ঢাকা ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

সারজিস আলমকে রাজশাহীতে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণার পর দুঃখ প্রকাশ

মোজো ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 406
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে রাজশাহীতে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়। এর এক দিন পর ফেসবুকে স্ট্যাটাসে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও এনসিপির জেলা সমন্বয় কমিটির সাবেক সদস্য মোতালেব হোসেন।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আমার একটি পোস্টে রাজশাহী জেলা এনসিপির আহ্বায়ক সন্ত্রাসী রুবেলের সহযোগী আওয়ামী দোসর সাইফুল এবং তার প্রশ্রয়দাতা রাজশাহী অঞ্চলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমনের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে আমি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক জনাব সারজিস আলমকে জড়িয়ে ফেলি, তার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’
এর আগে, শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছিলেন, ‘এই সাইফুল ইসলামকে এনসিপিতে নিয়ে এসেছে রাজশাহী বিভাগীয় সংগঠক ইমরান ইমন এবং তাকে পদ দিয়েছে এই দালাল ইমরান ইমন। আমরা দেখেছি এই এমরান ইমন সারজিস আলমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। সারজিস আলমকে এই বিষয়ে বারবার অবগত করার পরেও এই বিষয়ে তার কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। তার মানে এর সাথে খোদ সারজিস আলম নিজে জড়িত। রাজশাহীর মাটি থেকে সারজিস আলমকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হলো। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’
জানা গেছে, গত ২৯ নভেম্বর সাইফুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে এনসিপির রাজশাহী জেলার কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্র। এরপর থেকে তাকে ‘আওয়ামী দোসর’ আখ্যা দিয়ে দলীয় একাংশ আন্দোলনে নেমেছে। এ নিয়ে একই কমিটির পাঁচজন সদস্য পদত্যাগ করেছেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে দুঃখ প্রকাশের বিষয়ে জানতে রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মোতালেব হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সারজিস আলমকে রাজশাহীতে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণার পর দুঃখ প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে রাজশাহীতে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়। এর এক দিন পর ফেসবুকে স্ট্যাটাসে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও এনসিপির জেলা সমন্বয় কমিটির সাবেক সদস্য মোতালেব হোসেন।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আমার একটি পোস্টে রাজশাহী জেলা এনসিপির আহ্বায়ক সন্ত্রাসী রুবেলের সহযোগী আওয়ামী দোসর সাইফুল এবং তার প্রশ্রয়দাতা রাজশাহী অঞ্চলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমনের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে আমি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক জনাব সারজিস আলমকে জড়িয়ে ফেলি, তার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’
এর আগে, শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছিলেন, ‘এই সাইফুল ইসলামকে এনসিপিতে নিয়ে এসেছে রাজশাহী বিভাগীয় সংগঠক ইমরান ইমন এবং তাকে পদ দিয়েছে এই দালাল ইমরান ইমন। আমরা দেখেছি এই এমরান ইমন সারজিস আলমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। সারজিস আলমকে এই বিষয়ে বারবার অবগত করার পরেও এই বিষয়ে তার কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। তার মানে এর সাথে খোদ সারজিস আলম নিজে জড়িত। রাজশাহীর মাটি থেকে সারজিস আলমকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হলো। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’
জানা গেছে, গত ২৯ নভেম্বর সাইফুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে এনসিপির রাজশাহী জেলার কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্র। এরপর থেকে তাকে ‘আওয়ামী দোসর’ আখ্যা দিয়ে দলীয় একাংশ আন্দোলনে নেমেছে। এ নিয়ে একই কমিটির পাঁচজন সদস্য পদত্যাগ করেছেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে দুঃখ প্রকাশের বিষয়ে জানতে রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মোতালেব হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।