবি : দেশবর্ন ।

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরে সেমাই কারখানায় যৌথ অভিযান- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অননুমোদিত উপাদান মজুদের দায়ে জরিমানা

মোঃ আইনুল ইসলাম,
দিনাজপুর প্রতিনিধি, দেশবর্ণ নিউজ।

দিনাজপুরে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভ্রাম্যমাণ তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে শহরের বটতলী এলাকায় অবস্থিত “রোলেক্স সেমাই কারখানা”-এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানটি পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন, দিনাজপুর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ-এর জেলা কার্যালয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সুজন পারভেজ। পরিদর্শনকালে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়। সংশ্লিষ্ট কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত, উৎপাদন কক্ষে অননুমোদিত রং সংরক্ষণ এবং পঁচা খামির মজুদের প্রমাণ পাওয়া যায়, যা প্রচলিত নিরাপদ খাদ্য আইন পরিপন্থী।

উল্লেখিত অনিয়মের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে আইনানুগ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন নিরাপদ খাদ্য অফিসার জনাব গৌতম কুমার সাহা।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বার্থ রক্ষা ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যকরভাবে পরিচালিত হলে খাদ্য উৎপাদন খাতে অনিয়ম অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্ব নয়; বরং এটি উৎপাদক, বিক্রেতা ও ভোক্তা—সবার সম্মিলিত সচেতনতার বিষয়। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দায়িত্বশীল ও ধারাবাহিক উদ্যোগই পারে একটি নিরাপদ খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দিনাজপুরে সেমাই কারখানায় যৌথ অভিযান- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অননুমোদিত উপাদান মজুদের দায়ে জরিমানা

আপডেট সময় : ০৪:২৪:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরে সেমাই কারখানায় যৌথ অভিযান- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অননুমোদিত উপাদান মজুদের দায়ে জরিমানা

মোঃ আইনুল ইসলাম,
দিনাজপুর প্রতিনিধি, দেশবর্ণ নিউজ।

দিনাজপুরে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভ্রাম্যমাণ তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে শহরের বটতলী এলাকায় অবস্থিত “রোলেক্স সেমাই কারখানা”-এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানটি পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন, দিনাজপুর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ-এর জেলা কার্যালয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সুজন পারভেজ। পরিদর্শনকালে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়। সংশ্লিষ্ট কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত, উৎপাদন কক্ষে অননুমোদিত রং সংরক্ষণ এবং পঁচা খামির মজুদের প্রমাণ পাওয়া যায়, যা প্রচলিত নিরাপদ খাদ্য আইন পরিপন্থী।

উল্লেখিত অনিয়মের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে আইনানুগ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন নিরাপদ খাদ্য অফিসার জনাব গৌতম কুমার সাহা।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বার্থ রক্ষা ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যকরভাবে পরিচালিত হলে খাদ্য উৎপাদন খাতে অনিয়ম অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্ব নয়; বরং এটি উৎপাদক, বিক্রেতা ও ভোক্তা—সবার সম্মিলিত সচেতনতার বিষয়। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দায়িত্বশীল ও ধারাবাহিক উদ্যোগই পারে একটি নিরাপদ খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে।