ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রত্যেক উপজেলায় সংসদ সদস্যদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ   Logo হরমুজ এড়িয়ে সৌদি থেকে তেল নিয়ে চট্টগ্রাম আসছে জাহাজ Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে বুধ-বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে ভার্চুয়ালি Logo এনসিপিতে যোগদানের হিড়িক Logo ৫ দফা দাবী সহ শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে জাতীয় শিক্ষক ফোরামের মানববন্ধন কর্মসূচি Logo পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াবে বাংলাদেশ Logo পাম্প থেকে তেল নিতে অগ্রাধিকার চায় পুলিশ Logo খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক নিলেন জাইমা রহমান Logo ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুর-এর মমতাময়ী মায়ের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে সরকার

ভয়াবহ জটিল রোগে আক্রান্ত ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • / 63
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেশ কিছু ক্লোজ-আপ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। ছবিতে তার ঘাড় এবং হাতে স্পষ্ট লাল দাগ ও ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। নেটিজেনদের কেউ কেউ এটিকে “ভেতর থেকে পচে যাওয়া” বা “ভয়ংকর সংক্রামক ব্যাধি” হিসেবে আখ্যা দিলেও হোয়াইট হাউস একে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছে।

 

ভাইরাল হওয়া ছবিতে ট্রাম্পের ডান এবং বাম হাতে কালচে-বেগুনি রঙের দাগ দেখা গেছে। অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন এটি সিফিলিস বা অন্য কোনো রক্তজনিত সমস্যা।

 

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য উচ্চমাত্রায় অ্যাসপিরিন গ্রহণ করেন। এই ওষুধ রক্ত পাতলা করে, যার ফলে সামান্য আঘাতেই (যেমন- অতিরিক্ত হাত মেলানো বা টেবিলের কোণায় ঘষা লাগা) বয়স্ক চামড়ায় এমন কালশিটে বা কালচে দাগ পড়া স্বাভাবিক।

 

ভাইরাল ছবিগুলোতে ট্রাম্পের ঘাড়ের ডান পাশে লাল রঙের ফুসকুড়ি বা র্যাশ দেখা যায়। অনেকে একে ‘শিনগেলস’ বা হার্পিস জস্টার মনে করছেন।

 

ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড. শন বারবারবেলা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট বর্তমানে একটি প্রতিরোধমূলক স্কিন ক্রিম ব্যবহার করছেন। এই ক্রিমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে চামড়ায় সাময়িক লালভাব দেখা দিয়েছে, যা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।

 

চিকিৎসকের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির পরেও জল্পনা থামছে না। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ৭৯ বছর বয়সে ট্রাম্পের ‘ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিসিয়েন্সি’ নামক একটি সমস্যা রয়েছে, যা পায়ে ফোলাভাব এবং হাতে কালশিটে তৈরি করতে পারে। বিরোধী শিবির এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা একে গোপন কোনো জটিল রোগের লক্ষণ হিসেবে প্রচার করলেও, এখন পর্যন্ত তার কোনো শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভয়াবহ জটিল রোগে আক্রান্ত ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৫:০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেশ কিছু ক্লোজ-আপ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। ছবিতে তার ঘাড় এবং হাতে স্পষ্ট লাল দাগ ও ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। নেটিজেনদের কেউ কেউ এটিকে “ভেতর থেকে পচে যাওয়া” বা “ভয়ংকর সংক্রামক ব্যাধি” হিসেবে আখ্যা দিলেও হোয়াইট হাউস একে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছে।

 

ভাইরাল হওয়া ছবিতে ট্রাম্পের ডান এবং বাম হাতে কালচে-বেগুনি রঙের দাগ দেখা গেছে। অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন এটি সিফিলিস বা অন্য কোনো রক্তজনিত সমস্যা।

 

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য উচ্চমাত্রায় অ্যাসপিরিন গ্রহণ করেন। এই ওষুধ রক্ত পাতলা করে, যার ফলে সামান্য আঘাতেই (যেমন- অতিরিক্ত হাত মেলানো বা টেবিলের কোণায় ঘষা লাগা) বয়স্ক চামড়ায় এমন কালশিটে বা কালচে দাগ পড়া স্বাভাবিক।

 

ভাইরাল ছবিগুলোতে ট্রাম্পের ঘাড়ের ডান পাশে লাল রঙের ফুসকুড়ি বা র্যাশ দেখা যায়। অনেকে একে ‘শিনগেলস’ বা হার্পিস জস্টার মনে করছেন।

 

ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড. শন বারবারবেলা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট বর্তমানে একটি প্রতিরোধমূলক স্কিন ক্রিম ব্যবহার করছেন। এই ক্রিমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে চামড়ায় সাময়িক লালভাব দেখা দিয়েছে, যা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।

 

চিকিৎসকের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির পরেও জল্পনা থামছে না। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ৭৯ বছর বয়সে ট্রাম্পের ‘ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিসিয়েন্সি’ নামক একটি সমস্যা রয়েছে, যা পায়ে ফোলাভাব এবং হাতে কালশিটে তৈরি করতে পারে। বিরোধী শিবির এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা একে গোপন কোনো জটিল রোগের লক্ষণ হিসেবে প্রচার করলেও, এখন পর্যন্ত তার কোনো শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়া যায়নি।