ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 64
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টিকটকে পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠা এক কিশোরীকে (১৪) চাঁদপুর থেকে নারায়ণগঞ্জে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।

 

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আজিবপুর মাজার রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন—বন্দর উপজেলার কদমরসুল এলাকার মো. রিফাত (২১) এবং বাগবাড়ী এলাকার রোমান (২১)।

 

কীভাবে ঘটে এই নৃশংসতা?

 

মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর সদর এলাকার ওই কিশোরীর সঙ্গে টিকটকের মাধ্যমে রিফাতের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৯ মার্চ রিফাত কিশোরীকে নারায়ণগঞ্জে আসতে বলে এবং যাতায়াত খরচ বাবদ বিকাশে ৫০০ টাকা পাঠায়।

 

কিশোরী লঞ্চযোগে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনালে পৌঁছালে রিফাত তাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরায়। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তাকে নবীগঞ্জ কদমরসুল এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল রিফাতের বন্ধু রোমান। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই কিশোরীকে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

 

গ্রেফতার ও আইনি পদক্ষেপ

 

র্যাব-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. নাঈম উল হক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাদের বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

এর আগে কিশোরী বাড়ি ফিরে স্বজনদের ঘটনা জানালে তার বাবা বাদী হয়ে বন্দর থানায় গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিল। পুলিশ ও র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করলে শেষ পর্যন্ত তারা ধরা পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আপডেট সময় : ০২:৪২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

টিকটকে পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠা এক কিশোরীকে (১৪) চাঁদপুর থেকে নারায়ণগঞ্জে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।

 

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আজিবপুর মাজার রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন—বন্দর উপজেলার কদমরসুল এলাকার মো. রিফাত (২১) এবং বাগবাড়ী এলাকার রোমান (২১)।

 

কীভাবে ঘটে এই নৃশংসতা?

 

মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর সদর এলাকার ওই কিশোরীর সঙ্গে টিকটকের মাধ্যমে রিফাতের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৯ মার্চ রিফাত কিশোরীকে নারায়ণগঞ্জে আসতে বলে এবং যাতায়াত খরচ বাবদ বিকাশে ৫০০ টাকা পাঠায়।

 

কিশোরী লঞ্চযোগে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনালে পৌঁছালে রিফাত তাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরায়। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তাকে নবীগঞ্জ কদমরসুল এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল রিফাতের বন্ধু রোমান। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই কিশোরীকে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

 

গ্রেফতার ও আইনি পদক্ষেপ

 

র্যাব-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. নাঈম উল হক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাদের বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

এর আগে কিশোরী বাড়ি ফিরে স্বজনদের ঘটনা জানালে তার বাবা বাদী হয়ে বন্দর থানায় গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিল। পুলিশ ও র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করলে শেষ পর্যন্ত তারা ধরা পড়ে।