ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রত্যেক উপজেলায় সংসদ সদস্যদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ   Logo হরমুজ এড়িয়ে সৌদি থেকে তেল নিয়ে চট্টগ্রাম আসছে জাহাজ Logo জ্বালানি সাশ্রয়ে বুধ-বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে ভার্চুয়ালি Logo এনসিপিতে যোগদানের হিড়িক Logo ৫ দফা দাবী সহ শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে জাতীয় শিক্ষক ফোরামের মানববন্ধন কর্মসূচি Logo পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াবে বাংলাদেশ Logo পাম্প থেকে তেল নিতে অগ্রাধিকার চায় পুলিশ Logo খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পদক নিলেন জাইমা রহমান Logo ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুর-এর মমতাময়ী মায়ের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে সরকার

এ বৎসর কতো টাকা বিক্রি হয়েছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 57
দেশবর্ণ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে সমাপ্ত হওয়া ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বেচাকেনা হয়েছে। মেলা থেকে দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ২২৪ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ পেয়েছে। 

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

বাণিজ্য মেলার এবারের আসরে স্থানীয়ভাবে রেস্তোরাঁসহ মোট ৩৯৩ কোটি টাকা মূল্যের পণ্যসামগ্রী বিক্রি হয়েছে। আয়োজক সূত্রে জানানো হয়, গত বছরের তুলনায় এবারের মেলায় পণ্য বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। রপ্তানি আদেশের ক্ষেত্রেও অর্জিত হয়েছে বড় সাফল্য। এবারের আসরে ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা প্রায় ২২৪ কোটি টাকার সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে। আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও তুরস্ক থেকে এসব আদেশ এসেছে।

মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন– এফবিসিসিআইর প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।

এবারের মেলায় দেশি-বিদেশি মোট ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়া– এই ছয়টি দেশের ১১টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে নির্মাণ কাঠামো, স্থাপত্য সৌন্দর্য, পণ্যের মান ও সেবা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করে ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

মেলায় কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্পের অন্তর্ভুক্ত পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, আসবাব, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস, প্রসাধন সামগ্রী, প্লাস্টিক ও হস্তশিল্পসহ বিচিত্র সব পণ্য ও সেবা প্রদর্শিত এবং বিক্রি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এ বৎসর কতো টাকা বিক্রি হয়েছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায়

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে সমাপ্ত হওয়া ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বেচাকেনা হয়েছে। মেলা থেকে দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ২২৪ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ পেয়েছে। 

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

বাণিজ্য মেলার এবারের আসরে স্থানীয়ভাবে রেস্তোরাঁসহ মোট ৩৯৩ কোটি টাকা মূল্যের পণ্যসামগ্রী বিক্রি হয়েছে। আয়োজক সূত্রে জানানো হয়, গত বছরের তুলনায় এবারের মেলায় পণ্য বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। রপ্তানি আদেশের ক্ষেত্রেও অর্জিত হয়েছে বড় সাফল্য। এবারের আসরে ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা প্রায় ২২৪ কোটি টাকার সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে। আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও তুরস্ক থেকে এসব আদেশ এসেছে।

মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন– এফবিসিসিআইর প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।

এবারের মেলায় দেশি-বিদেশি মোট ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়া– এই ছয়টি দেশের ১১টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে নির্মাণ কাঠামো, স্থাপত্য সৌন্দর্য, পণ্যের মান ও সেবা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করে ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

মেলায় কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্পের অন্তর্ভুক্ত পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, আসবাব, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস, প্রসাধন সামগ্রী, প্লাস্টিক ও হস্তশিল্পসহ বিচিত্র সব পণ্য ও সেবা প্রদর্শিত এবং বিক্রি হয়।