ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

১৫ শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 229
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী জান্নাতুল মাওয়া স্নেহা। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিরোধী কমিটির কাছে সামাজিক ও মানসিক হেনস্তার বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ১৫ শিক্ষার্থী।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত ছাত্রী ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সহপাঠীদের নাম ও ছবি বিকৃতভাবে ব্যবহার করে অসংগতিপূর্ণ, কুরুচিপূর্ণ ও অপমানজনক কনটেন্ট প্রচার করেছেন। এতে তাঁদের ব্যক্তিগত মর্যাদা, সামাজিক অবস্থান ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের ফারহানা আফরিন, মরিয়ম খাতুন, সাবিয়া সুলতানা মুন্নী, মুহসিনা রহমান তিথি, অভিষেক বিশ্বাস, ঋত্বিক মজুমদার, ঐন্দ্রিলা বিশ্বাস, আতকিয়া আনাড়ুম রিয়া, নুসরাত নাওয়ার প্রাপ্তি, রাউফুন নাহার, আজমিয়ারা ইকরা, সানিয়া সাব্য ইরতেজা, নুসরাত জাহান নিলা। ইংরেজি বিভাগের সুরাইয়া ইয়াসমিন শোভা এবং মার্কেটিং বিভাগের নাফিজ হোসেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, গত রোববার তারা অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে গেলে তাঁর ফোনে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, এআই ব্যবহার করে সম্পাদিত অশ্লীল ছবি, সংশ্লিষ্ট অ্যাপ এবং ভাইরাল হওয়া এডিটেড ছবি পাওয়া যায়। এরপর তাঁরা নিশ্চিত হন যে এসব কর্মকাণ্ড স্নেহাই করেছেন।

এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধকল্পে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি বলেন, ‘বিষয়টি আমি মৌখিকভাবে শুনেছি। লিখিত অভিযোগটি এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি। অভিযোগপত্র হাতে এলে আমি কমিটির বাকি সদস্যদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

১৫ শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী জান্নাতুল মাওয়া স্নেহা। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিরোধী কমিটির কাছে সামাজিক ও মানসিক হেনস্তার বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ১৫ শিক্ষার্থী।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত ছাত্রী ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সহপাঠীদের নাম ও ছবি বিকৃতভাবে ব্যবহার করে অসংগতিপূর্ণ, কুরুচিপূর্ণ ও অপমানজনক কনটেন্ট প্রচার করেছেন। এতে তাঁদের ব্যক্তিগত মর্যাদা, সামাজিক অবস্থান ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের ফারহানা আফরিন, মরিয়ম খাতুন, সাবিয়া সুলতানা মুন্নী, মুহসিনা রহমান তিথি, অভিষেক বিশ্বাস, ঋত্বিক মজুমদার, ঐন্দ্রিলা বিশ্বাস, আতকিয়া আনাড়ুম রিয়া, নুসরাত নাওয়ার প্রাপ্তি, রাউফুন নাহার, আজমিয়ারা ইকরা, সানিয়া সাব্য ইরতেজা, নুসরাত জাহান নিলা। ইংরেজি বিভাগের সুরাইয়া ইয়াসমিন শোভা এবং মার্কেটিং বিভাগের নাফিজ হোসেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, গত রোববার তারা অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে গেলে তাঁর ফোনে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, এআই ব্যবহার করে সম্পাদিত অশ্লীল ছবি, সংশ্লিষ্ট অ্যাপ এবং ভাইরাল হওয়া এডিটেড ছবি পাওয়া যায়। এরপর তাঁরা নিশ্চিত হন যে এসব কর্মকাণ্ড স্নেহাই করেছেন।

এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধকল্পে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি বলেন, ‘বিষয়টি আমি মৌখিকভাবে শুনেছি। লিখিত অভিযোগটি এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি। অভিযোগপত্র হাতে এলে আমি কমিটির বাকি সদস্যদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেব।