ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস Logo দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ Logo প্রত্যেক উপজেলায় সংসদ সদস্যদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ   Logo হরমুজ এড়িয়ে সৌদি থেকে তেল নিয়ে চট্টগ্রাম আসছে জাহাজ Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে বুধ-বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে ভার্চুয়ালি Logo এনসিপিতে যোগদানের হিড়িক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 32
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টিকটকে পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠা এক কিশোরীকে (১৪) চাঁদপুর থেকে নারায়ণগঞ্জে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।

 

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আজিবপুর মাজার রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন—বন্দর উপজেলার কদমরসুল এলাকার মো. রিফাত (২১) এবং বাগবাড়ী এলাকার রোমান (২১)।

 

কীভাবে ঘটে এই নৃশংসতা?

 

মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর সদর এলাকার ওই কিশোরীর সঙ্গে টিকটকের মাধ্যমে রিফাতের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৯ মার্চ রিফাত কিশোরীকে নারায়ণগঞ্জে আসতে বলে এবং যাতায়াত খরচ বাবদ বিকাশে ৫০০ টাকা পাঠায়।

 

কিশোরী লঞ্চযোগে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনালে পৌঁছালে রিফাত তাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরায়। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তাকে নবীগঞ্জ কদমরসুল এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল রিফাতের বন্ধু রোমান। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই কিশোরীকে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

 

গ্রেফতার ও আইনি পদক্ষেপ

 

র্যাব-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. নাঈম উল হক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাদের বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

এর আগে কিশোরী বাড়ি ফিরে স্বজনদের ঘটনা জানালে তার বাবা বাদী হয়ে বন্দর থানায় গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিল। পুলিশ ও র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করলে শেষ পর্যন্ত তারা ধরা পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আপডেট সময় : ০২:৪২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

টিকটকে পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠা এক কিশোরীকে (১৪) চাঁদপুর থেকে নারায়ণগঞ্জে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।

 

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আজিবপুর মাজার রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন—বন্দর উপজেলার কদমরসুল এলাকার মো. রিফাত (২১) এবং বাগবাড়ী এলাকার রোমান (২১)।

 

কীভাবে ঘটে এই নৃশংসতা?

 

মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর সদর এলাকার ওই কিশোরীর সঙ্গে টিকটকের মাধ্যমে রিফাতের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৯ মার্চ রিফাত কিশোরীকে নারায়ণগঞ্জে আসতে বলে এবং যাতায়াত খরচ বাবদ বিকাশে ৫০০ টাকা পাঠায়।

 

কিশোরী লঞ্চযোগে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনালে পৌঁছালে রিফাত তাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরায়। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তাকে নবীগঞ্জ কদমরসুল এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল রিফাতের বন্ধু রোমান। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই কিশোরীকে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

 

গ্রেফতার ও আইনি পদক্ষেপ

 

র্যাব-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. নাঈম উল হক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাদের বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

এর আগে কিশোরী বাড়ি ফিরে স্বজনদের ঘটনা জানালে তার বাবা বাদী হয়ে বন্দর থানায় গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিল। পুলিশ ও র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করলে শেষ পর্যন্ত তারা ধরা পড়ে।