ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

সুনামগঞ্জে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 300
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে লিটন আহম্মদ (২০) নামের এক তরুণকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত লিটন আহম্মদ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ভল্লবপুর গ্রামের খলিল আহমদের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়,  এজাহারকারী ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল স্ত্রী ও ছোট মেয়েকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তার ছোট ছেলে মিনহাজ এসে জানায়, তার বোন (১৮) গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় রান্নাঘরে ঝুলে আছে। তৎক্ষণাৎ বাড়িতে গিয়ে মেয়ের শরীরে ধর্ষণের আলামত দেখতে পেয়ে জানতে পারেন – আসামি লিটন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যবর্তী যেকোনো সময়ে তার মেয়েকে ধর্ষণ করে রান্নাঘরের বাঁশের সঙ্গে লাশ ঝুলিয়ে রেখে গেছে।

এদিকে খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার ফোর্সসহ এসে ওই তরুণীর সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরের দিন লিটনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন তরুণীর বাবা।

এদিকে তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২) ধারায় অপরাধ আমলে নেন আদালত। ৮ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে ওই ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। গঠিত অভিযোগ উপস্থিত আসামিকে পাঠ করে শোনানো ও ব্যাখ্যা করে বোঝানো হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বিচার প্রার্থনা করেন।

সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. শামছুর রহমান জানান, অভিযোগ গঠনের পর রাষ্ট্রপক্ষ আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করে। পরবর্তীতে সাক্ষী-প্রমাণের ভিত্তিতে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সুনামগঞ্জে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:০০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে লিটন আহম্মদ (২০) নামের এক তরুণকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত লিটন আহম্মদ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ভল্লবপুর গ্রামের খলিল আহমদের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়,  এজাহারকারী ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল স্ত্রী ও ছোট মেয়েকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তার ছোট ছেলে মিনহাজ এসে জানায়, তার বোন (১৮) গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় রান্নাঘরে ঝুলে আছে। তৎক্ষণাৎ বাড়িতে গিয়ে মেয়ের শরীরে ধর্ষণের আলামত দেখতে পেয়ে জানতে পারেন – আসামি লিটন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যবর্তী যেকোনো সময়ে তার মেয়েকে ধর্ষণ করে রান্নাঘরের বাঁশের সঙ্গে লাশ ঝুলিয়ে রেখে গেছে।

এদিকে খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার ফোর্সসহ এসে ওই তরুণীর সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরের দিন লিটনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন তরুণীর বাবা।

এদিকে তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২) ধারায় অপরাধ আমলে নেন আদালত। ৮ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে ওই ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। গঠিত অভিযোগ উপস্থিত আসামিকে পাঠ করে শোনানো ও ব্যাখ্যা করে বোঝানো হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বিচার প্রার্থনা করেন।

সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. শামছুর রহমান জানান, অভিযোগ গঠনের পর রাষ্ট্রপক্ষ আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করে। পরবর্তীতে সাক্ষী-প্রমাণের ভিত্তিতে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন আদালত।