ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ শতাধিক পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা, খুলেছে ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র Logo এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলায় খুলনায় প্রতিবাদ মিছিল Logo হরিপুরে সরকারি সহায়তা পেলেন রোগী, শিক্ষার্থী, কৃষক ও প্রতিবন্ধীরা Logo প্রত্যয় সংগঠনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন পিএবিএম-এর উপদেষ্টা অপূর্ব বড়ুয়া Logo বিএডিসিতে গণবদলি নিয়ে তোলপাড়: চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা Logo মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে কাজী নজরুলকে প্রধান দিশারি হিসেবে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo স্টেডফাস্ট কুরিয়ার কার্যালয় পরিদর্শনে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার, শান্তিপূর্ণ সমাধানে আইনানুগ নির্দেশনা Logo সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দাকোপে কে.সি. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত Logo জৈব সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি করা হয়েছে কামারখন্দের সেই কৃষি কর্মকর্তাকে Logo সুপারভাইজার বলেছিল ‘তুই মরলেও ছুটি নাই’

ধামরাইয়ে সাতজন হিন্দু দ্বারা মুসলিম গৃহবধু ধর্ষণের শিকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 174

প্রতীকী ছবি- দেশবর্ন ।

দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার ধামরাইয়ে বেড়াতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। ধারালো অস্ত্রের মুখে তার স্বামীকে জিম্মি করে ঘরের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে ওই গৃহবধূকে রাতভর ধর্ষণ করা হয়। সেইসঙ্গে গৃহবধূর কানের দুল, গলার চেইন ও হাতের বালাসহ সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণের গহনা ছিনিয়ে নেয় ধর্ষণকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের রামরাবন গ্রামের শান্তি রানী মনিদাসীর বাড়িতে। পরে স্বামী-স্ত্রীকে হত্যার ভয় দেখিয়ে ওই বাড়ি ও গ্রাম থেকে বের করে দেওয়া হয়।

ভিকটিমদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৭/০১/২০২৬ ইং মানিকগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা ও ধামরাই উপজেলার পাবরাইলের একটি প্রতিষ্ঠানের গাড়িচালক তার স্ত্রীকে নিয়ে বালিয়াটি প্রাসাদ ঘুরতে যান রামরাবণ গ্রামের ফনি চন্দ্র মনি দাসের ছেলে এবং ওই প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কর্মী কৃষ্ণচন্দ্র মনি দাসকে সঙ্গে নিয়ে। ঘোরাফেরা শেষে সন্ধ্যার দিকে তারা কৃষ্ণচন্দ্র মনিদাসের বাড়িতে বেড়াতে যান। এরপর তাদের রাত্রিযাপনের জন্য কৃষ্ণচন্দ্র মনিদাসের বোন শান্তি রানী দাসের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে পাঁচ-সাতজন যুবক চাপাতি ও রামদা নিয়ে এসে স্বামীকে রশি দিয়ে বেঁধে তার স্ত্রীকে রাতভর ধর্ষণ করে।

এ ঘটনার পর শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় ইউপি সদস্য মন্টু চন্দ্র মনি দাসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সজীব চন্দ্র মনি দাসসহ উচ্ছৃঙ্খল কিছু যুবক ধর্ষণের শিকার নারী ও তার স্বামীকে লাঠিপেটা করে গ্রাম থেকে বের করে দেয় বলে এলাকাবাসী জানায়।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার এএসআই হারাধন সরকার বলেন, আমি সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। ওই ভিকটিম এবং ধর্ষণকারীদের খুঁজে পাইনি। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ইউপি সদস্য মন্টু চন্দ্র মনি দাস বলেন, যে বাড়িতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, আমি ওই বাড়িতে গিয়ে কাউকে খুঁজে পাইনি। এছাড়া ধর্ষকদেরও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

 

সুত্র : যুগান্তর ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধামরাইয়ে সাতজন হিন্দু দ্বারা মুসলিম গৃহবধু ধর্ষণের শিকার

আপডেট সময় : ০৬:৩১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার ধামরাইয়ে বেড়াতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। ধারালো অস্ত্রের মুখে তার স্বামীকে জিম্মি করে ঘরের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে ওই গৃহবধূকে রাতভর ধর্ষণ করা হয়। সেইসঙ্গে গৃহবধূর কানের দুল, গলার চেইন ও হাতের বালাসহ সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণের গহনা ছিনিয়ে নেয় ধর্ষণকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের রামরাবন গ্রামের শান্তি রানী মনিদাসীর বাড়িতে। পরে স্বামী-স্ত্রীকে হত্যার ভয় দেখিয়ে ওই বাড়ি ও গ্রাম থেকে বের করে দেওয়া হয়।

ভিকটিমদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৭/০১/২০২৬ ইং মানিকগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা ও ধামরাই উপজেলার পাবরাইলের একটি প্রতিষ্ঠানের গাড়িচালক তার স্ত্রীকে নিয়ে বালিয়াটি প্রাসাদ ঘুরতে যান রামরাবণ গ্রামের ফনি চন্দ্র মনি দাসের ছেলে এবং ওই প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কর্মী কৃষ্ণচন্দ্র মনি দাসকে সঙ্গে নিয়ে। ঘোরাফেরা শেষে সন্ধ্যার দিকে তারা কৃষ্ণচন্দ্র মনিদাসের বাড়িতে বেড়াতে যান। এরপর তাদের রাত্রিযাপনের জন্য কৃষ্ণচন্দ্র মনিদাসের বোন শান্তি রানী দাসের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে পাঁচ-সাতজন যুবক চাপাতি ও রামদা নিয়ে এসে স্বামীকে রশি দিয়ে বেঁধে তার স্ত্রীকে রাতভর ধর্ষণ করে।

এ ঘটনার পর শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় ইউপি সদস্য মন্টু চন্দ্র মনি দাসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সজীব চন্দ্র মনি দাসসহ উচ্ছৃঙ্খল কিছু যুবক ধর্ষণের শিকার নারী ও তার স্বামীকে লাঠিপেটা করে গ্রাম থেকে বের করে দেয় বলে এলাকাবাসী জানায়।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার এএসআই হারাধন সরকার বলেন, আমি সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। ওই ভিকটিম এবং ধর্ষণকারীদের খুঁজে পাইনি। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ইউপি সদস্য মন্টু চন্দ্র মনি দাস বলেন, যে বাড়িতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, আমি ওই বাড়িতে গিয়ে কাউকে খুঁজে পাইনি। এছাড়া ধর্ষকদেরও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

 

সুত্র : যুগান্তর ।