নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পরিবারও বিমান হামলায় নিহত
- আপডেট সময় : ০৪:৫২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
- / 41
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পরিবারও বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতি হামলায় নিহত হয়েছেন।
এর আগে, ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এবং ফার্স নিউজ খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে। এই খবর আন্তর্জাতিকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু হামলার পর খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে পোস্টে লিখেছেন, “ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন। এটি শুধু ইরানের জন্য নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্যও এক কাঙ্ক্ষিত বিচার।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, “খামেনি আমাদের উন্নত গোয়েন্দা ও ট্র্যাকিং সিস্টেম থেকে বাঁচতে পারেননি। আমরা ইসরায়েলের সঙ্গে মিলিত হয়ে এমন অভিযান চালিয়েছি, যেখানে খামেনি বা তার সঙ্গে থাকা নেতারা কোনো প্রতিরোধ করতে পারেননি।”
ট্রাম্পের পোস্টে বলা হয়েছে, “ইরানের জনগণের জন্য এটি তাদের দেশ পুনরুদ্ধারের সেরা সুযোগ। ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড, সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীর অনেকেই আর যুদ্ধ করতে চায় না। যারা চাইলে ক্ষমা পেতে পারে, তবে দেরি করলে মৃত্যু ছাড়া কিছুই হবে না। বিপ্লবী গার্ড ও পুলিশ বাহিনী যদি দেশপ্রেমিকদের সাথে একাত্ম হয়, দেশটি তার মর্যাদায় ফিরে পাবে।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হামলার উদ্দেশ্য শুধু খামেনিকে নিশানা করা নয়; এটি মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বে শক্তির সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। শনিবার খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালায়। এ হামলায় প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তাও নিহত হয়েছেন।
এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করছে, কারণ ইরানের প্রতিশোধ এবং বিমান হামলার ধারা চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা



























































