ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo স্কুল থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo এবার ঈদুল আজহায় ট্রেনের টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে Logo ঢাকা বারে সব পদ বিএনপির, একটিও পায়নি জামায়াত Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট Logo বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থার মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ Logo এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল; সংসদে বিল পাস

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 149
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন এজেন্ট আইসিইর অভিযান বন্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য এবং এর প্রধান দুটি শহর মিনিয়াপোলিস ও সেন্ট পলের কর্তৃপক্ষ। গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) স্থানীয় কর্মকর্তারা মামলাটি দায়ের করেন।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নির্বাচনী প্রচারণার অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি পূরণে অভিবাসীদের গণ-নির্বাসন কর্মসূচি বাস্তবায়ন চলছে। যার মূল দায়িত্বে রয়েছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট তথা আইসিই।
গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) এমনই এক অভিযান চালাতে গিয়ে এক মার্কিন নারীকে গুলি করে হত্যা করে এক আইসিই সদস্য। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের প্রতিবেদন মতে, রেনি নিকোল ম্যাকলিন গুড নামের ৩৭ বছর বয়সি ওই নারী কোনো অভিবাসী নয়। তার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যে। পুলিশি কোনো অভিযোগে তার সংশ্লিষ্টতা ছিল না।
এ ঘটনায় মিনিয়াপোলিস ছাড়াও বিভিন্ন শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন হাজার হাজার মানুষ। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। মিনিয়াপোলিস কর্তৃপক্ষ ম্যাকলিন গুড হত্যার ঘটনা ‘নিরপেক্ষ ও স্বাধীন’ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। চলমান আন্দোলন ও বিক্ষোভের মধ্যে এবার ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলো। মিনেসোটায় চলমান অনথিভূক্ত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সরকারের চলমান অভিযানকে ‘আগ্রাসন’ অভিহিত করে তা দ্রুত বন্ধের পাশাপাশি নতুন করে অতিরিক্ত ১ হাজার সীমান্ত টহল কর্মকর্তা পাঠানোর নির্দেশে স্থগতিাদেশ দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মিনেসোটা রাজ্যজুড়ে এরই মধ্যে প্রায় ২ হাজার অভিবাসন এজেন্ট কাজ করছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ১ হাজার সীমান্ত টহল কর্মকর্তাকে পাঠানো হচ্ছে বলে এরই মধ্যে খবরে উঠে এসেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ডিএইচএস) এই অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দমন অভিযান হিসেবে অভিহিত করেছে।
সোমবার মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল কিথ এলিসন ট্রাম্প সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মিনেসোটা রাজ্যে ফেডারেল সরকারের সাম্প্রতিক অভিবাসন কর্মকর্তাদের ‘তৎপরতা’ জননিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। অ্যাটর্নি জেনারেল এসব তৎপরতাকে ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসন’ অভিহিত করে বলেন, ‘হাজার হাজার স্বল্প–প্রশিক্ষিত ও সশস্ত্র এজেন্ট আমাদের জনপদে ঢুকে পড়েছে। মিনেসোটার বৈচিত্র্য ও ভিন্নমতের কারণে আমাদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এটা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’ মিনেসোটার পাশাপাশি ডেমোক্র্যাট–শাসিত ইলিনয় অঙ্গরাজ্যও একই ইস্যুতে ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

সুত্র: আল জাজিরা ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১০:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন এজেন্ট আইসিইর অভিযান বন্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য এবং এর প্রধান দুটি শহর মিনিয়াপোলিস ও সেন্ট পলের কর্তৃপক্ষ। গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) স্থানীয় কর্মকর্তারা মামলাটি দায়ের করেন।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নির্বাচনী প্রচারণার অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি পূরণে অভিবাসীদের গণ-নির্বাসন কর্মসূচি বাস্তবায়ন চলছে। যার মূল দায়িত্বে রয়েছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট তথা আইসিই।
গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) এমনই এক অভিযান চালাতে গিয়ে এক মার্কিন নারীকে গুলি করে হত্যা করে এক আইসিই সদস্য। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের প্রতিবেদন মতে, রেনি নিকোল ম্যাকলিন গুড নামের ৩৭ বছর বয়সি ওই নারী কোনো অভিবাসী নয়। তার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যে। পুলিশি কোনো অভিযোগে তার সংশ্লিষ্টতা ছিল না।
এ ঘটনায় মিনিয়াপোলিস ছাড়াও বিভিন্ন শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন হাজার হাজার মানুষ। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। মিনিয়াপোলিস কর্তৃপক্ষ ম্যাকলিন গুড হত্যার ঘটনা ‘নিরপেক্ষ ও স্বাধীন’ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। চলমান আন্দোলন ও বিক্ষোভের মধ্যে এবার ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলো। মিনেসোটায় চলমান অনথিভূক্ত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সরকারের চলমান অভিযানকে ‘আগ্রাসন’ অভিহিত করে তা দ্রুত বন্ধের পাশাপাশি নতুন করে অতিরিক্ত ১ হাজার সীমান্ত টহল কর্মকর্তা পাঠানোর নির্দেশে স্থগতিাদেশ দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মিনেসোটা রাজ্যজুড়ে এরই মধ্যে প্রায় ২ হাজার অভিবাসন এজেন্ট কাজ করছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ১ হাজার সীমান্ত টহল কর্মকর্তাকে পাঠানো হচ্ছে বলে এরই মধ্যে খবরে উঠে এসেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ডিএইচএস) এই অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দমন অভিযান হিসেবে অভিহিত করেছে।
সোমবার মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল কিথ এলিসন ট্রাম্প সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মিনেসোটা রাজ্যে ফেডারেল সরকারের সাম্প্রতিক অভিবাসন কর্মকর্তাদের ‘তৎপরতা’ জননিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। অ্যাটর্নি জেনারেল এসব তৎপরতাকে ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসন’ অভিহিত করে বলেন, ‘হাজার হাজার স্বল্প–প্রশিক্ষিত ও সশস্ত্র এজেন্ট আমাদের জনপদে ঢুকে পড়েছে। মিনেসোটার বৈচিত্র্য ও ভিন্নমতের কারণে আমাদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এটা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’ মিনেসোটার পাশাপাশি ডেমোক্র্যাট–শাসিত ইলিনয় অঙ্গরাজ্যও একই ইস্যুতে ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

সুত্র: আল জাজিরা ।