ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুর-এর মমতাময়ী মায়ের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে সরকার Logo মাদক ও মানব পাচার নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo নবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষ বরণ Logo কৃষক কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে টাঙ্গাইল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo নারী উদ্যোক্তা এবং প্রবাসীদের নিয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার Logo বাংলার যয়যাত্রাএর হরমুজ প্রণালী পার হতে কেন বাধা দিল ইরান Logo রায়ে ‘অসন্তুষ্ট’ শহীদ আবু সাঈদের পরিবার Logo সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন ১২ মে

১৫ শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 183
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী জান্নাতুল মাওয়া স্নেহা। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিরোধী কমিটির কাছে সামাজিক ও মানসিক হেনস্তার বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ১৫ শিক্ষার্থী।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত ছাত্রী ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সহপাঠীদের নাম ও ছবি বিকৃতভাবে ব্যবহার করে অসংগতিপূর্ণ, কুরুচিপূর্ণ ও অপমানজনক কনটেন্ট প্রচার করেছেন। এতে তাঁদের ব্যক্তিগত মর্যাদা, সামাজিক অবস্থান ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের ফারহানা আফরিন, মরিয়ম খাতুন, সাবিয়া সুলতানা মুন্নী, মুহসিনা রহমান তিথি, অভিষেক বিশ্বাস, ঋত্বিক মজুমদার, ঐন্দ্রিলা বিশ্বাস, আতকিয়া আনাড়ুম রিয়া, নুসরাত নাওয়ার প্রাপ্তি, রাউফুন নাহার, আজমিয়ারা ইকরা, সানিয়া সাব্য ইরতেজা, নুসরাত জাহান নিলা। ইংরেজি বিভাগের সুরাইয়া ইয়াসমিন শোভা এবং মার্কেটিং বিভাগের নাফিজ হোসেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, গত রোববার তারা অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে গেলে তাঁর ফোনে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, এআই ব্যবহার করে সম্পাদিত অশ্লীল ছবি, সংশ্লিষ্ট অ্যাপ এবং ভাইরাল হওয়া এডিটেড ছবি পাওয়া যায়। এরপর তাঁরা নিশ্চিত হন যে এসব কর্মকাণ্ড স্নেহাই করেছেন।

এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধকল্পে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি বলেন, ‘বিষয়টি আমি মৌখিকভাবে শুনেছি। লিখিত অভিযোগটি এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি। অভিযোগপত্র হাতে এলে আমি কমিটির বাকি সদস্যদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

১৫ শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী জান্নাতুল মাওয়া স্নেহা। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিরোধী কমিটির কাছে সামাজিক ও মানসিক হেনস্তার বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ১৫ শিক্ষার্থী।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত ছাত্রী ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সহপাঠীদের নাম ও ছবি বিকৃতভাবে ব্যবহার করে অসংগতিপূর্ণ, কুরুচিপূর্ণ ও অপমানজনক কনটেন্ট প্রচার করেছেন। এতে তাঁদের ব্যক্তিগত মর্যাদা, সামাজিক অবস্থান ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের ফারহানা আফরিন, মরিয়ম খাতুন, সাবিয়া সুলতানা মুন্নী, মুহসিনা রহমান তিথি, অভিষেক বিশ্বাস, ঋত্বিক মজুমদার, ঐন্দ্রিলা বিশ্বাস, আতকিয়া আনাড়ুম রিয়া, নুসরাত নাওয়ার প্রাপ্তি, রাউফুন নাহার, আজমিয়ারা ইকরা, সানিয়া সাব্য ইরতেজা, নুসরাত জাহান নিলা। ইংরেজি বিভাগের সুরাইয়া ইয়াসমিন শোভা এবং মার্কেটিং বিভাগের নাফিজ হোসেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, গত রোববার তারা অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে গেলে তাঁর ফোনে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, এআই ব্যবহার করে সম্পাদিত অশ্লীল ছবি, সংশ্লিষ্ট অ্যাপ এবং ভাইরাল হওয়া এডিটেড ছবি পাওয়া যায়। এরপর তাঁরা নিশ্চিত হন যে এসব কর্মকাণ্ড স্নেহাই করেছেন।

এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধকল্পে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি বলেন, ‘বিষয়টি আমি মৌখিকভাবে শুনেছি। লিখিত অভিযোগটি এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি। অভিযোগপত্র হাতে এলে আমি কমিটির বাকি সদস্যদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেব।